নিউটাউনে উদ্বোধন নয়া এয়ারক্রাফট মিউজিয়াম। রাখা থাকবে ভারতীয় নৌসেনার অন্যতম সেরা ফাইটার জেট রাশিয়ান টিউ১৪২এম। ১৯৮৩-তে সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছ থেকে পেয়েছিল সরকার।
Advertisement
২৮
আলিপুরদুয়ার থেকে ফিরে নিউটাউনের ডি জে ব্লকে মিউজমিয়ামের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
১৯৮৮-তে প্রথম উড়ান। কার্গিলের পাশাপাশি অপারেশন ক্যাকটাস, অপারেশন পরাক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। ভারতের হাতে যে ক’টি সাবেমরিন-বিধ্বংসী বিমান রয়েছে তাদের মধ্যে অন্যতম শক্তিশালী এই ‘সাবমেরিন কিলার’। টানা ২৯ বছরের লাগাতার সফল নেভাল সার্ভিস শেষে অবসর ২০১৭-এ
Advertisement
৪৮
২০১৯ সালে এটিকে রাজ্যের হাতে তুলে দেয় নৌবাহিনী। সেটিকে ঘিরেই নিউটাউনে গড়ে উঠল পর্যটনের নতুন চমক।
৫৮
২.২ একর জমিতে মোট ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে কেএমডিএ আর হিডকো যৌথভাবে এটিকে ঘিরে মিউজিয়াম গড়ার সিদ্ধান্ত নেয়। দেশের মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম মিউজিয়াম এটি। প্রথমটি রয়েছে বিশাখাপত্তনমে।
২০২০ থেকে কাজ শুরু হয়েছিল। উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে আগামী শুক্রবার থেকে। টিকিটের মূল্য ৩০ টাকা। তবে স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীরা বিনামূল্যে এটি ঘুরে দেখে যেতে পারবে।
৭৮
মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে হাজির ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম এবং অরূপ বিশ্বাস, রাজারহাট গোপালপুর কেন্দ্রের বিধায়ক তথা শিল্পী অদিতি মুন্সি।
৮৮
শিল্পী অদিতির সঙ্গে গলা মেলালেন মমতা। কিংবদন্তী শিল্পী লতা মঙ্গেশকরের জনপ্রিয় গান 'এ্যায় মেরে বতন কে লোগো' গাইলেন মুখ্যমন্ত্রী।
খুদেদের আদরের পাশাপাশি এলাকার পুরুষ ও মহিলাদের সঙ্গে কথা বললেন মমতা। খোঁজ নিলেন সমস্ত প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন কি না তাঁরা। ছবি: ফেসবুক।
৪৬
কোনও সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতে সমস্যা হলে সংশ্লিষ্ট জায়গায় তা জানানোর পরামর্শ দেন। বেশ কিছুক্ষণ কোদাল বস্তিতে কাটিয়ে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হন মমতা। ছবি: ফেসবুক।
৫৬
জনসংযোগের আগে আলিপুরদুয়ারে কর্মিসভা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রোদ উপেক্ষা করে সেখানে মানুষের ঢল। ছবি: ফেসবুক।
‘জামাই’ শোভনের জন্য এলাহি আয়োজন, খাওয়া-দাওয়ার ছবি পোস্ট করলেন বৈশাখী
জামাইষষ্ঠী স্পেশ্যাল মেনুতে কী কী ছিল? দেখুন ছবি।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: জুন ৬, ২০২২, ১৩:৩৭
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: জুন ৬, ২০২২, ১৩:৩৭
১৮
জামাইষষ্ঠী। অথচ শোভন চট্টোপাধ্যায়ের জন্য এলাহি আয়োজন হবে না, তা কি হয়? ঠিক কীভাবে এই বিশেষ দিনটি সেলিব্রেট করলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি পোস্ট করে নিজেই জানালেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়।
২৮
বৈশাখী জানিয়েছেন, তাঁর মা অসুস্থ। তাই তাঁর নির্দেশ মেনেই সমস্ত রান্নাবান্না করা হয়েছিল। সামনে থেকে সবটা করতে না পারলেও 'জামাই' আদরে কোনও ত্রুটি রাখেননি 'শাশুড়ি'। তাঁর তদারকিতেই সব আয়োজন করা হয়।
নিজের হাতে মেয়ে এবং শোভন চট্টোপাধ্যায়কে খাইয়েও দিলেন বৈশাখী।
৭৮
তিনজনই সেজেছিলেন লাল রঙের পোশাকে। শোভনের পরনে ছিল লাল-সাদা চেক পাঞ্জাবি। বৈশাখী পরেছিলেন সোনালি পাড়ের লাল শাড়ি।
৮৮
ছবি পোস্ট করে বৈশাখী লেখেন, তাঁর মায়ের কাছে শোভন জামাইয়ের চেয়েও বেশি ছেলের মতো। সামনে থেকে জামাই আদর করতে না পারলেও আয়োজনে কোনও ঘাটতি রাখেননি। মায়ের প্রতি ভালবাসাও জানান বৈশাখী।