সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: টিকিট ছাড়া ট্রেনে উঠলেই জরিমানা। লোকাল হোক বা দূরপাল্লার ট্রেন। ভারতীয় রেলের এই নিয়ম সবক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। কিন্তু ভারতেই এমন এক রুট রয়েছে যেখানে ট্রেনে সফর করলেও লাগবে না টিকিট। হবে না জরিমানাও! এমনকী বিনা টিকিটের এই ভ্রমণ সম্পূর্ণ বৈধ।
অবাক হচ্ছেন তো? আজ্ঞে হ্যাঁ, কথা হচ্ছে ভাকরা-নাঙ্গাল ড্যাম রেল রুটের। আপনি যদি এই রুটে ট্রেনে চেপে যেতে চান, তাহলে টিকিট কাটার প্রয়োজন নেই। শুধু তাই নয়, বিনামূল্যে ভ্রমণ আইনি হওয়ায় কোনও টিকিট পরীক্ষকও থাকেন না।
পাঞ্জাবে নাঙ্গাল এবং হিমাচল প্রদেশের সীমান্ত এলাকায় ভাকরা স্টেশন অবস্থিত। দুটি স্টেশনের মাঝের দূরত্ব ১৩ কিলোমিটার। শতদ্রু নদীর তীর বরাবর পাহাড়ি পথ বেয়ে ট্রেনটি এগিয়ে যায়। মূলত পর্যটকদের ভাকরা-নাঙ্গাল বাঁধ ঘুরিয়ে দেখানোর জন্যই এই পরিষেবা চালু করা হয়েছিল। তবে এই পরিষেবা ভারতীয় রেলের অন্তর্গত নয়। এই ট্রেন পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে ভাকরা বিয়াস ম্যানেজমেন্ট বোর্ড। প্রায় সাত দশক আগে এই ট্রেন পরিষেবা শুরু করেছিল ভাকরা বিয়াস ম্যানেজমেন্ট বোর্ড। ৭৫ বছর ধরে পরিষেবা দিয়ে আসছে এই ট্রেন।

শুরুতে এই ট্রেনটি বাষ্পচালিত ইঞ্জিনে চলত। তবে বর্তমানে চলে ডিজেলে। তবে ট্র্যাডিশন মেনে ট্রেনের বগি আজও কাঠের। যে কামরাগুলি তৈরি হয়েছিল অবিভক্ত ভারতের করাচিতে। ট্রেনে একসঙ্গে প্রায় ৮০০ যাত্রী যাতায়াত করতে পারেন। ১৩ কিলোমিটার যাত্রাপথে ৬ টি স্টেশনে থামে এবং তিনটি টানেলের মধ্যে দিয়ে যায় এই ট্রেন। প্রতিঘণ্টায় প্রায় ১৮ থেকে ২০ লিটার ডিজেল খরচ হয়। ব্যয়বহুল হওয়া সত্ত্বেও ভাকরা বিয়াস ম্যানেজমেন্ট বোর্ড এই পরিষেবা এখনও বন্ধ করেনি। এই সফর আপনাকে মনে করিয়ে দেবে ব্রিটিশশাসিত ভারতে ট্রেন যাত্রার কথা। তাই বাঁধের সৌন্দর্য উপভোগ করতে এবং এই বাঁধ তৈরির ইতিহাস জানতে, বিনা টিকিটের এই ভ্রমণ সেরে ফেলতেই পারেন।
সর্বশেষ খবর
-
ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠছে মাটি, আতঙ্কের গ্রাসে দার্জিলিং-সহ উত্তর
-
টাকি পুরসভার ‘বিদ্রোহী’ তৃণমূল কাউন্সিলরের পদত্যাগ, জোর জল্পনা
-
অরূপ-স্বরূপের ‘রহস্যময় ঘরে’ তল্লাশি পুলিশের, উদ্ধার মোবাইল-আইপ্যাড, প্রচুর নথি!
-
কুলটিতে ‘ভয় আউট, ভরসা ইন’, মন্ত্রীর জনতার দরবারে ৫ বছরের সমস্যার সমাধান ২৪ ঘণ্টায়!
-
আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিয়ন রুমে কন্ডোম, নেশার সামগ্রী! শোরগোল শিক্ষাঙ্গনে