Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Lakshya Sen

‘আগের সব ম্যাচ ভুলে যাব’, সেমির ব্যর্থতা ভুলে ব্রোঞ্জই পাখির চোখ লক্ষ্যর

সেমিতে কোথায় ভুল হল? ম্যাচের পর মুখ খুললেন ব্যাডমিন্টন তারকা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৪, ২০২৪, ১৭:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৪, ২০২৪, ১৭:১৫

options
link
‘আগের সব ম্যাচ ভুলে যাব’, সেমির ব্যর্থতা ভুলে ব্রোঞ্জই পাখির চোখ লক্ষ্যর zoom
লক্ষ্য সেন। ফাইল চিত্র

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘স্কাই ইজ দ্য লিমিট’। লক্ষ্য সেনের গলার কাছে ট্যাটু করা আছে ইংরেজি বাক্যটি। সেই স্বপ্ন নিয়েই এসেছিলেন অলিম্পিকে। না, এবার আকাশ ছোঁয়া হয়নি। ব্যাডমিন্টনের সেমিফাইনালে হেরে গেলেন তিনি। কিন্তু লড়াই এখনও শেষ হয়নি। ব্রোঞ্জের যুদ্ধ বাকি। সেখান থেকেই শুরু হবে লক্ষ্যের নতুন যাত্রা।

সেমিফাইনালে তাঁর লড়াই ছিল কঠিন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। দ্বিতীয় বাছাই ভিক্টর অ্যাক্সেলসেনের কাছে স্ট্রেট সেটে হেরে যান তিনি। ব্যবধান ছিল ২২-২০, ২১-১৪। প্রথম সেটে দীর্ঘ সময় লড়াই চালান তিনি। যদিও দ্বিতীয় সেটে ছন্দপতন হয়েছিল। অথচ দুটো সেটেই শুরুটা ভালো হয়েছিল। প্রথম পয়েন্ট পেয়ে এগিয়েও গিয়েছিল। তার পর কোথায় ভুল হল? লক্ষ্য বলছেন, “ওই সময় কিছুটা ডিফেন্সে চলে এসেছিলাম। সেই সময় আরও সুযোগ নিতে হত। আরও অ্যাটাক করে ম্যাচ জিতে নিত হত।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: ১০ জনে অদম্য লড়াই, শ্রীজেশের ‘হ্যান্ড অফ গডে’ হকিতে পদকের স্বপ্ন ভারতের]

তবে ম্যাচ হারলেও ব্রোঞ্জ জয়ের সুযোগ থাকছে তাঁর কাছে। সোমবার মালয়েশিয়ার লি জি জিয়ার বিরুদ্ধে ব্রোঞ্জ মেডেলের ম্যাচে নামবেন লক্ষ্য। সেটা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ভারতের ব্যাডমিন্টন তারকা। তিনি বলছেন, “সেমিফাইনালের ম্যাচ ভুলে যাব। এর আগে যত ম্যাচ খেলেছি, সব ভুলে যাব। আমার সামনে এখন শুধু একটাই ম্যাচ। আর সেটাই এখন আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”

[আরও পড়ুন: স্বপ্নপূরণে বাধা পুরুষাঙ্গ, অলিম্পিকে পোল ভল্টে পদক হাতছাড়া ফ্রান্সের অ্যাথলিটের]

সেই যুদ্ধের লক্ষ্য চাইছেন, সোমবারের ম্যাচেও এরকম সমর্থক আসুক। এদিন খেলা চলাকালীন টানা সমর্থন জুগিয়ে গিয়েছে দর্শকরা। উপস্থিত ছিল তাঁর পরিবারও। তাঁদের ধন্যবাদ জানিয়ে লক্ষ্য বলছেন, “মা-বাবা-দাদা এখানে আছে। তাঁরা প্রতি মুহূর্তে আমাকে সমর্থন জুগিয়ে চলছেন। পছন্দমত খাবার পাঠিয়েছে। তাঁরা তো বটেই, যারা আমাকে সমর্থন জুগিয়ে এসেছেন সকলের কাছেই আমি কৃতজ্ঞ।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.