Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
Commonwealth Games 2026

ব্যর্থ অ্যাথলিটরা, কমনওয়েলথ গেমস জিমন্যাস্টিক্সে অন্য ভূমিকায় নজর কাড়ছেন বঙ্গকন্যা

গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসের জিমন্যাস্টিক্সে ভারতের পারফরম্যান্স বলার মতো নয়। দলের সেরা তারকা প্রণতি নায়েক চোটের জন্য ছন্দে ছিলেন না। প্রতিষ্ঠা সামন্তও আসতে পারেননি পদকের ধারেকাছে।

শিলাজিৎ সরকার
শিলাজিৎ সরকার

শেষ আপডেট: জুলাই ৩১, ২০২৬, ১২:২৬

link
শিলাজিৎ সরকার
শিলাজিৎ সরকার

শেষ আপডেট: জুলাই ৩১, ২০২৬, ১২:২৬

options
link
ব্যর্থ অ্যাথলিটরা, কমনওয়েলথ গেমস জিমন্যাস্টিক্সে অন্য ভূমিকায় নজর কাড়ছেন বঙ্গকন্যা zoom
অরুন্ধতী পোদ্দার।
Advertisement

গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসের জিমন্যাস্টিক্সে ভারতের পারফরম্যান্স বলার মতো নয়। দলের সেরা তারকা প্রণতি নায়েক চোটের জন্য ছন্দে ছিলেন না। প্রতিষ্ঠা সামন্তও আসতে পারেননি পদকের ধারেকাছে। বাকিদের অবস্থা আরও শোচনীয়।

ব্যতিক্রম অরুন্ধতী পোদ্দার। গ্লাসগোয় নিজের কাজটা বেশ ভালোভাবেই সেরেছেন দমদমের এই বাসিন্দা। অবশ্য তাঁর ক্ষেত্রে বিষয়টি ভিন্ন। প্রতিযোগী হিসেবে নন, এবারের কমনওয়েলথ গেমস জিমন্যাস্টিক্সে তিনি উপস্থিত হয়েছিলেন বিচারক হিসেবে। জিমন্যাস্টিক্সের ভাষায় যাকে বলে ‘ইন্টারন্যাশনাল টেকনিক্যাল অফিশিয়াল’ বা ‘আইটিএ’। আর নিজের সেই ভূমিকায় দারুণভাবেই সফল এই প্রাক্তন জিমন্যাস্ট। ২০০২ সাল পর্যন্ত বাংলার হয়ে নিয়মিত জাতীয়স্তরে প্রতিযোগিতায় লড়াই করেছেন তিনি। জিমন্যাস্টিক্স থেকে অবসরের পর শুরু করেন বিচারকের কাজ। সেবছরই ‘ন্যাশনাল জাজেস কোর্স’ পাস করেন অরুন্ধতী। বছর পাঁচেক জাতীয়স্তরে দায়িত্ব সামলানোর পর পেয়ে যান ‘ইন্টারন্যাশনাল জাজেস কোর্স’ পাসের শংসাপত্র।

Advertisement

২০১০ কমনওয়েলথ গেমসে দিল্লিতে ‘ন্যাশনাল টেকনিক্যাল অফিশিয়াল’ বা ‘এনটিএ’ হিসেবে যুক্ত ছিলেন তিনি। এরপর জিমন্যাস্টিক্সের অ্যাপারাটাস বিশ্বকাপ, এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের মতো প্রতিযোগিতায় ‘আইটিএ’ হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন অরুন্ধতী। সেখানে করা পারফরম্যান্সের সুবাদেই এবার ডাক পেয়েছেন গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসে। যে সুযোগ প্রসঙ্গে অরুন্ধতী বলছিলেন, “এখানে বিশ্বসেরা জিমন্যাস্ট এবং আইটিএ-রা এসেছেন। ওঁদের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে অনেক কিছু শিখেওছি। সেটা সাহায্য করবে নিজেকে উন্নত করার ক্ষেত্রে।”

জিমন্যাস্টিক্স থেকে অবসরের পর অনেকেই কোচিংয়ে আসেন। সেখানে ব্যতিক্রমী অরুন্ধতী বেছে নিয়েছেন বিচারকের কাজ! কারণ হিসেবে দু’টো বিষয় উল্লেখ করেছেন তিনি। প্রথমত, কোচিংয়ের জন্য জায়গার অভাব। দ্বিতীয়ত, জিমন্যাস্টিক্সের পয়েন্ট সিস্টেমের প্রতি আগ্রহ। গ্লাসগো থেকে হোয়াটসঅ্যাপ কলে অরুন্ধতী বলছিলেন, “আমি প্রথম থেকেই বিচারকদের কাজ নিয়ে আগ্রহী ছিলাম। পয়েন্ট দেওয়ার নিয়ম, কেন শাস্তি দেওয়া হচ্ছে-সেসব জানতে চাইতাম। প্রথমে কোচিংয়ের চেষ্টাই করেছিলাম। কিন্তু জায়গা পাইনি। কারণ জিমন্যাস্টিক্সের জন্য সঠিক পরিকাঠামো প্রয়োজন হয়। না পেয়ে বিচারক হওয়ার জন্য পড়াশোনা করি। আমি এখনও কোচিংয়ে আগ্রহী। যদি সঠিক জায়গা পাই, তবে শুরু করব।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.