সোশাল মিডিয়া এখন বহু মানুষের উপার্জনের পথ। যার যত ফলোয়ার, তার তত বেশি আয়ের সুযোগ। কন্টেন্ট ক্রিয়েটাররা সবসময় চেষ্টা করেন যাতে ফলোয়ারের সংখ্যা বাড়ে। সেই কারণেই বিভিন্নরকম ভিডিও তৈরি করেন। লাইভে এসে ফলোয়ারদের সঙ্গে কথা বলেন। উদ্দেশ্য একটাই, এনগেজমেন্ট-ফলোয়াররা বাড়ানো। কিন্তু চিনা এক ইনফ্লুয়েন্সারের সঙ্গে হল ঠিক উলটো। লাইভে সামান্য যান্ত্রিক ত্রুটিতে মুহূর্তে কমে গেল দেড় লক্ষ ফলোয়ার! অবাক হচ্ছেন? সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল সেই ভিডিও।
ব্যাপারটা ঠিক কী? দীর্ঘদিন ধরেই সোশাল মিডিয়ার জন্য কন্টেন্ট তৈরি করছেন চিনের ওই তরুণী। তাঁর ফলোয়ারও প্রচুর। সম্প্রতি সোশাল মিডিয়ায় লাইভে এসেছিলেন তরুণী। অন্যান্যদিনের মতোই ফলোয়ারদের সঙ্গে গল্প করছিলেন। আচমকাই বিপত্তি। লাইভ চলাকালীন হঠাৎই কয়েক সেকেন্ডের জন্য অকেজ হয়ে যায় বিউটি ফিল্টার। দর্শকদের সামনে চলে আসে ইনফ্লুয়েন্সারের আসল চেহারা। মুহূর্তেই ফিরে আসে পুরনো ফিল্টার। কিন্তু তাতে লাভের লাভ কিছুই হয়নি। কারণ ততক্ষণে জনপ্রিয় ক্রিয়েটরের বিবর্ণ ত্বক দেখে ফেলেছেন সকলেই! তাতেই বাঁধল গোল! হু হু করে কমল তরণীর ফলোয়ার। তথ্য বলছে, অল্প কিছু সময়ের মধ্যে তাঁর ফলোয়ার কমেছে প্রায় দেড় লক্ষ। গোটা ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই ভেঙে পড়েছেন ওই তরুণী।
আরও পড়ুন:
View this post on Instagram
সোশাল মিডিয়ায় রীতিমতো ভাইরাল তরুণীর সেই লাইভের ভিডিও। কমেন্ট বক্সে কেউ অনুরাগীদেরই বিঁধেছেন। ফলোয়ারদের প্রতারক বলেও কটাক্ষ করেছেন অনেকে। কেউ আবার লিখেছেন, ‘ভূতের মতো ফিল্টার ব্যবহারের থেকে আসল চেহারাই ভালো। এটাই আসল।’ কেউ আবার লিখেছেন, ‘ইনফ্লুয়েন্সাররা আসলে যা দেখান, আমরা সেটাকেই বিশ্বাস করি। ফিল্টারই ধরিয়ে দিল রিল আর রিয়েলের পার্থক্য।’ কেউ আবার তরুণীর পক্ষ নিয়ে লিখলেন, ‘দুনিয়াটাই সুন্দরদের পূজারী।’ উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে এমনই এক ঘটনার সাক্ষী হয়েছিলেন এক ক্রিয়েটর। ফিল্টার ব্যবহার করে ভিডিও করছিলেন দীর্ঘদিন ধরে। একটি যান্ত্রিক ত্রুটিতে প্রকাশ্যে চলে আসে আসল তথ্য। জানা যায়, আদতে তাঁর বয়স ৫৮ বছর।
সর্বশেষ খবর
-
ভিনির জোড়া গোলে ‘থ্রি স্টার’ ব্রাজিল, গ্রুপ শীর্ষে থেকেই নকআউটে সাম্বা বয়েজ
-
সোশাল মিডিয়ায় আলাপ, ভিনরাজ্যে ‘ধর্ষণে’র শিকার বঙ্গকন্যা, প্রভাব খাটিয়ে জেলমুক্ত যুবক!
-
কঠিন সময়ে অলকাকে বিশেষ বার্তা শানু ও শানের, কী বললেন তাঁরা?
-
ভারতে ঢুকেছিল তিনটি পাকিস্তানি বিমান, এয়ার ইন্ডিয়া বিপত্তির এক সপ্তাহ আগে
-
সারান্ডায় তাড়া খেয়ে বাংলামুখী, ১৪ বছর পর ‘ঘরে’ই আশ্রয় নাকি আত্মসমর্পণ মাওবাদী আকাশের?