Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
Commonwealth Games

‘ভারতের মেরি কমই প্রেরণা’, কমনওয়েলথে ইতিহাস গড়ে মন্তব্য পাকিস্তানের বক্সারের

কীভাবে মেরি কম কমনওয়েলথ গেমসে পাকিস্তানের প্রথম পদকজয়ী মহিলা বক্সারকে অনুপ্রাণিত করেছিলেন?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১, ২০২৬, ২১:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১, ২০২৬, ২১:২২

options
link
‘ভারতের মেরি কমই প্রেরণা’, কমনওয়েলথে ইতিহাস গড়ে মন্তব্য পাকিস্তানের বক্সারের zoom
বাঁদিক থেকে মেরি কম ও ফাতিমা জাহরা। ফাইল ছবি।
Advertisement

লড়াইটা ছিল রিংয়ের ভিতরে। কিন্তু পদক জয়ের পর যে নাম উচ্চারণ করলেন, তাতেই যেন দুই দেশের সীমানা মুছে গেল! কমনওয়েলথ গেমসে ব্রোঞ্জ জিতে ইতিহাস গড়া পাকিস্তানের তরুণ বক্সার ফাতিমা জাহরার অনুপ্রেরণা ভারতের কিংবদন্তি মেরি কম। কীভাবে ভারতীয় বক্সার কমনওয়েলথ গেমসে পাকিস্তানের প্রথম পদকজয়ী মহিলা বক্সারকে অনুপ্রাণিত করেছিলেন?

৬০ কেজি বিভাগে ব্রোঞ্জ জিতে কমনওয়েলথ গেমসের ইতিহাসে প্রথম পাকিস্তানি মহিলা বক্সার হিসাবে পদক জয়ের নজির গড়েছেন ২২ বছরের ফাতিমা। সোনালি সাফল্যের পর তিনি জানান, তাঁর আদর্শ ভারতের প্রাক্তন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন মেরি কম। পাঞ্জাব প্রদেশের সারগোধায় বেড়ে ওঠা ২২ বছরের ফাতিমার সামনে নিজের দেশে তেমন কোনও মহিলা বক্সিং আইকন ছিলেন না। তাই সীমান্তের ওপারে মেরি কমই হয়ে ওঠেন তাঁর অনুপ্রেরণা। ফাতিমার কথায়, “ভারতের মেরি কমই আমার অনুপ্রেরণা। তাঁর জীবন নিয়ে তৈরি সিনেমা বারবার দেখতাম। বক্সিং শুরু করার পর সেই ছবিই আমাকে শক্তি জুগিয়েছে। তাঁর প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। একদিন আমিও তাঁর মতো হতে চাই। আশা করি, কোনও এক দিন তাঁর সঙ্গে দেখা হবে।”

Advertisement
কমনওয়েলথের মঞ্চে ফাতিমা। ছবি সংগৃহীত।

মেরি কমের সংগ্রামের কাহিনিও গভীর ছাপ ফেলেছে ফাতিমার মনে। দারিদ্র্য, সামাজিক বাধা আর প্রতিকূলতাকে জয় করে কীভাবে বিশ্বসেরার আসনে পৌঁছনো যায়, সেই শিক্ষাই পেয়েছেন ভারতীয় কিংবদন্তির জীবন থেকে। তবে নিজের পথও মসৃণ ছিল না। পরিবারের প্রবল আপত্তি সত্ত্বেও বক্সিং ছাড়েননি তিনি। ফাতিমা বলেন, “আমাদের আর্থিক অবস্থা খুব ভালো ছিল না। আমার প্রথম কোচই আমাকে সব শিখিয়েছেন। বাড়ির লোক প্রথমে বক্সিং করতে দিতে চাইত না। কিন্তু আমি লড়াই করে অনুশীলন চালিয়ে গিয়েছি। এখন ওরাই আমার খেলার আগে আমার থেকেও বেশি চিন্তা করে।”

ইতিহাস গড়ে পাকিস্তানের মেয়েদের খেলাধুলায় এগিয়ে আসতে পরামর্শ দিয়েছেন ফাতিমা। তাঁর বিশ্বাস, সমাজের বাঁধাধরা ধারণা ভেঙে আরও অনেক মেয়ে খেলাধুলায় নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। ফাতিমার কথায়, “আমিও একসময় সাধারণ মেয়ে ছিলাম। কঠোর পরিশ্রম করে এই জায়গায় পৌঁছেছি। যেসব মেয়েকে শুধু ঘরের কাজের মধ্যে আটকে রাখা হয়, তারা যেন বাইরে বেরিয়ে নিজেদের স্বপ্নের পিছনে ছুটে যায়। আমার সাফল্য যদি কাউকে অনুপ্রাণিত করে, সেটাই হবে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.