সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এককালে গ্রামাঞ্চলে সিঁধেল চোরেদের ছিল রমরমা বাজার। রাতের আঁধারে মাটিতে সুড়ঙ্গ খুঁড়ে গৃহস্থের সর্বস্ব লুটে নিয়ে যেত প্রশিক্ষিত চোরের দল। পাকা বাড়ির বাড়বাড়ন্তে সেইসব সিঁধেল চোর এখন ইতিহাসের পাতায়। আধুনিক জমানায় দাঁড়িয়ে পুরনো সেই কৌশল প্রয়োগ করতে গিয়ে রীতিমতো বিপাকে পড়ল এক চোর। তালাবন্ধ বাড়ির এগজস্ট ফ্যানের ঘুলঘুলি বেয়ে ঢুকতে গিয়ে সেখানেই আটকে পড়ল চোর। না পারল ঢুকতে, না পারল বেরতে। শেষে পুলিশ ডেকে উদ্ধার করতে হল অভিযুক্তকে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটেছে রাজস্থানের কোটা শহরে।
জানা যাচ্ছে, কোটার বাসিন্দা সুভাষকুমার রাওয়াত ও তাঁর স্ত্রী গত ৩ জানুয়ারি এক মন্দিরে পুজো দিতে গিয়েছিলেন। অনেক রাতে বাড়ি ফিরে স্তম্ভিত হয়ে যান তিনি। দেখেন, সন্দেহভাজন দুই যুবক তাঁর বাড়িতে চুরির মতলবে। একজন রান্না ঘরের এগজস্ট ফ্যানের ঘুলঘুলি বেয়ে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করছে অন্যজন বাইরে দাঁড়িয়ে নজর রাখছে। এই দৃশ্য দেখে চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করেন সুভাষ। আশেপাশের লোকজন আওয়াজ শুনে বাইরে বেরিয়ে এলে দ্বিতীয় যুবক পালিয়ে যায়। অন্যজন এগজস্ট ফ্যানের ঘুলঘুলিতে আটকে পড়ে।
ওই অবস্থায় পুলিশে খবর দেন সুভাষ। পুলিশ এসে এগজস্ট ফ্যানের ঘুলঘুলি থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। এই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশাল মিডিয়ায়। যেখানে দেখা যাচ্ছে, ঘরের বাইরে মই বসিয়ে দু’জন পুলিশকর্মী গর্ত থেকে হিঁচড়ে বাইরে বের করছেন। আরও কয়েকজন পুলিশকর্মী ঘরের ভিতর থেকে অভিযুক্তকে বাইরের দিকে ঠেলছেন। বেশ কিছুক্ষণের চেষ্টার পর তাঁকে সেখান থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।
View this post on Instagram
স্থানীয়দের অভিযোগ, এই এলাকায় সন্দেহজন ব্যক্তিদের আনাগোনা ব্যপকভাবে বেড়েছে। চুরির ঘটনাও বেড়েছে। পুলিশে অভিযোগ জানিয়েও বিশেষ ফল হয় না। রাতে এলাকায় টহল দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিল পুলিশ, কিন্তু বাস্তবে তাঁদের দেখা মেলে না। এরপর হাতেনাতে চোর ধরা পড়ায় পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।
সর্বশেষ খবর
-
সোশাল মিডিয়ায় আলাপ, ভিনরাজ্যে ‘ধর্ষণে’র শিকার বঙ্গকন্যা, প্রভাব খাটিয়ে জেলমুক্ত যুবক!
-
কঠিন সময়ে অলকাকে বিশেষ বার্তা শানু ও শানের, কী বললেন তাঁরা?
-
ভারতে ঢুকেছিল তিনটি পাকিস্তানি বিমান, এয়ার ইন্ডিয়া বিপত্তির এক সপ্তাহ আগে
-
সারান্ডায় তাড়া খেয়ে বাংলামুখী, ১৪ বছর পর ‘ঘরে’ই আশ্রয় নাকি আত্মসমর্পণ মাওবাদী আকাশের?
-
তারাতলার গুদাম নির্মাণে ‘কুখ্যাত’ আসগর, বিপর্যয়ের বহু আগেই বন্দর কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিল বাম কর্মী ইউনিয়ন