সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যুব কমনওয়েলথ গেমসে সোনা জিতেছিলেন। সেই শুটারের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ তুলল এক নাবালিকা। ইতিমধ্যেই অঙ্কুশ ভরদ্বাজ (Ankush Bhardwaj) নামে ওই শুটিং কোচকে সাসপেন্ড করে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ, নির্যাতিতাকে জোর করে নিজের ঘরে ডেকেছিলেন অঙ্কুশ। তারপর পিঠে ম্যাসাজ করে দেওয়ার নাম করে নাবালিকাকে যৌন হেনস্তা করেন। ভয়ংকর সেই অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছে অভিযোগকারিণী নাবালিকা।
বৃহস্পতিবার সাসপেন্ড করা হয়েছে অঙ্কুশকে। তারপরেই প্রকাশ্যে এসেছে ১৭ বছর বয়সি নির্যাতিতার বয়ান। জাতীয় পর্যায়ের ওই শুটার জানিয়েছে, গত ১৬ ডিসেম্বর দিল্লিতে একটি প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল সে। ম্যাচের শেষে ফেরার সময়ে অঙ্কুশ তাকে হোটেলে যেতে বলেন। পারফরম্যান্স নিয়ে আলোচনা করার অছিলায় হোটেলের ঘরে নিয়ে যাওয়া হয় নাবালিকাকে।
নির্যাতিতা জানিয়েছে, “আমার পিঠে ম্যাসাজ করে দেওয়ার কথা বলে। আমি বারণ করতেই জোর করে বিছানায় টেনে নিয়ে গিয়ে আমাকে যৌন নির্যাতন করে। আমি কোনওমতে নিজেকে বাঁচিয়ে নিয়ে উঠে দাঁড়াই। তখন আমাকে হুমকি দেয়, এই কথা ফাঁস করলে আমার কেরিয়ার শেষ করে দেবে।” অঙ্কুশ নিজেই নির্যাতিতাকে বাড়ি পৌঁছে দেন। এমনকি নির্যাতিতার বাবা-মায়ের কাছে অভিযোগ করেন তার নামে। পরে নির্যাতিতা পুরো বিষয়টি মায়ের কাছে জানায়। হরিয়ানা পুলিশে অভিযোগ দায়ের হয়।
উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের যুব কমনওয়েলথ গেমসে সোনা জিতলেও অতীতে কেলেঙ্কারিতে জড়িয়েছেন অঙ্কুশ। ২০১০ সালে ডোপ করে নির্বাসিত হন। দু’বছর শুটিং থেকে দূরে থাকতে হয় তাঁকে। কামব্যাক করে অবশ্য একাধিক পদক জিতেছেন আন্তর্জাতিক স্তরে। আপাতত জাতীয় রাইফেল অ্যাসোসিয়েশনের নিযুক্ত ১৩ জন কোচের মধ্যে অঙ্কুশ অন্যতম। প্রসঙ্গত, এর আগে একইভাবে এক বক্সিং কোচের বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ উঠেছিল। সেই কোচকেও বরখাস্ত করা হয়। পরপর এই ধরনের ঘটনা দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে নারী নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে।
সর্বশেষ খবর
-
বারাসতে বড় ম্যাচ ঘিরে হঠাৎই জটিলতা, ৬ সেপ্টেম্বর নৈশালোকে ডার্বির চেষ্টা আইএফএ-র
-
রাগের মাথায় লিভ-ইন পার্টনারকে সঙ্গে নিয়ে সাততলা থেকে মরণঝাঁপ তরুণীর! তারপর…
-
ঘরে-বাইরে সামলানো এক নারীর হাল না ছাড়ার গল্প, কেমন হল ‘ববিতা সিং রিপোর্টিং’?
-
গায়ক অঙ্কিত খুনে ‘অ্যাকশন মোডে’ যোগীর পুলিশ, এনকাউন্টারে খতম ২ শুটার
-
নাবালিকা মেয়ের বিয়ের খবর গোপন! ‘কন্যারত্ন’ প্রকল্পের টাকা আদায় করতে গিয়ে শ্রীঘরে বাবা