Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৫ জুন ২০২৬
Madhya Pradesh pet dog

‘আত্মঘাতী’ প্রভু, শেষযাত্রায় শববাহী গাড়ির সঙ্গে ৪ কিমি দৌড়ল পোষ্য কুকুর, ঠায় দাঁড়িয়ে শ্মশানেও

বহু চেষ্টা সত্ত্বেও শ্মশান থেকে মোতিকে নড়ানো যায়নি। শেষকৃত্যের যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত বসে ছিল সে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২১, ২০২৬, ১৭:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২১, ২০২৬, ১৭:৪২

options
link
‘আত্মঘাতী’ প্রভু, শেষযাত্রায় শববাহী গাড়ির সঙ্গে ৪ কিমি দৌড়ল পোষ্য কুকুর, ঠায় দাঁড়িয়ে শ্মশানেও zoom
ছবি: সংগৃহীত

মহাপ্রস্থানের পথে যুধিষ্ঠিরের সঙ্গী হয়েছিল এক সারমেয়। মহাভারতে সেই ঘটনাই আবারও ফিরে এল বাস্তবে। প্রভুর মৃত্যুর পরেও তাঁর দেহের পাশে ঠায় বসে রইল পোষ্য কুকুর। শুধু তাই নয়, শেষবারের মতো প্রভুর দেহ যখন বাড়ি থেকে বের করা হচ্ছে সেসময়েও প্রায় চার কিলোমিটার পথ দৌড়ে গিয়েছে সে। শ্মশানে বসে প্রভুর শেষকৃত্যেও শামিল হয়েছে কুকুরটি। নেটদুনিয়ায় সেই ভিডিও দেখে নেটিজেনদেরও চোখের জল বাঁধ মানেনি।

ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশে। জানা গিয়েছে, ৪০ বছর বয়সি জগদীশ প্রজাপতির মৃত্যু হয় সোমবার। ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয় তাঁর দেহ। প্রাথমিকভাবে অনুমান, আত্মঘাতী হয়েছেন জগদীশ। যখন তাঁর দেহ উদ্ধার হয়, সেসময়েই দেহের পাশে চুপটি করে বসেছিল জগদীশের পোষ্য কুকুর মোতি। সারারাত ঘরের মধ্যেই রাখা ছিল জগদীশের দেহ। গোটা সময়টা একেবারে পাহারা দেওয়ার ভঙ্গিতে দেহের পাশে বসেছিল মোতি। একটিবারের জন্যও প্রভুর পাশ থেকে ওঠেনি সে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পরের দিন সকালে ময়নাতদন্তের জন্য জগদীশের দেহ বের করে নিয়ে যায় পুলিশ। সেই দেখে শববাহী গাড়ির পিছনে ছুটতে শুরু করে মোতি। ক্লান্ত হয়ে পড়লেও, নিশ্বাস নিতে কষ্ট হলেও প্রভুর সঙ্গ ছাড়তে সে নারাজ। গাড়ির গতির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে প্রায় চার কিলোমিটার দৌড়য় মোতি। শেষ পর্যন্ত জগদীশের পরিবারের সদস্যরা মোতিকেও তুলে নেন শববাহী গাড়িতে। ময়নাতদন্তের সময়েও একটি জায়গায় ঠায় বসেছিল সে। পরিবারের সদস্যরা যখন জগদীশের দেহ নিয়ে গ্রামে ফিরছেন, তখন মোতিও ফিরে আসে গ্রামে।

শেষ পর্যন্ত শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয় জগদীশের দেহ। সেখানেও পৌঁছে যায় তাঁর পোষ্য কুকুর। বহু চেষ্টা সত্ত্বেও শ্মশান থেকে মোতিকে নড়ানো যায়নি। শেষকৃত্যের যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত বসে ছিল সে। দীর্ঘ সময় ধরে খাবার বা জল কিছুই খায়নি মোতি। তার এমন প্রভুভক্তি দেখে আপ্লুত গ্রামবাসী থেকে পুলিশ সকলেই। শেষ যাত্রায় মোতির ভিডিও ভাইরাল হয়েছে নেটদুনিয়ায়। অবলা প্রাণীর এমন ভালোবাসা দেখে চোখ ভিজেছে তাঁদের সকলেরই।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.