Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
Commonwealth Games

কমনওয়েলথ গেমসে ইতিহাস, সোনার মেয়ে অস্মিতাকে জমি, আর্থিক পুরস্কার দিল ত্রিপুরা সরকার

উত্তরপ্রদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন অস্মিতা। সেখানেও সম্মানিত হয়েছেন তিনি। সাব-ইনস্পেক্টর অস্মিতাকে ডেপুটি সুপারিনটেন্ডেন্ট অফ পুলিশ (ডিএসপি) পদে উন্নীত করতে চলেছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ।

প্রণব সরকার
প্রণব সরকার

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০২৬, ২৩:৫০

link
প্রণব সরকার
প্রণব সরকার

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০২৬, ২৩:৫০

options
link
কমনওয়েলথ গেমসে ইতিহাস, সোনার মেয়ে অস্মিতাকে জমি, আর্থিক পুরস্কার দিল ত্রিপুরা সরকার zoom
স্বর্ণপদক জয়ী জুডোকা অস্মিতা দে।
Advertisement

কমনওয়েলথ গেমসে ইতিহাস গড়েছেন। প্রথম ভারতীয় জুডোকা হিসাবে জিতেছেন সোনা। এবার সেই সোনার মেয়ে অস্মিতা দেকে সম্মানিত করল ত্রিপুরার সরকার। জুডোকাকে জমি উপহার দিয়েছে রাজ্য সরকার। সঙ্গে তুলে দেওয়া হয়েছে ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক পুরস্কার। এই সম্মান পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন অস্মিতা।

বুধবার রাজ্যের যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তর এবং ত্রিপুরা জুডো এসোসিয়েশন-এর উদ্যোগে রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে স্বর্ণপদক জয়ী রাজ্যের মেয়ে অস্মিতা দে-কে সংবর্ধনা জ্ঞাপন করেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। তিনি বলেন, এতো দিন ‘সোনার মেয়ে’ নামে দীপা কর্মকার পরিচিতি ছিলো। রাজ্যে বর্তমানে আরো একজন ‘সোনার মেয়ে’ নামে পরিচয় পেলো – অস্মিত দে। তিনি বলেন, অস্মিতার সাথে কথা বলেই তাকে জমি দেওয়া হয়েছে। রাজ্যে প্রতিভার অভাব নেই, শুধু খুঁজে বের করতে হবে। যেটা কোচরা খুঁজে বের করছে। অনুষ্ঠানে ক্রীড়া মন্ত্রী টিংকু রায় বলেন, ২০১৮-এর পর রাজ্যে ক্রীড়া জগৎ-এ উন্নয়ন হয়েছে। দীপা কর্মকারের প্রশিক্ষণের সময় রাজ্যে দুটি ইন্ডোর হল ছিলো আগরতলা এবং বিলোনিয়াতে, বর্তামানে অনেক গুলো ইন্ডোর হল হয়েছে। ফলে খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ নিতে সুবিধা হচ্ছে। অস্মিতাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ক্রীড়ামন্ত্রী বলেন, অস্মিতা-কে দেখে যুবক-যুবতীরা খেলার প্রতি আরো আগ্রহী হবে।

Advertisement

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অস্মিতা বলেন, “কমনওয়েলথ গেমসে প্রথম স্বর্ন পদক এটি। ত্রিপুরায় এসে আমি খুব খুশি, আমার পরিবারের সাথে সময় কাটাতে পারবো”। তিনি আরও বলেন, “বর্তমান সময়ে রাজ্যের ক্রীড়ার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলো উন্নয়ন হয়েছে”। ছাত্র জীবনে প্রশিক্ষণ নেওয়া কোচদের প্রশংসা করেন অস্মিতা। তরুণ খেলোয়াড়দের সাফল্য পেতে শৃঙ্খলা বজায় রেখে কোচদের প্রতি সন্মান দেওয়া দায়িত্ব ও কর্তব্য বলে উল্লেখ করেন। একইসঙ্গে কেঁদে ফেলেন বাবার কথা ভেবে। কমনওয়েলথে মেয়ের সোনাজয় দেখে যেতে পারেননি অস্মিতার বাবা। গেমসের ট্রায়ালের ঠিক আগেই তাঁর মৃত্যু হয়।

উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন অস্মিতা। সেখানেও সম্মানিত হয়েছেন তিনি। সাব-ইনস্পেক্টর অস্মিতাকে ডেপুটি সুপারিনটেন্ডেন্ট অফ পুলিশ (ডিএসপি) পদে উন্নীত করতে চলেছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। সাফল্যের নেপথ্যে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.