Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Asian Games

ভারতের জার্সিতে এশিয়ান গেমসে পদক, নাগরিকত্ব বদলে এবার ‘শত্রু’র হয়ে খেলবেন তারকা শুটার

তারকা শুটারকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ১৭:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ১৭:৪২

options
link
ভারতের জার্সিতে এশিয়ান গেমসে পদক, নাগরিকত্ব বদলে এবার ‘শত্রু’র হয়ে খেলবেন তারকা শুটার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতের জার্সি পরে এশিয়ান গেমসে ব্রোঞ্জ জিতেছেন। কিন্তু এবার ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে নামবেন। আগামী দিনে তাঁকে দেখা যাবে সাম্প্রতিক অতীতে ভারতের চক্ষুশূল হয়ে ওঠা কানাডার প্রতিনিধিত্ব করতে। বুধবার শুটার অঙ্গদ বীর সিং বাজওয়া জানিয়ে দিলেন, আগামী দিনে তিনি কানাডার জার্সিতে খেলবেন। সোশাল মিডিয়ায় কানাডার জার্সির ছবিও পোস্ট করেন।

২০২০ সালের টোকিও অলিম্পিকে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন অঙ্গদ। সেখানে ১৮তম স্থানে শেষ করেন। তারপর ২০২৩ সালে এশিয়ান গেমসে ব্রোঞ্জজয়ী ভারতীয় দলের সদস্য ছিলেন তিনি। গুরজ্যোত সিং খানগুরা, অনন্তজিত সিং নাকুরার সঙ্গে মিলে দেশকে এশিয়ান গেমস থেকে পদক এনে দেন। সেই সাফল্যে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। তারপরেও ভারত ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিলেন অঙ্গদ।

Advertisement

জানা গিয়েছে, ন্যাশনাল রাইফেল অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়ার তরফ থেকে ছাড়পত্র পেয়ে গিয়েছেন পদকজয়ী শুটার। কানাডার হয়ে নামার ক্ষেত্রে আইনিভাবে অঙ্গদের কোনও বাধা নেই। ‘দেশত্যাগে’র কারণ নিয়ে কিছু জানাননি অঙ্গদ। তবে জানা গিয়েছে, শুটারের পুরো পরিবারই কানাডার বাসিন্দা। সেখানে অঙ্গদের বাবার ব্যবসা রয়েছে। সম্ভবত পরিবারের সঙ্গে থাকার কারণেই এই সিদ্ধান্ত। এছাড়াও কানাডায় অনুশীলনের পরিকাঠামো তুলনামূলক সহজলভ্য। তাই বছর পাঁচেক ধরেই ভারত ছেড়ে কানাডায় চলে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন অঙ্গদ।

দিনকয়েক আগে পর্যন্ত ভারতের জাতীয় শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন অঙ্গদ। চতুর্থ স্থানে প্রতিযোগিতা শেষ করেন। উল্লেখ্য, খলিস্তানি ইস্যুতে ভারতের সঙ্গে কানাডার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক একেবারে তলানিতে এসে ঠেকেছিল বছরদুয়েক আগে। ভারতের রাষ্ট্রদূতকে কানাডা থেকে বহিষ্কার করা হয়। পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে কানাডার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো দাবি করেন, ভারতের মদতে কানাডায় খুন করা হয়েছে। সেই দাবি নিয়ে উত্তাল হয় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক। তবে আপাতত ভারত-কানাডা সম্পর্ক স্থিতিশীল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.