Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
WTA

এবার টেনিসেও হবে লিঙ্গ নির্ধারণের পরীক্ষা! তুমুল বিতর্কে কী বলছেন তারকা খেলোয়াড়রা?

খেলোয়াড়দের বাধ্যতামূলক জেনেটিক পরীক্ষা করানোর নিয়ম বদলানোর জন্য উইমেন্স টেনিস অ্যাসোসিয়েশনকে অনুরোধ করেছে স্পোর্ট অ্যান্ড রাইটস অ্যালায়েন্স।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৪, ২০২৬, ২২:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৪, ২০২৬, ২২:৪৮

options
link
এবার টেনিসেও হবে লিঙ্গ নির্ধারণের পরীক্ষা! তুমুল বিতর্কে কী বলছেন তারকা খেলোয়াড়রা? zoom
মহিলাদের টেনিসে নতুন 'লিঙ্গ পরীক্ষা' নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। ছবি সংগৃহীত।
Advertisement

মহিলাদের টেনিসে নতুন ‘লিঙ্গ পরীক্ষা’ নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। সম্প্রতি উইমেন্স টেনিস অ্যাসোসিয়েশন (ডব্লিউটিএ) সিদ্ধান্ত নিয়েছে, খেলোয়াড়দের অন্তত একবার এসআরওয়াই জিন পরীক্ষা করা হবে। এই পরীক্ষার মাধ্যমে খেলোয়াড়ের জৈবিক লিঙ্গ সম্পর্কে তথ্য জানা যায়। ডব্লিউটিএর এই সিদ্ধান্তকে কেউ স্বাগত জানালেও অনেকে এর বিরোধিতা করেছেন। স্পোর্ট অ্যান্ড রাইটস অ্যালায়েন্স ডব্লিউটিএকে এই নিয়ম পুনর্বিবেচনা করতে অনুরোধ জানিয়েছে। সংগঠনটির দাবি, এই ধরনের জেনেটিক পরীক্ষা বৈষম্যমূলক। এর ফলে মহিলা খেলোয়াড়দের সামাজিক হেনস্তা বা মানসিক চাপের মুখে পড়তে হতে পারে। ফলে নতুন এই নিয়ম ঘিরে টেনিসমহলে তৈরি হয়েছে তীব্র বিতর্ক।

মহিলা টেনিসে খেলোয়াড়দের জৈবিক বৈশিষ্ট্য যাচাইয়ে নতুন নিয়ম চালু করেছে ডব্লিউটিএ। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ডব্লিউটিএ-র কোনও প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে হলে প্রত্যেক খেলোয়াড়কে অন্তত একবার জেনেটিক পরীক্ষা করাতে হবে। গালের ভিতরের কোষের নমুনা বা রক্তের নমুনা নিয়ে করা যাবে এই পরীক্ষা। শরীরে এসআরওয়াই জিনের উপস্থিতি রয়েছে কি না, মূলত তা-ই খতিয়ে দেখা হবে। সহজ ভাবে বললে, এই পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যাবে, সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড় জৈবিক ভাবে মহিলা কিনা। আগের নিয়মে ট্রান্সজেন্ডার মহিলা খেলোয়াড়েরা নিজেদের মহিলা হিসাবে ঘোষণা করে নির্দিষ্ট সময় টেস্টোস্টেরনের মাত্রা নির্ধারিত সীমার মধ্যে রাখলে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারতেন। নতুন নিয়মে সেটা আর হচ্ছে না। বদলে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে জেনেটিক পরীক্ষা।

Advertisement

স্পোর্ট অ্যান্ড রাইটস অ্যালায়েন্সের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আন্দ্রেয়া ফ্লোরেন্স জানান, ডব্লিউটিএ-র উদ্দেশ্য সৎ হলেও এই নিয়মের ক্ষতির দিকটি উপেক্ষা করা যায় না। তাঁর কথায়, “ডব্লিউটিএ দাবি করতে পারে, তাদের কোনও ক্ষতি করার উদ্দেশ্য নেই। এই লিঙ্গ পরীক্ষা মহিলা ও কিশোরীদের মনে যে লজ্জা ও মানসিক কষ্ট তৈরি করতে পারে।” তবে ডব্লিউটিএ-র এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন বিশ্বের শীর্ষ টেনিস তারকা আরিনা সাবালেঙ্কা। কানাডিয়ান ওপেনে খেলতে গিয়ে তিনি বলেন, “টেনিসে সবার জন্য সমান সুযোগ থাকা খুবই জরুরি। পুরুষদের শারীরিক শক্তি সাধারণত মহিলাদের তুলনায় বেশি। তাই জৈবিক ভাবে পুরুষ কোনও খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে যাতে খেলতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে মহিলা খেলোয়াড়দের এই পরীক্ষা করানো উচিত।”

অন্যদিকে, মার্কিন তারকা কোকো গফের মতে, লিঙ্গ পরীক্ষা চালু করলে ট্রান্সজেন্ডারদের নিয়ে বিরূপ মনোভাব আরও বাড়তে পারে। তাঁদের কাছে খারাপ বার্তাও যাবে। এর আগে মার্চে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটিও মহিলাদের খেলায় অংশ নেওয়া নিয়ে একবার লিঙ্গ পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এরপর বিভিন্ন খেলায় এই ধরনের পরীক্ষা করা উচিত কি না, তা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়। ডব্লিউটিএ জানিয়েছে, পরীক্ষার ফল ও খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত তথ্য গোপন রাখা হবে। তবে স্পোর্ট অ্যান্ড রাইটস অ্যালায়েন্সের মতে, শুধু তথ্য গোপন রাখার আশ্বাস দিলেই তাদের মূল সমস্যা মিটছে না। কারণ খেলোয়াড়দের অধিকার কীভাবে রক্ষা করা যায়, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। এই নীতি নিয়ে ডব্লিউটিএ-র উপর চাপও বাড়ছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.