সরকারি চাকরি থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান-সর্বত্রই রয়েছে সংরক্ষণ প্রথা। সেই ব্যবস্থা থাকা উচিত কিনা, সেই নিয়ে বরাবরই চলতে থাকে তর্ক। তবে এতদিন পর্যন্ত খেলার দুনিয়ায় জাতিভিত্তিক বা অন্যান্য কোনও মাপকাঠির ভিত্তিতে সংরক্ষণের ব্যবস্থা ছিল না। কিন্তু সেটাও আংশিকভাবে সম্ভব করে ফেলল কেন্দ্র। এবার খেলার ক্ষেত্রে নিয়োগেও তফসিলি জাতি-উপজাতিদের জন্য সংরক্ষণ থাকছে।
বৃহস্পতিবার ৩২৩ জন সহকারী কোচ নিয়োগের জন্য বিজ্ঞাপন প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রকের অধীনস্থ স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া। বক্সিং, ভারত্তোলন, শুটিং, ব্যাডমিন্টন-সহ মোট ২৬টি খেলার জন্য সহকারী কোচ নেওয়া হবে। কোন খেলার জন্য কতজন সহকারী কোচের পদ ফাঁকা রয়েছে, সেটার বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করা হয়েছে সাইয়ের তরফে। সেই বিজ্ঞাপনেই স্পষ্ট, ৩২৩টি পদের মধ্যে ১৮৭টিই সংরক্ষিত। শতাংশের হিসাবে সেটা ৫৭%। বয়সের ক্ষেত্রেও কিছুটা শিথিল করা হয়েছে নিয়োগের নিয়মাবলি।
আরও পড়ুন:
জানা গিয়েছে, নতুন করে নিয়োগ করা ৩২৩ জন কোচের মাসিক বেতন ৩৫ হাজার ৪০০ টাকা থেকে শুরু করে ১ লক্ষ ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত। দেশের নানা প্রান্তের সাই কেন্দ্রগুলিতে তাঁরা কাজ করবেন। তবে নতুন এই বিজ্ঞাপনের পর প্রশ্ন উঠছে, ক্রীড়াক্ষেত্রেও জাতি সংরক্ষণ কেন? খেলার মাঠে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার ক্ষেত্রে এতদিন পর্যন্ত ভারতে কোনও সংরক্ষণ ছিল না। তাহলে কোচিংয়ের ক্ষেত্রে কেন সংরক্ষণ থাকবে?
প্রসঙ্গত, দেশের নানা ক্ষেত্রে সংরক্ষণ ব্যবস্থা নিয়ে দীর্ঘদিনই বিতর্ক রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি বিআর গাভাই বলেছিলেন, “তফসিলি জাতির মধ্যে যাঁরা অবস্থাপন্ন, তাঁদের সংরক্ষণের আওতা থেকে বাদ দেওয়া উচিত। কারণ সংরক্ষণের আওতায় থাকা একজন আইএএস আধিকারিকের সন্তান যে সুযোগ সুবিধা পান তার থেকে অনেক কম সুযোগ পান সাধারণ পরিবারের কৃষক সন্তান।” যদিও ২০২৪ সালে কেন্দ্র জানিয়ে দিয়েছে, সাংবিধানিক নির্দেশ অনুসারে এসসি এবং এসটিদের জন্য সংরক্ষণ বাস্তবায়িত করা উচিত। অন্যান্য ক্ষেত্রের মতো খেলাতেও সেই সংরক্ষণ শুরু করে দিল কেন্দ্র?
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠছে মাটি, আতঙ্কের গ্রাসে দার্জিলিং-সহ উত্তর
-
টাকি পুরসভার ‘বিদ্রোহী’ তৃণমূল কাউন্সিলরের পদত্যাগ, জোর জল্পনা
-
অরূপ-স্বরূপের ‘রহস্যময় ঘরে’ তল্লাশি পুলিশের, উদ্ধার মোবাইল-আইপ্যাড, প্রচুর নথি!
-
কুলটিতে ‘ভয় আউট, ভরসা ইন’, মন্ত্রীর জনতার দরবারে ৫ বছরের সমস্যার সমাধান ২৪ ঘণ্টায়!
-
আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিয়ন রুমে কন্ডোম, নেশার সামগ্রী! শোরগোল শিক্ষাঙ্গনে