Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
Commonwealth Games 2026

ঋতুস্রাবের মধ্যেই ভারোত্তোলন, গেমসে জীবনের সেরা পারফরম্যান্স করা ভারতীয়কে কুর্নিশ

ঋতুস্রাব নাকি নারীদের দূষিত করে তোলে! একবিংশ শতকে দাঁড়িয়েও রক্ষণশীল সমাজ এমনটাই দাবি করে। কিন্তু সেই ঋতুস্রাব চলাকালীনই মাতৃভূমিকে গৌরবান্বিত করলেন ভারতের এক কন্যা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৯, ২০২৬, ২১:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৯, ২০২৬, ২১:২৪

options
link
ঋতুস্রাবের মধ্যেই ভারোত্তোলন, গেমসে জীবনের সেরা পারফরম্যান্স করা ভারতীয়কে কুর্নিশ zoom
সোমবার ৫৩ কেজি বিভাগে নামেন ভারতীয় ভারোত্তোলক জ্ঞানেশ্বরী।
Advertisement

ঋতুস্রাব নাকি নারীদের দূষিত করে তোলে! একবিংশ শতকে দাঁড়িয়েও রক্ষণশীল সমাজ এমনটাই দাবি করে। কিন্তু সেই ঋতুস্রাব চলাকালীনই মাতৃভূমিকে গৌরবান্বিত করলেন ভারতের এক কন্যা। কমনওয়েলথ গেমসে (Commonwealth Games 2026) পদক জিতলেন, কেরিয়ারে নিজের সেরা পারফরম্যান্স করলেন। জ্ঞানেশ্বরী যাদবের এই অনবদ্য লড়াই ভারতীয় নারীশক্তির কাহিনি তুলে ধরেছে বিশ্বের দরবারে।

সোমবার ৫৩ কেজি বিভাগে নামেন ভারতীয় ভারোত্তোলক জ্ঞানেশ্বরী। ওজন তুলতে জ্ঞানেশ্বরীকে দেখে মনে হয়নি বিন্দুমাত্র সমস্যা হচ্ছে। স্ন্যাচ বিভাগে যেভাবে ৮৮ কেজি তুলেছিলেন, তাতে মনে হল ৯০ কেজি হলেও অসুবিধা হত না। তারপর তিনি ৯৩ কেজি ওজন তোলেন। যা কমনওয়েলথে এই বিভাগে রেকর্ড। ক্লিন অ্যান্ড জার্ক বিভাগে যথাক্রমে ১০৩ কেজি, ১০৪ কেজি ও শেষে সহজে ১১১ কেজিও তুলে ফেলেন। সবমিলিয়ে ভারতীয় ভারোত্তোলক মোট ১৯৯ কেজি তোলেন। কিন্তু নাইজেরিয়ার ওনোমে দিদিহের সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর হার মানেন তিনি।

Advertisement

রুপো নিয়ে কমনওয়েলথের মেডেল পোডিয়ামে দাঁড়িয়েছেন জ্ঞানেশ্বরী। তারপরেই জানালেন, ঋতুস্রাবের প্রথম দিন। কিন্তু ক্রমাগত রক্তপাতও থামাতে পারেনি জ্ঞানেশ্বরীকে। প্রায় দুশো কেজি ওজন তুলে রুপো জেতার পর বলেছেন, “আজ আমার পিরিয়ডের প্রথম দিন। বুঝতে পারছিলাম না শরীর কতখনি সহায় হবে। প্রত্যাশামাফিক পারফর্ম করতে পারব কিনা জানতাম না। কিন্তু নিজের সবটুকু দিয়েছি।” ঋতুস্রাব চলাকালীনই নিজের জীবনের সেরা পারফরম্যান্স করলেন জ্ঞানেশ্বরী।

উল্লেখ্য, দিনকয়েক আগেই চিনের অ্যাথলিট লি মেইঝেন দৌড় শেষ করেন ঋতুস্রাবের মধ্যেই। তিনি যখন ম্যারাথন শুরু করেন, তখনও ঋতুস্রাব শুরু হয়নি। দৌড় চলাকালীন তাঁর শরীর থেকে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। কিন্তু থেমে যাননি। ওই অবস্থায় ম্যারাথন শেষ করেন। তাঁর এই অদম্য সাহসিকতাই কি উদ্বুদ্ধ করেছিল ভারতের জ্ঞানেশ্বরীকে? জানা নেই। কিন্তু কমনওয়েলথ গেমসের মঞ্চে দাঁড়িয়ে যে নজির গড়েছেন এই ভারোত্তোলক, তা নিঃসন্দেহে প্রেরণা জোগাবে আগামী দিনের মেয়েদের।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.