Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
Vidit Gujrathi

পরিবারকে অপমান! ‘সোশাল মিডিয়ার ডাক্তারে’র বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠলেন ভারতের তারকা দাবাড়ু

ঠিক কী কারণে ঝামেলা লেগেছিল?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২৫, ১৮:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২৫, ১৮:৪৬

options
link
পরিবারকে অপমান! ‘সোশাল মিডিয়ার ডাক্তারে’র বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠলেন ভারতের তারকা দাবাড়ু zoom
ফাইল ছবি
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দাবা অলিম্পিয়াডে ভারতের সোনাজয়ী দলের অন্যতম সদস্য বিদিত গুজরাটি। বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) এক্স হ্যান্ডেলে ডাক্তার ইনফ্লুয়েন্সার লিভারডকের সঙ্গে ঝামেলা হয় তাঁর। ঝামেলা এতটাই চরমে পৌঁছায় যে, বিদিত তাঁর পরিবারকে অপমান করার জন্য সেই ডাক্তার ইনফ্লুয়েন্সারকে দোষারোপ করেন।

বিদিত তাঁর পরিবারকে চিকিৎসক দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করেছিলেন। ভারতীয় গ্র্যান্ডমাস্টার তাঁর বাবা-মা, স্ত্রী এবং বোনের সঙ্গে একটি পারিবারিক ছবি পোস্ট করেন। অন্য একজন নেটিজেনের অনুরোধে বিদিত তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিশেষত্বগুলি ভাগ করে নিয়েছিলেন। বিদিত জানান, তাঁর বাবা একজন আয়ুর্বেদিক মাইগ্রেন বিশেষজ্ঞ। মা কসমেটোলজিস্ট। তাঁর স্ত্রী হোমিওপ্যাথিতে এমডি। এমনকী বিদিতের বোনও একজন ফিজিওথেরাপিস্ট।

Advertisement

কিন্তু হঠাৎই ছন্দ বিগড়ে দিয়ে এক ডাক্তার ইনফ্লুয়েন্সার লেখেন, ‘ফিজিওথেরাপি স্বাস্থ্য বিভাগের একটি বৈধ শাখা। কিন্তু বাকিগুলো একেবারেই বৈধ নয়। বিশেষ করে হোমিওপ্যাথি। যা এনজিআই মেডিসিন নামেও পরিচিত।’

এমন মন্তব্যের পর লিভারডককে উত্তর দিতে ছাড়েননি বিদিত গুজরাটি। তিনি লেখেন, ‘আপনার এই ব্র্যান্ডটাই হয়তো অন্যদের অপমান করার জন্যই তৈরি হয়েছে। আপনি কেবল মানুষকে অপমান করে রিটুইটের পিছনে ছুটছেন। এভাবেই হয়তো প্রচারের আলোয় আসতে চাইছেন। কিন্তু আমার পরিবার কিন্তু কোনও প্রকার স্পটলাইট ছাড়াই জীবন নিরাময় করে। অহংকার ত্যাগ করে মানুষের দরকারে থাকুন।’

৩০ বছরের দাবাড়ুর সংযোজন, ‘আমার বাবা-মা হলেন সার্টিফাইড ডাক্তার। তাঁকে আমার স্বপ্নকে সার্থক করার জন্য নিজেদের স্বপ্ন এবং কেরিয়ারকে ত্যাগ করেছেন। আমার স্বপ্নের মাধ্যমেই তাঁরা আরোগ্য লাভের নতুন উপায় খুঁজে পেয়েছেন।’ উল্লেখ্য, ১ জুলাই ছিল চিকিৎসক দিবস। বিধানচন্দ্র রায়ের স্মরণে জুলাইয়ের প্রথম দিন জাতীয় চিকিৎসক দিবস পালিত হয়।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.