হ্যালোইনের নিজভূমে অর্থাৎ আমেরিকায় মেয়ে মালতী ও স্বামী নিক জোনাসের সঙ্গে এই বিশেষ দিন সেলিব্রেট করলেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। এদিন মেয়ে মালতীকে সাজিয়েছিলেন 'ঘোস্ট প্রিন্সেস' রূপে।
১০১২
হ্যালোইনের 'স্পুকি' সাজে ভয় ধরালেন রাখি সাওয়ান্ত। সঙ্গে দোসর হলেন পুনম পাণ্ডে।
১১১২
অম্বানিদের হ্যালোইন পার্টিতে ও অর্জুন কাপুর ধরা দিয়েছিলেন 'স্কার ফেস' রূপে।
১২১২
তবে বলিউডের পাশাপাশি টলিউডও কিন্তু পিছিয়ে নেই। হ্যালোইনে নিজের জনপ্রিয় ধারাবাহিকের 'কটকটি রানি' চরিত্রের ছবি পোষ্ট করে সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চান্দ্রেয়ী ঘোষ। ছবি: ইনস্টাগ্রাম
মরশুম বদলের সময়। ক্রমশ বাড়ছে চুল পড়ার সমস্যা। শ্যাম্পু বদল। পার্লারে গিয়ে হাজার ট্রিটমেন্টের পরেও চুল পড়ার সমস্যা যেন পিছু ছাড়ে না। আর তার ফলে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে মুখভার তন্বীর।
২১২
বিশেষজ্ঞদের দাবি, এই সময়ে চুল পড়ার সমস্যা দূর করতে স্ক্যাল্পের বিশেষ যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। তাই ২-৩ দিন অন্তর শ্যাম্পু করা উচিত। তবে খেয়াল রাখতে হবে, স্ক্যাল্প যেন অতিরিক্ত শুষ্ক না হয়ে যায়। তাতে চুলের ডগা ফাটার সমস্যা আরও বাড়বে।
কারও কারও মতে, রাসায়নিক মিশ্রিত শ্যাম্পু কিংবা তেল ব্যবহার করে চুল পড়া আটকানো সম্ভব নয়। পরিবর্তে ঘরোয়া জিনিসপত্রে মিলতে পারে রেহাই। ঠিক যেমন ফুলের মাধ্যমে চুল পড়া আটকানো সম্ভব।
৪১২
প্রথমেই আসি জবার কথায়। কেশচর্চায় নিত্যপুজোয় ব্যবহৃত এই ফুলের জুড়ি মেলা ভার। জবাফুলে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চুল পড়া রুখতে সহায়তা করে।
৫১২
কেউ কেউ জবাফুল বেটে ব্যবহার করেন। তাতে চুলের অকালপক্কতা দূর হয়। চুল হয় আরও উজ্জ্বল এবং নরম। চুলের পরিচর্যায় হিবিসকাস মিস্ট কিংবা জবাফুল দিয়ে তৈরি তেলও ব্যবহার করতে পারেন।
ভালোবাসা প্রকাশে গোলাপের কোনও বিকল্প হয় না। তবে জানেন কি, গোলাপ চুল পড়া রুখতেও সাহায্য করে। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এই ফুল স্ক্যাল্পের নানা সমমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। তার ফলে চুল পড়ার সমস্যা কমে।
৭১২
গোলাপ জল কিংবা গোলাপের পাপড়ি তেলে ফুটিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। শুধু চুলই নয়। গোলাপের সুগন্ধ আপনাকে আরও মোহময়ী করে তুলবে।
৮১২
রোজকার পুজোয় ব্যবহৃত গাঁদাফুলও নাকি চুলের পরিচর্যায় বিশেষ প্রয়োজনীয়। এই ফুল দিয়ে তৈরি হেয়ার মাস্ক, হেয়ারপ্যাক সপ্তাহে একদিন ব্যবহার করতে পারেন। তাতে আপনার চুল যে আরও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল হয়ে উঠবে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
৯১২
একসময় বিয়েবাড়িতে চুল বাঁধার পর জুঁইয়ের মালা মাথায় দিতেন বহু মহিলা। এখন অবশ্য ফ্যাশনে খানিকটা বদল হয়েছে। জুঁইয়ের বদলে সে জায়গা দখল করেছে অর্কিডের মতো দামী বাহারি ফুল। তবে কেশচর্চায় আজও সমান প্রয়োজনীয় জুঁইফুল।
১০১২
জুঁই তেল স্ক্যাল্পের শুষ্কতা ও চুলকানি, খুসকির মতো সমস্যা মেটাতে সাহায্য করেন। তাই চুলপড়ার সমস্যা থাকলে অবশ্যই বেছে নিন জুঁইফুল।
১১১২
জটমুক্ত স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুল আপনাকে উপহার দিতে পারে বার্গামট ফুল। চুলের ডগা ফাটার সমস্যা থেকেও রেহাই পেতে এই ফুলটির জুড়ি মেলা ভার।
১২১২
চুল পড়ার সমস্যা থেকে রেহাই পেতে সপ্তাহে কমপক্ষে দু'বার বার্গামট অয়েল এবং বার্গামট শ্যাম্পু ব্যবহার করতে পারেন। তাই আর দেরি না করে রাসায়নিকের পরিবর্তে ফুলের সাহায্যে চুলপড়ার সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার চেষ্টা করুন।
3I/ATLAS। মহাকাশের এই 'আগন্তুক'কে ঘিরে কৌতূহল বাড়ছে! তার 'অস্বাভাবিক' আচরণ ঘিরে নানা কনস্পিরেসি থিয়োরির জন্ম হচ্ছে। একে তো সে ঘনঘন রং বদলেছে, তার উপর সূর্যের অভিকর্ষকেও উপেক্ষা করেছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে, আদৌ এটা ধূমকেতু! নাকি আসলে এটা ভিনগ্রহীদের যান?
২৮
এই ব্রহ্মাণ্ডে পৃথিবীতেই একমাত্র জীবের অস্তিত্ব রয়েছে, মানুষ বরাবরই এমন ধারণায় অবিশ্বাস করে এসেছে। বরং সে খুঁজে বেরিয়েছে তার দোসরকে। কিন্তু বুদ্ধিমান তো বটেই, একেবারে আণুবীক্ষণিক ভিনগ্রহীরও সন্ধান মেলেনি। তাই যখন কোনও সন্ধান মেলে, সঙ্গে সঙ্গে তা নিয়ে কৌতূহল তুঙ্গে ওঠে। আর সেই কারণেই 3I/ATLAS আপাতত আলোচনার কেন্দ্রে।
গত ১ জুলাই 3I/ATLAS-এর সন্ধান মেলে প্রথমবার। তখনই বিজ্ঞানীরা জানান, এটি আসলে ইন্টারস্টেলার বস্তু। অর্থাৎ এর উৎস সৌরজগতের বাইরে কোথাও। যা আমাদের সৌর পরিবারে প্রবেশ করার পর থেকে ছুটে চলেছে। আর প্রায় প্রথম থেকেই এই বস্তুটির স্বরূপ কী, তা নিয়ে চলছে তর্ক।
৪৮
হার্ভার্ডের বিজ্ঞানী অ্যাভি লোবের বিস্ফোরক দাবিতে এই নিয়ে চর্চা তুঙ্গে। তিনি জানিয়েছেন, থেকে উজ্জ্বলতা ও রং বদলাচ্ছে ৩আই/অ্যাটলাস। এমনকী সূর্যের চেয়েও উজ্জ্বল নীলরঙা হয়ে উঠতে দেখা যায় তাকে। এটা একেবারেই অস্বাভাবিক।
৫৮
লোব সাহেব বলছেন, ধূমকেতুর মধ্যে থাকা ধুলোর কারণে সেটি সাধারণ লালবর্ণ ধারণ করে। সেখানে এই ইন্টারস্টেলার বস্তুটি এমন নীল হয় কী করে? এখানেই ঘনাচ্ছে রহস্য।
মঙ্গলের অস্বাভাবিক কাছ দিয়ে চলে গিয়েছিল ধূমকেতুটি। এটাও ভাবাচ্ছে বিজ্ঞানীদের। এছাড়াও সূর্যের অভিকর্ষ টান উপেক্ষা করে সৌরজগতের কর্তার সঙ্গে দূরত্ব বাড়াতে দেখা যায় তাকে। এই পরিস্থিতিতে সত্য গোপন করার অভিযোগে লোব বিদ্ধ করেছেন মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থাকে। লোবের পরিষ্কার দাবি, এটা আসলে ভিনগ্রহীদের যান!
৭৮
কিন্তু নাসা কী বলছে? তারা বরাবরই ৩আই/অ্যাটলাস সম্পর্কে পরিষ্কার জানিয়েছে যে, এটি কোনওভাবেই পৃথিবীর জন্য কোনও 'বিপদ' নয়। এটা ধূমকেতুই, কোনও ভিনগ্রহীদের যান মোটেও নয়- এমনটাই জানাচ্ছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। নাসার সঙ্গে একমত বহু জ্যোতির্বিজ্ঞানীও।
৮৮
সব মিলিয়ে ওই 'আগন্তুক'কে ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে। দুই ধরনের মত নিয়েই কথা উঠছে। আসলে কোনও নতুন মহাজাগতিক বস্তুর দেখা মিললে এতই সীমিত তথ্য হাতে আসে যে তা দিয়ে কোনও নিশ্চিত সিদ্ধান্তে আসা কঠিন। আপাতত তাই আরেকটু অপেক্ষা করতে চাইছেন বিজ্ঞানীরা।