Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২২ জুন ২০২৬
Dr. Indranil Khan

বাংলার খেলাকে ধ্বংস করেছেন অরূপ! ময়দানকে স্বজনপোষণমুক্ত করার অঙ্গীকার নয়া ক্রীড়ামন্ত্রীর

অলিম্পিক, কমনওয়েলথ গেমস-সহ আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলার ক্রীড়াবিদদের আরও বেশি করে তুলে ধরাই এখন রাজ্যের প্রধান লক্ষ্য। নতুন ক্রীড়ামন্ত্রীর কথায়, রাজ্যের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করে তাদের বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ, আধুনিক পরিকাঠামো এবং প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে সরকার।

Advertisement
প্রসূন বিশ্বাস
প্রসূন বিশ্বাস

শেষ আপডেট: জুন ১১, ২০২৬, ০৭:১১

link
প্রসূন বিশ্বাস
প্রসূন বিশ্বাস

শেষ আপডেট: জুন ১১, ২০২৬, ০৭:১১

options
link
বাংলার খেলাকে ধ্বংস করেছেন অরূপ! ময়দানকে স্বজনপোষণমুক্ত করার অঙ্গীকার নয়া ক্রীড়ামন্ত্রীর zoom
ডাঃ ইন্দ্রনীল খাঁ। ফাইল ছবি।

বঙ্গে বিজেপি সরকার গঠনের পর ক্রীড়াদপ্তরের দায়িত্ব পান মাথাভাঙার বিধায়ক নিশীথ প্রামাণিক। এবার ঘোষিত হল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভার দপ্তর। সেখানে ক্রীড়াদপ্তরের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন বেহালা পশ্চিমের বিধায়ক ডাঃ ইন্দ্রনীল খাঁ। ক্রীড়ার পাশাপাশি যুব ও ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের স্বাধীন দায়িত্ব পাচ্ছেন তিনি। ক্রীড়ামন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় নিজের রূপরেখা তুলে ধরলেন ডাঃ ইন্দ্রনীল খাঁ।

অলিম্পিক, কমনওয়েলথ গেমস-সহ আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলার ক্রীড়াবিদদের আরও বেশি করে তুলে ধরাই এখন রাজ্যের প্রধান লক্ষ্য। নতুন ক্রীড়ামন্ত্রীর কথায়, রাজ্যের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করে তাদের বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ, আধুনিক পরিকাঠামো এবং প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে সরকার। যাতে বাংলার ছেলেমেয়েরা ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে দেশের মুখ উজ্জ্বল করতে পারে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

অলিম্পিক, কমনওয়েলথ গেমস-সহ আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলার ক্রীড়াবিদদের আরও বেশি করে তুলে ধরাই এখন রাজ্যের প্রধান লক্ষ্য।

তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য, এমন পরিবেশ তৈরি করা যেখানে বাংলার ছেলেমেয়েরা নিজেদের প্রতিভা বিকশিত করে আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশ ও রাজ্যের নাম উজ্জ্বল করতে পারে। সেই লক্ষ্যেই প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা, প্রশিক্ষণ এবং সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। খেলো ইন্ডিয়া, ফিট ইন্ডিয়ার মতো উদ্যোগও এই কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সরকার সবসময় ক্রীড়াবিদদের পাশে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।”

প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের কাজের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “ওঁর সময়ে কী কাজ হয়েছে জানি না। বাংলায় প্রতিভার অভাব নেই, কিন্তু সেই প্রতিভা বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার ঘাটতি রয়েছে। ফলে অনেক ফুটবলার, টেবিল টেনিস খেলোয়াড় ও হকি খেলোয়াড় অন্য রাজ্যে গিয়ে নিজেদের কেরিয়ার গড়তে বাধ্য হচ্ছে। আমরা বলি ‘সব খেলার সেরা বাঙালির তুমি ফুটবল’। কিন্তু বাঙালি ফুটবলার সুযোগ পাচ্ছে কই? অরূপ বিশ্বাসের সময়ে ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ বিভাগ যথাযথ গুরুত্ব পায়নি বলেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। অরূপ বিশ্বাসের সময়ে ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ বিভাগ যথাযথ গুরুত্ব পায়নি বলেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তাঁর কাছে ক্রীড়া বা যুবকল্যাণ কখনওই অগ্রাধিকার পায়নি। বরং বলা যায়, তিনি ব্যক্তিগত কল্যাণেই বেশি মনোযোগী ছিলেন। এখনও নানা বিষয় দিয়ে বিনোদন দিয়ে যাচ্ছেন। মেসি-কাণ্ড সামনে এসেছে। অভিযোগ রয়েছে, কিছু ফুটবল ক্লাবকে অন্যায়ভাবে সুবিধা পাইয়ে দেওয়া হয়েছে। এসবের সবকিছুরই যথাযথ বিচার হবে। একই সঙ্গে আগামী দিনে যুব সমাজকে আরও এগিয়ে নিয়ে গিয়ে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার লক্ষ্যেই আমাদের ফোকাস থাকবে।”

তিনি বলেন, “বাংলায় প্রতিভার অভাব নেই, কিন্তু সেই প্রতিভা বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার ঘাটতি রয়েছে। ফলে অনেক ফুটবলার, টেবিল টেনিস খেলোয়াড় ও হকি খেলোয়াড় অন্য রাজ্যে গিয়ে নিজেদের কেরিয়ার গড়তে বাধ্য হচ্ছে।”

নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর ইন্দ্রনীল বলেন, “সম্মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আমাকে ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ এবং ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের দায়িত্ব দিয়েছেন। এর জন্য আমি তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ। পাশাপাশি আমার উপর আস্থা রাখার জন্য দলীয় নেতৃত্বকেও ধন্যবাদ জানাই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’-এর স্বপ্ন বাস্তবায়নে যুব সমাজকে আরও বেশি উদ্বুদ্ধ করার দিকেই আমাদের বিশেষ নজর থাকবে।” এদিকে, ক্রীড়াক্ষেত্রকে রাজনীতিমুক্ত করার প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেন, “খেলার মাঠে শুধু খেলাই হবে, রাজনীতি নয়। রাজনীতি হবে রাজনৈতিক ময়দানে। খেলাধুলার পরিবেশকে রাজনীতিমুক্ত, সিন্ডিকেটমুক্ত ও স্বজনপোষণমুক্ত করাই আমাদের লক্ষ্য।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.