Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
R Vaishali

ক্যান্ডিডেটসে চ্যাম্পিয়ন বৈশালী, পেলেন দাবা বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে খেলার ছাড়পত্র

শুরু থেকেই নিজের দাপট দেখিয়েছেন বৈশালী। অথচ মহিলাদের বিভাগে র‌্যাঙ্কিংয়ে তিনি ছিলেন দ্বিতীয় সর্বনিম্ন স্থানে থাকা প্রতিযোগী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৬, ২০২৬, ১৩:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৬, ২০২৬, ১৩:৫০

options
link
ক্যান্ডিডেটসে চ্যাম্পিয়ন বৈশালী, পেলেন দাবা বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে খেলার ছাড়পত্র zoom
Advertisement

ক্যান্ডিডেটস দাবার মহিলাদের বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হলেন ভারতের আর বৈশালী (R Vaishali)। এই জয়ের ফলে তিনি অর্জন করলেন বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে খেলার যোগ্যতা। চলতি বছরের শেষেই তাঁর সামনে বড় চ্যালেঞ্জ। চিনের পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জু ওয়েনজুনের বিরুদ্ধে বিশ্বসেরার লড়াইয়ে নামবেন বৈশালী।

২৪ বছর বয়সি আর বৈশালী ০.৫ পয়েন্টের ব্যবধানে প্রতিপক্ষকে কিস্তিমাত করেছেন। শেষ রাউন্ডে সাদা ঘুঁটি নিয়ে তিনি পরাজিত করেন ক্যাটেরিনা লাগনোকে। শুরু থেকেই নিজের দাপট দেখিয়েছেন বৈশালী। অথচ মহিলাদের বিভাগে র‌্যাঙ্কিংয়ে তিনি ছিলেন দ্বিতীয় সর্বনিম্ন স্থানে থাকা প্রতিযোগী। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে ভারতের ডি গুকেশ ক্যান্ডিডেটস জিতেছিলেন। সেই ধারাই বজায় রেখে এবার মহিলাদের বিভাগে সাফল্য পেলেন বৈশালী। গত বছর ৭.৫ পয়েন্ট নিয়ে যুগ্মভাবে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করেছিলেন তিনি। এবার ৮.৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান দখল করে নিলেন ভারতীয় এই দাবাড়ু।

Advertisement

আর বৈশালী হলেন দেশের আরেক তারকা গ্র্যান্ডমাস্টার রমেশবাবু প্রজ্ঞানন্দের দিদি। তাঁর এই সাফল্যে গর্বিত কোচ আরবি রমেশ বলেছেন, “বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য যোগ্যতা অর্জন করা সত্যিই বড় সম্মানের। ও এতদূর পৌঁছেছে দেখে খুব ভালো লাগছে। গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে স্নায়ুর চাপ ধরে রেখে জয়ের মানসিকতাই ওকে আলাদা করেছে।”

ক্যান্ডিডেটসের শেষ রাউন্ডে অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় খেলেছেন আর বৈশালী। শুরু থেকেই নিজের কৌশল মেনে এগিয়েছেন তিনি। তাঁর প্রতিটি চালে ধরা পড়েছে আত্মবিশ্বাসের ছাপ। ম্যাচের শেষ পর্যায়ে একের পর এক বুদ্ধিদীপ্ত চাল দিয়ে প্রতিপক্ষকে মাত করেন বৈশালী। এই জয়ে অবশ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে তাঁর স্বদেশি সতীর্থ দিব্যা দেশমুখেরও। শেষ ম্যাচে দিব্যা যদি বিবিসারা আসাউবায়েভা-র বিরুদ্ধে ড্র করতে না পারতেন, তাহলে ক্যান্ডিডেটসের খেতাব জেতা সম্ভব হত না বৈশালীর। ২০১১ সালে কোনের হাম্পি প্রথমবার মহিলাদের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল খেলেন। তার পনেরো বছর পর ফের চূড়ান্ত লড়াইয়ে নামতে চলেছেন কোনও ভারতীয় মহিলা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.