বহু তরুণীর কাছে শাড়ি পরা মানে হাজার ঝক্কি। পাশ্চাত্যের পোশাকের প্রতি যেন ক্রমশ বাড়ছে ঝোঁক। অথচ সেই শাড়ি পরেই স্নোবোর্ডিং করে তাক লাগালেন দুই তরুণী। সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল তাঁদের ভিডিও। যা দেখে মুগ্ধ নেটপাড়া।
ওই দুই তরুণীর মধ্যে একজন উর্মিলা। তিনি নভি মুম্বইয়ের বাসিন্দা। ছোটবেলা থেকে স্কেটিংই তাঁর একমাত্র ধ্যানজ্ঞান। ভিডিওতে দেখতে পাওয়া আরেক তরুণী উর্মিলার বিদেশিনী বান্ধবী লিন্ডা। পর্বতারোহণ নেশা তাঁর। রোমাঞ্চের টানে হিমালয় থেকে আল্পসে দৌড়ে গিয়েছেন তিনি। দু’জনে স্থির করেন বরফে মোড়া কাশ্মীরের গুলমার্গে শাড়ি করে স্কেটিং করে সকলকে তাক লাগিয়ে দেবেন। আর ড্রোনের মাধ্যমে তা ক্যামেরাবন্দি করবেন।
আরও পড়ুন:
যেমন ভাবনা, তেমন কাজ। স্নোবোর্ডিং করে ভিডিও করলেন দু’জনে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, প্রথমে তাঁরা একে অপরের শাড়ি ঠিক করে দিচ্ছেন। উর্মিলার পরনে সিক্যুইনের কাজ করা লাল শিফন। আর লিন্ডা পরেছিলেন বেশ ভারী জরির শাড়ি। পরছেন গয়নাগাটিও। তারপর বরফের বুক চিড়ে এগিয়ে চলা। পদে পদে যেন বিপদের চোখরাঙানি। তা-ও দমে যাননি তাঁরা। কিছু করে দেখানোর নেশায় ক্রমশ এগিয়ে চলা। তার ফলস্বরূপ ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেলেন দু’জনে। সোশাল মিডিয়ায় ভিডিওটি শেয়ার করে উর্মিলা লেখেন, ‘শাড়ি নট সরি।’
দুই তরুণীকে প্রশংসায় ভরিয়েছেন নেটিজেনরা। কেউ কেউ লিখেছেন, ইচ্ছাশক্তির থাকলে যে সব অসম্ভবই সম্ভব হয়, তা প্রমাণ করে দিয়েছেন দু’জনে। আবার কেউ লিখছেন, যাঁরা শাড়ি দেখলে নাক সিঁটকোন, তাঁদের মুখে নাকি ঝামা ঘষে দিয়েছেন উর্মিলা এবং লিন্ডা। তবে ওই দুই তরুণী শাড়ি পরে কাউকে জবাব দিতে চেয়েছেন কিনা, তা স্পষ্ট নয়। তবে নিজেরা ব্য়তিক্রমী কিছু করতে চেয়েছিলেন তা সাফ জানিয়েছেন। তাঁদের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়ে এখন নেটপাড়ায় জোর শোরগোল।
Two girls showing pro-level snowboarding skills in sarees.
— Science girl (@sciencegirl) March 7, 2026
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘ভবিষ্যৎ নিয়ে ভেবো না’, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ব্যর্থ রোহিতকে বড় বার্তা গম্ভীরের
-
অধিকৃত কাশ্মীরে পাকিস্তানি হিংসা অব্যাহত, সংঘর্ষে নিহত ১২, দমন লুকোতে মিডিয়া নিষিদ্ধ!
-
উদ্যোক্তাকে মারধর, হুমকি! বিশ বাঁও জলে কলকাতার এই নামজাদা পুজো, মাথায় হাত শিল্পীরও
-
শুভেন্দুর উদ্বোধন করা পুজো বন্ধ করে তৃণমূল, পালাবদলের বাংলায় বিরাট চমক নিউটাউন সনাতনীর
-
পিয়া পরবর্তী অধ্যায়ে ইম্পার নতুন সভাপতি কে? সাংগঠনিক অন্তর্দ্বন্দ্বে ধন্দ!