‘লাভ জেহাদে’র জেরে খুন করতে চায় নিজের পরিবার! বাগদানের আংটি ছুড়ে ফেলেন দিদা, কে এই নায়িকা?
কথায় বলে, ‘অতি বড় ঘরণি না পায় ঘর…’, বলিউডের এই অভিনেত্রীর ক্ষেত্রে একথা যেন অক্ষরে অক্ষরে প্রযোজ্য।
আরও পড়ুন:
আর এই সুরাইয়ার প্রেম একপ্রকার পাগল ছিলেন কিংবদন্তি অভিনেতা দেব আনন্দ। ১৯৪৮ সালের ছবি 'বিদ্যা'-র শুটিং চলাকালীন সুরাইয়া এবং দেব আনন্দের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। শোনা যায়, শুটের সময় নৌকা উলটে গেলে দেব আনন্দ সুরাইয়াকে রক্ষা করেছিলেন। সুরাইয়া তখন হিন্দি সিনেদুনিয়ার স্টার। আর দেব আনন্দ সবে নিজের পায়ের তলার মাটি শক্ত করছেন।
আরও পড়ুন:
আর এই সুরাইয়ার প্রেম একপ্রকার পাগল ছিলেন কিংবদন্তি অভিনেতা দেব আনন্দ। ১৯৪৮ সালের ছবি 'বিদ্যা'-র শুটিং চলাকালীন সুরাইয়া এবং দেব আনন্দের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। শোনা যায়, শুটের সময় নৌকা উলটে গেলে দেব আনন্দ সুরাইয়াকে রক্ষা করেছিলেন। সুরাইয়া তখন হিন্দি সিনেদুনিয়ার স্টার। আর দেব আনন্দ সবে নিজের পায়ের তলার মাটি শক্ত করছেন।
শোনা যায়, পাঁচের দশকে সুরাইয়াকে ৩ হাজার টাকা দামের এক হিরের আংটি দিয়ে বিয়ের প্রস্তাব দেন দেব আনন্দ। শোনা যায়, এই আংটি কেনার জন্য নাকি বন্ধুদের কাছ থেকে টাকা ধার করেছিলেন তিনি। পরবর্তীকালে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে সুরাইয়া জানান যে, তাঁর দিদা এবং মামারা দেব আনন্দকে খুনের হুমকি দিয়েছিলেন এবং সম্পর্কটা ভেঙে ফেলার জন্যেও অভিনেত্রীর উপর প্রবল চাপ সৃষ্টি করেন।
সুরাইয়া-দেব আনন্দ জুটি একসঙ্গে সাতটি ছবিতে অভিনয় করেন। সেখান থেকেই প্রেম গাঢ় হয়। জানতে পেরেই কড়াকড়ি শুরু করেন সুরাইয়ার দিদা। কড়া নজরদারি শুরু হয়। এমতাবস্থায় সহ-শিল্পীদের মাধ্যমে তাঁরা গোপনে প্রেমের চিঠি চালাচালি করতেন বলে শোনা যায়। ১৯৪৯ সালের ছবি 'জিৎ'-এর শুটিং চলাকালীন দেব আনন্দ এবং সুরাইয়া গোপনে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করার প্ল্যান করেছিলেন।