Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৫ জুলাই ২০২৬
Howrah

অদ্ভুত রেকর্ডের স্বপ্ন! ঘণ্টার পর ঘণ্টা অ্যাকোরিয়ামে ডুবে যুবক, তারপর…

ব্যাপারটা কী?

Advertisement
অরিজিৎ গুপ্ত
অরিজিৎ গুপ্ত

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২৬, ২১:০১

link
অরিজিৎ গুপ্ত
অরিজিৎ গুপ্ত

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২৬, ২১:০১

options
link
অদ্ভুত রেকর্ডের স্বপ্ন! ঘণ্টার পর ঘণ্টা অ্যাকোরিয়ামে ডুবে যুবক, তারপর… zoom
অ্যাকোরিয়ামে মুকেশ গুপ্তা। ছবি-অরিজিৎ গুপ্ত।

আগে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডে নাম তুলেছিলেন হাওড়ার সাঁতারু। এবার ৩০ ঘণ্টা অ্যাকোরিয়ামে ডুবে বসে থেকে রেকর্ড গড়লেন তিনি। ছেলের কৃতিত্বে খুশি পরিবার ও পরিজনরা।

ওই যুবকের নাম মুকেশ গুপ্তা। বাড়ি হাওড়ার রামকৃষ্ণপুর ঘাট সংলগ্ন এলাকায়। তিনি জাতীয় স্তরের সাঁতারু। নানা প্রতিযোগিতায় পুরস্কৃত হয়েছেন। এর আগে ৪ ঘণ্টায় ১১ হাজারেরও বেশি ডুব দিয়ে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডে নাম তুলেছেন মুকেশ। এমনকী সাঁতার কেটে বালি থেকে রামকৃষ্ণপুর ঘাট পর্যন্তও গিয়েছেন তিনি। শুক্রবার দুপুর ১২টা ৫০ মিনিট নাগাদ একটি অ্যাকোরিয়ামে ঢুকে বসেন মুকেশ। শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য বাঁশের নল মুখে লাগিয়ে রাখেন তিনি। লক্ষ্য ছিল ৩০ ঘণ্টা অ্যাকোরিয়ামে থেকে রেকর্ড গড়া। রবিবার স্বপ্ন পূরণ হল মুকেশের। এদিন বিকেলে অ্যাকোরিয়াম থেকে বেরোনোর পর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় যুবককে। বর্তমানে সুস্থ রয়েছেন তিনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
অ্যাকোরিয়ামে মুকেশ গুপ্তা। ছবি-অরিজিৎ গুপ্ত।

প্রসঙ্গত, রামকৃষ্ণপুরে মুকেশদের একটি পারিবারিক চায়ের দোকান রয়েছে। মুকেশ ও তাঁর বাবা রামচন্দ্র ঠাকুর গুপ্তা মূলত এই দোকানটি চালান। ছেলের এই রুদ্ধশ্বাস অভিযানের সঙ্গী হয়ে, তাঁকে প্রতি মুহূর্তে ভরসা ও সাহস জোগাতে অ্যাকরিয়ামের পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন মুকেশের মা। যুবকের এই কঠিন লড়াইয়ে ছায়ার মত পাশে ছিলেন বন্ধু-বান্ধবরাও। তাঁরা অনবরত মুকেশের শারীরিক অবস্থার উপর নজর রাখছেন এবং মনোবল বাড়ান। মুকেশ ৩০ ঘণ্টা অ্যাকোরিয়ামে কাটানোর সকলের লড়াই-ই সফল হল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.