Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৭ জুলাই ২০২৬
Insurance Covers

পরিবারের জন্য অপরিহার্য পাঁচ জরুরি বিমা কভার, জেনে নিন বিস্তারিত

আমরা জানি, জীবন বিম' সেই সুরক্ষা দেয়, যাতে জীবনে অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটলেও। আমারে পরিবার কিছুটা স্থিতিশীল থাকে, অন্তত আর্থিকভাবে। তাই যে কোনও ভাল আর্থিক পরিকল্পনার ক্ষেত্রে সুরক্ষার বিষয়টা ভুলে গেলে চলবে না।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০২৬, ১৮:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০২৬, ১৮:১১

options
link
পরিবারের জন্য অপরিহার্য পাঁচ জরুরি বিমা কভার, জেনে নিন বিস্তারিত zoom
প্রতীকী ছবি।

ভবিষ্যতের কথা তো ভাববেনই। কিন্তু প্রসঙ্গ যখন বিমা কভার, তখন জীবনে হঠাৎ ঘনিয়ে আসা ঘটনাগুলিকে বাতিলের খাতায় ফেললে চলবে না। অপ্রত্যাশিত ঝুঁকি থেকে জীবনকে সুরক্ষিত রাখাটাও সমান জরুরি। সেই কথা মাথায় রেখেই পাঁচটি জরুরি বিমা কভারের খোঁজ দিলেন আইসিআইসিআই প্রুডেনশিয়াল লাইফ ইনসিওরেন্সের চিফ প্রোডাক্ট অফিসার বিকাশ গুপ্তা।

প্রতিটি পরিবারের থাকা উচিত এমন পাঁচটি অপরিহার্য বিমা কভার নিয়ে আজ লিখছি। তার আগে বলে রাখি যে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখি, আর্থিক পরিকল্পনা সাধারণত শুরু হয় ভবিষ্যতের লক্ষ্য নির্ধারণ করে। যেমন ধরুন সন্তানের শিক্ষা, বাড়ি কেনা বা অবসর তহবিল গড়ে তোলা। এই সবের জন্য মানুষ সঞ্চয় করেন, বিনিয়োগও করতে থাকেন। তবে আর্থিক নিরাপত্তার আর একটা দিক মাঝে মাঝে হাত ফসকে যায়। আমি সমান গুরুত্বপূর্ণ একটা প্রসঙ্গ আপনাদের সামনে তুলছি-মূল পরিকল্পনা গুলোকে অপ্রত্যাশিত ঝুঁকি থেকে সুরক্ষিত রাখা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আমরা জানি, জীবন বিম’ সেই সুরক্ষা দেয়, যাতে জীবনে অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটলেও। আমারে পরিবার কিছুটা স্থিতিশীল থাকে, অন্তত আর্থিকভাবে। তাই যে কোনও ভাল আর্থিক পরিকল্পনার ক্ষেত্রে সুরক্ষার বিষয়টা ভুলে গেলে চলবে না। আমার বেছে নেওয়া প্রকল্পগুলি নিয়ে একে একে বলি।

টার্ম লাইফ ইনসিওরেন্স

আর্থিক সুরক্ষার ভিত টার্ম লাইফ ইনসিওরেন্সের কথা সব থেকে আগে চলে আসে। আর্থিক সুরক্ষা পরিকল্পন’র ভিত্তি হিসেবে এটা কাজ করে। কোনও ব্যক্তির (মানে গ্রাহকের) অকাল মৃত্যুর ক্ষেত্রে তাঁর ক্ষেত্রে ‘ডিপেনডেন্ট’ যাঁরা, তারা সুবিধা পান। অর্থিক ভাবে নির্ভরশীলদের সহায়তা দেওয়া সম্ভব এর মাধ্যমে। এই ধরনের পরিকল্পনায় তুলনামূলক কম খরচে বড় অঙ্কের জীবন কভার পাওয়া যায়। এটার দৈনিক হিসাবে যদি ধরেন, তাহলে দেখাবেন প্রিমিয়াম এক কফির চেয়েও হয়তো কম হতে পারে। এমন ইনসিওরেন্স পলিসি পরিবারের জন্য ‘আয়ের বিকল্প’ হিসেবে কাজ করতে পারে। অর্থং পরিকল্পনাকে বিঘ্নিত হতে দেয় না।

ক্রিটিক্যাল ইলনেস অ্যাড-অন: নিরাপত্তার আর এক স্তর

মনে করুন গুরুতরভাবে গ্রাহক অসুস্থ। পরিবারে মানসিক ও আর্থিক, দুই ধরনের চাপই তো অবশ্যই রয়েছে। জানেনই তো, ভরতে স্বস্থ্যসেবার খরচ বছরে প্রায় ১২% থেকে ১৫% হারে বাড়ছে। ফলে মূল চিকিৎসা ও তার পরের ট্রিটমেন্টের খরচ দ্রুত বেড়ে যেতে পারে। ক্রিটিক্যাল ইলনেস রাইজার বা অ্যাড অন নেওয়ার মাধ্যমে গ্রাহকরা চিকিৎসা ও রিকভারির জন্য এককালীন টাকা পেতে পারেন। এছাড়া বলে রাখি যে, মহিলাদের নির্দিষ্ট কিছু রোগের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্য পরিকল্পনাও রয়েছে।

ডিজেবিলিটি তথা আয় সুরক্ষা: উপার্জনের ক্ষমতার সুরক্ষা

কোনও দুর্ঘটনা বা অসুস্থতার কারণে যদি পরিবারের প্রধান উপার্জনকারী কাজ করতে না পারেন? এমন তো হতেই পারে। তাহলে পরিবারের আর্থিক পরিস্থিতি চাপে পড়বে, তাই তো? জীবনবিমা সংস্থাগুলো এমন কিছু সমাধান ‘সলিউশন’ আনে, যা বলা যেতে পারে এই পরিস্থিতিতে সহায়ক ভূমিকায় থাকে। এবং আর্থিক দায়িত্ব পালন করতে দেয়।

ইউলিপ

সংক্ষেপে কেবল ইউলিপ বললাম। তবে আমি বিশেষ ভাবে পুরোটা উল্লেখ করতে সই যাইফ কমার সহ মার্কেট লিঙ্কড ইনসিওরেন্সের কথা কাছি। এক কথায়, বিনিয়োগের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ সৃষ্টি করে ইউনিট লিঙ্কড ইনসিওরেন্স প্লান। ইউলিপ সত্যি সত্যিই ‘ইউনিক’। লক্ষ্য-ভিত্তিক সথয় পরিকল্পনা হিসাবে তা দেখতে পারেন। নিয়মিত বিনিয়োগের মাধ্যমে বীর্যমেয়টি আর্থিক লক্ষ্য পূরণে সাহায্য করে। সময়ের সঙ্গে কম্পউন্ডিং হয়। গোড়াতেই যা বলেছি, সেই সন্তানের শিক্ষা, বাড়ি কেনা বা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য পূরণ করতে কাজে লাগে।

অ্যানুইটি

এখানে অবসর পরিকল্পনা নিয়ে আলাদা ভাবে লিখতে চাই। রিটায়ারমেন্ট হোক বা না হোক, ব্যাপারটা আপনার-আমার আর্থিক নিরাপত্তার একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মানুষের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে (হ্যাঁ, চাহিদা বদলানোর ফলেও) অবসরকালীন তহবিল গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি হয়ে উঠেছে। আমাদের দেশে এটা খুব জরুরি। রিটায়ারমেন্ট পরবর্তী জীবনে আর্থিক স্বাধীনতা বজায় রাখতে হবে, এমন আশা সবাই করেন। তাই নিয়মিত ইনকাম বন্ধ হওয়ার পরেও স্থির আয়ের ব্যবস্থা করা দরকার। অ্যানুইটি প্ল্যানের মাধ্যমে যে কোনও ব্যক্তি এককালীন অর্থ জমা রাখতে পারেন। নানা ধরনের অ্যানুইটি প্রকল্প হয়, বেছে নিতে হবে। তবে এর বিনিময়ে আজীবন নির্দিষ্ট সময় অন্তর আয় পাওয়া যায়, জেনে রাখুন। অবশ্যই নানা শর্ত থাকবে, সব শর্ত জেনে নিতে হবে প্রথমেই।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.