এদিন মালদ্বীপে নেমে নিজের বিখ্যাত আলিঙ্গন কূটনীতিও ঝালিয়ে নিয়েছেন নমো। বিমান থেকে নেমেই মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টকে জড়িয়ে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। রাজধানী মালেতে ‘বন্দে মাতরম’ এবং ‘ভারত মাতা কি জয়’ ধ্বনিতে মোদিকে স্বাগত জানান মালদ্বীপের আমজনতা।
ক্ষমতায় আসার পরই চিনা উস্কানিতে ভারত বিরোধিতা শুরু করেছিলেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু। দেশছাড়া করেছিলেন ভারতীয় সেনাকে। তবে সময় বদলেছে। সেই সঙ্গে চিন প্রেমও ঘুচেছে মালদ্বীপের। অল্প দিনেই মুইজ্জু বুঝে গিয়েছেন চিনা-সঙ্গ সুবিধের নয়।
৪১০
মালদ্বীপের অহঙ্কার ভাঙার পর ফের বড় দাদার মতো দেশটির পাশে দাঁড়াল ভারত। শুক্রবার মোদি-মুইজ্জু বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করলেন, প্রতিরক্ষাক্ষেত্রে মালদ্বীপকে সমস্তরকম সহযোগিতা করবে ভারত। প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়ারও ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এদিকে মালদ্বীপের প্রতিরক্ষামন্ত্রকে মোদির বিশালাকার ছবি লাগানো হয়।
৫১০
প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু ২০২৪ সালের অক্টোবরে নির্বাচনের পর ভারত সফর করে সম্পর্ক মেরামতের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। সেই পদক্ষেপেরই প্রতিফলন এবং সম্প্রসারণ ঘটবে প্রধানমন্ত্রী মোদির এই সফরের মাধ্যমে।
শুক্রবার মালদ্বীপের মাটিতে পা রাখার পর মুইজ্জুর সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত-মালদ্বীপের শিকড় আমাদের ইতিহাসের চেয়েও পুরনো। উভয় দেশ প্রতিবেশীর চেয়েও বেশি কিছু।”
৭১০
মালদ্বীপ সফরে প্রধানমন্ত্রীর এই পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ। কূটনৈতিক মহলের দাবি, মালদ্বীপে থাবা বসাতে থাকা চিনকে সরাতে ভারতের এই কূটনৈতিক পদক্ষেপের নেপথ্যে রয়েছে বহু অঙ্ক।
৮১০
মালদ্বীপে পা রেখে মোদিও বলেন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে উন্নতি করতে দুই দেশই চেষ্টা করছে। এহেন পরিস্থিতিতে চিন কিছুটা চাপে থাকবে বলেই মত বিশ্লেষকদের।
৯১০
কারণ মালদ্বীপকে ব্যবহার করে ভারতকে বিপাকে ফেলার চেষ্টা করেছিল বেজিং। কিন্তু সেই প্রচেষ্টা আপাতত ব্যর্থ।
১০১০
মালদ্বীপের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে অগ্রগতির লক্ষ্যে ভারত সব রকম সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন মোদি। এমনকী মালদ্বীপের সেনার সাহায্যে ৭২টি সামরিক যান দেওয়ার ঘোষণা করেন।
প্রয়োজন ছাড়াই কি চিন্তাভাবনা করেন? অকারণে মাথায় বাড়তে পারে চাপ। অতিরিক্ত চিন্তা আপনার মানসিক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। বেশি চিন্তা-ভাবনা অনেক সময় শরীরের ভারসাম্যহীনতারও কারণ হয়ে দেখা দিতে পারে। মাথায় অহেতুক চিন্তা জমা করবেন না।
২১০
অতিরিক্ত চিন্তা আপনার মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের উপর খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে। উদ্বেগ, বিষণ্ণতা, এমনকী অন্যান্য মানসিক রোগও দেখা দিতে পারে। তাই এলোমেলো চিন্তার হাত থেকে রেহাই পেতে কিছু সুঅভ্যাস রপ্ত করতে হবে। এই নিয়মগুলি মেনে চললে দূর হবে চিন্তা।
প্রতিদিন ভোরবেলা আধ ঘণ্টা প্রাণায়াম অভ্যাস করুন। প্রাণায়াম শব্দটিকে ভাঙলে দাঁড়ায় 'প্রাণ' বা শ্বাস-প্রশ্বাস ও 'আয়াম' অর্থাৎ প্রসারিত করা বা নিয়ন্ত্রণ। শ্বাস-প্রশ্বাসকে স্বাভাবিক ছন্দে নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে মানসিক উদ্বেগ কমবে। অতিরিক্ত চিন্তায় শ্বাস-প্রশ্বাসের স্বাভাবিক গতি এলোমেলো হয়ে থাকলে তা ধীরে ধীরে আবারও স্বাভাবিক হবে।
৪১০
নিয়মিত যোগব্যায়াম বা হাঁটাহাঁটি করুন। এর ফলে মস্তিষ্কে এন্ডোরফিন নিঃসরণ ঘটে যা আমাদের মেজাজকে ভালো রাখে। মনে কোনও দুশ্চিন্তা জড়ো হতে দেয় না।
৫১০
নিজের মনের এলোমেলো চিন্তাগুলো কোথাও লিখে রাখুন। অতিরিক্ত চিন্তার ফলে যে তাৎক্ষণিক উত্তেজনা তৈরি হয় তা লিখে প্রকাশ করলে কিছুটা হলেও কমে।
অতিরিক্ত চিন্তা এড়াতে শবাসন কিংবা অনুলোম-বিলোম অভ্যাস করতে পারেন। শবাসনে দেহ শিথিল হয়ে মন ভাবনাশূন্য হয়ে আসে। অনুলোম-বিলোম অভ্যাসে শ্বাস সম্পূর্ণ নিজের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। এর ফলে মানসিক চাপ, উদ্বেগ, রক্তচাপ প্রভৃতি নিয়ন্ত্রণে থাকে।
৭১০
নিজের মনকে সবসময় হাসিখুশি রাখুন। মনের মধ্যে কোনও উদ্বেগ বা ভীতি তৈরি হতে দেবেন না। মনকে দুশ্চিন্তামুক্ত রাখতে তা খুবই দরকার।
৮১০
অতীত বা ভভিষ্যতের ভাবনায় মগ্ন না থেকে নিজের বর্তমানকে গুরুত্ব দিন। বর্তমান মুহূর্তকে যেভাবে আপনি ব্যবহার করবেন, ভবিষ্যৎ সেভাবেই আপনার কাছে ধরা দেবে। কাজেই বাজে চিন্তা ফেলে দিয়ে আপনার বর্তমান নিয়ে ব্যস্ত থাকুন।
৯১০
নিজেকে সবসময় ব্যস্ত রাখুন। তাহলে আর অতিরিক্ত চিন্তা আপনাকে ধাওয়া করে বেড়াবে না। নিজেকে কাজের মধ্যে ডুবিয়ে রাখুন। ছবি আঁকা, গান গাওয়া, ডান্স করা যা ভালো লাগে সময় পেলে সেই কাজগুলো করুন।
১০১০
বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান। পরিবারে সকলের সঙ্গে মন খুলে কথা বলুন। নিজেকে একা করে ভাবনার অবকাশ তৈরি করে দেবেন না। সকলের সঙ্গে মিশে কথা বলুন। যেকোনও সমস্যায় প্রয়োজনে থেরাপিস্টের সাহায্য নিন।