Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
National Games

টেবল টেনিসে বাংলাই বাঘ, জাতীয় গেমসে টিম ইভেন্টে জোড়া সোনা জিতে হুঙ্কার সৌরভ-মৌমাদের

পুরুষ ও মহিলা, উভয় বিভাগেই মহারাষ্ট্রকে হারান বাংলার প্যাডলাররা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৫, ১৩:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৫, ১৩:৪৬

options
link
টেবল টেনিসে বাংলাই বাঘ, জাতীয় গেমসে টিম ইভেন্টে জোড়া সোনা জিতে হুঙ্কার সৌরভ-মৌমাদের zoom
জাতীয় গেমসে সোনা জয়ী বাংলা টেবল টেনিস দল। সোমবার উত্তরাখণ্ডে।

শিলাজিৎ সরকার: সদ্য সমাপ্ত জাতীয় টেবল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপের দলগত বিভাগে ফল বিশেষ ভালো হয়নি। ফলে বঙ্গ টেবল টেনিস নিয়ে জাতীয় স্তরে কিছুটা সমালোচনাও হয়েছে। এমনকী টিটিএফআই-এর যে কর্তারা বাংলা নিয়ে কিছুটা নমনীয়, বিপক্ষ গোষ্ঠীর প্রশ্নের মুখে পড়েছেন তাঁরাও। অবশ্য সেই সব সমালোচনার জবাব দিতে বিশেষ সময় নিলেন না বঙ্গ প্যাডলাররা। সোমবার জাতীয় গেমসে পুরুষ আর মহিলা- দুই বিভাগেই সোনা জিতে সৌরভ সাহা, মৌমা দাসরা বুঝিয়ে দিলেন, ভারতীয় টেবল টেনিসে এখনও বাংলাই বাঘ। পুরুষদের দলগত বিভাগে ফাইনালে বাংলা হারাল মহারাষ্ট্রকে, ৩-০ ব্যবধানে। একই প্রতিপক্ষকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হল মহিলা দলও, ৩-১ গেমে ফাইনাল জিতে।

এবার জাতীয় গেমসে দল পাঠানোর ঠিক আগে ধাক্কা খায় বাংলা। সুইডেনে খেলতে যাওয়ার জন্য শেষ মুহূর্তে জাতীয় গেমসের দল থেকে চলে যান অঙ্কুর ভট্টাচার্য। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের অন্যতম এই প্যাডলারকে ছাড়াই সোনালি সাফল্য এল বাংলার ঝুলিতে। আনলেন আকাশ পাল, অনির্বাণ ঘোষ, অনিকেত সেন চৌধুরি, রণিত ভঞ্জ ও সৌরভ। এর মধ্যে রণিত ও সৌরভ দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন সোমবার ভোর ছ’টায়। রবিবার রাতেই জার্মানি থেকে দিল্লি এসেছেন তাঁরা। তারপর সারা রাত সড়কপথে যাত্রা করে দেরাদুনে গিয়েছেন। সেমিফাইনালে তামিলনাড়ুকে হারাতে বড় ভূমিকা নিয়েছিলেন রণিত। আর ফাইনালে দুরন্ত খেললেন সৌরভ। অন্যদিকে, অনির্বাণ আর আকাশ পুরো প্রতিযোগিতাতেই দলকে ভরসা দিয়েছেন।

Advertisement

দলের জয় প্রসঙ্গে কোচ তপন চন্দ্র বলছিলেন, “এবার টেবলের বাইরে আমাদের চ্যালেঞ্জ বেশি ছিল। অঙ্কুর শেষ মুহূর্তে চলে গেল। সৌরভ আর রণিত সোমবার ভোরেই এসেছে। তারপর দশটা থেকে সেমিফাইনাল খেলতে নেমেছে। এই সোনা ভারতীয় টিটি-তে বাংলার দাপটের প্রমাণ।” একই কথা শোনালেন সৌরভ, “এত লম্বা জার্নির ক্লান্তি এই একটা জয়েই কেটে গেল। দারুণ লাগছে। আমরা বাংলার হয়ে সেভাবে খেলার সুযোগ পাই না। ফলে নিজের রাজ্যকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারার অনুভূতি অন্য। তাছাড়া গতবার একটুর জন্য সোনা হাতছাড়া হয়। সেই আক্ষেপ এবার মিটে গেল।” গ্রুপ পর্বে এই মহারাষ্ট্রের কাছেই হারতে হয়েছিল। তার বদলা নেওয়া প্রসঙ্গে সৌরভের বক্তব্য “ওরা আমাদের ০-৩ হারিয়েছিল। তাই ঠিক করেই নিয়েছিলাম, ওদেরও ৩-০ হারাব। সেই লক্ষ্য পূরণ করেছি। শুধু আমরা না, মেয়েরাও সোনা জিতেছে। আমরা বুঝিয়ে দিলাম, বাংলাই ভারতীয় টেবল টেনিসের পাওয়ারহাউজ।”

সোমবার ছেলেদের আগেই সোনা আনেন মেয়েরা। যে দলে ছিলেন মৌমা, সুতীর্থ মুখোপাধ্যায়, ঐহিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, পয়মন্তী বৈশ্য। এর মধ্যে সুতীর্থা, ঐহিকা ও পয়মন্তী একটি করে ম্যাচ জিতে বাংলাকে চ্যাম্পিয়ন করেন। নিজের প্রথম ম্যাচে ঐহিকা লড়াই করেও হার মানেন। মৌমা টিম কম্বিনেশনের জন্য ফাইনালে খেলেননি। তিনি বলছিলেন, “জাতীয় গেমসে আমরাই সেরা দল। সিনিয়র-জুনিয়র মিলে দারুণ কম্বিনেশন আমাদের। দলের প্রত্যেকেই জাতীয় স্তরে দাপট দেখায়। বাংলার প্যাডলাররাই যে সেরা, সোনা জিতে সেটাই প্রমাণ করলাম।” টিম ইভেন্টের পর এবার বঙ্গ প্যাডলারদের নজর ব্যক্তিগত লড়াইয়ে। উত্তরাখণ্ড থেকে এবার আরও সোনা আসবে বাংলায়, প্রত্যয়ী মৌমা-সৌরভরা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.