Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
Volleyball

ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত প্রাক্তন ভলিবলার অনিমেষ, চিকিৎসার জন্য সরকারি সাহায্যের আর্জি

ইতিমধ্যে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে সব জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন সোমা। আপাতত সেদিকেই তাকিয়ে আছে এই ভলিবল-দম্পতি।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২৬, ১১:৫৪

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২৬, ১১:৫৪

options
link
ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত প্রাক্তন ভলিবলার অনিমেষ, চিকিৎসার জন্য সরকারি সাহায্যের আর্জি zoom
স্ত্রী সোমা দেবীর সঙ্গে বাংলার ভলিবলার অনিমেষ পাত্র। ছবি সংগৃহীত।
Advertisement

বাংলায় ক্রীড়া দম্পতির আলোচনায় হাওড়ার অনিমেষ পাত্র এবং সোমা পাত্রের নাম শোনার বিশেষ সম্ভাবনা নেই। দু’জনেই প্রাক্তন ভলিবলার, খেলেছেন বাংলার হয়ে। তবে অনিমেষের কেরিয়ার বিভিন্ন বয়সভিত্তিক প্রতিযোগিতায় লড়ার পরই শেষ হয়ে গিয়েছে। সোমা অবশ্য খেলেছেন সিনিয়র পর্যায়ে। ভলিবল কোর্টে আসার মাধ্যমেই পরিচয় দু’জনের। সেখান থেকে প্রণয় এবং পরিণয়। যার পর দু’জনেই খেলা থেকে দূরে গিয়েছেন একটু একটু করে। তবে মাস তিনেক আগে ফের লড়াইয়ে নামতে হয়েছে পাত্র দম্পতিকে। এবার লড়াই ভলিবলে না, জীবনের কোর্টে। আর প্রতিপক্ষ ব্লাড ক্যানসার, যাতে আক্রান্ত হয়েছেন অনিমেষ। অসুস্থ স্বামীর চিকিৎসার জন্য সরকারি সাহায্য প্রার্থনা করছেন সোমা।

বছর সাতচল্লিশের অনিমেষ জুনিয়র পর্যায়ে জাতীয়স্তরে নিয়মিত প্রতিযোগিতায় নেমেছেন। তারমধ্যে অন্যতম স্কুল ভলিবল চ্যাম্পিয়নশিপ। সিনিয়র পর্যায়ে রাজ্য দলে সুযোগ না পেলেও বঙ্গ ভলিবল সংস্থার লিগে নিয়মিত খেলেছেন। সোমা অবশ্য সেসবের পাশাপাশি রাজ্য দলের হয়ে জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে নেমেছেন। তবে সরকারি চাকরি পাননি কেউই। শেষ পর্যন্ত খেলা ছেড়ে ব্যবসায় মন দেন অনিমেষ। দুই সন্তানকে নিয়ে বেশ সুখেই দিন কাটছিল তাঁদের। তবে গত মে মাসে অনিমেষের ব্লাড ক্যানসারের খবরে বদলে যায় ছবি।

Advertisement

সোমা বলছিলেন, “বেশ কয়েকদিন থেকেই অসুস্থ ছিল অনিমেষ। একাধিক ডাক্তার দেখানোর পর ব্লাড ক্যানসার ধরা পড়ে। আমরা সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবার। ছেলে-মেয়ে দু’জনেই পড়াশোনা করছে এখনও। অনিমেষের একার আয়েই সংসার চলত। ফলে ওর অসুস্থতায় সবদিক থেকেই চাপে পড়ে গিয়েছি। প্রাক্তন ভলিবলার প্রসেনজিৎ দত্ত ছাড়া তেমন কেউই আমাদের পাশে নেই।”

রোগ নির্ণয় হওয়ার পর প্রথমে রাজারহাটের এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন অনিমেষ। খরচ সামলাতে পারেনি তাঁর সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবার। আপাতত তাই এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে কেমোথেরাপি চলছে অনিমেষের। সেখানেও বিভিন্ন মহার্ঘ‌ ওষুধ বাইরে থেকে কিনে দিতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সরকারি সাহায্য চাইছেন সোমা। তাঁর কথায়, “অনিমেষের ব্যবসা এমন কিছু বড় নয়। তাছাড়া ওর অসুস্থতায় সেটাও বন্ধ রয়েছে। ফলে চিকিৎসা আর সংসারের খরচ কীভাবে চালাব বুঝতে পারছি না। সরকারি সাহায্য পেলে খুব ভালো হয়।” ইতিমধ্যে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে সব জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন সোমা। আপাতত সেদিকেই তাকিয়ে আছে এই ভলিবল-দম্পতি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.