গ্রীষ্মের আরামদায়ক পোশাক হিসাবে নাইটি বেশ জনপ্রিয়। বয়স যাই হোক না কেন, মহিলাদের অনেকেই ভালোবাসেন ঘরে নাইটি পরতে। কিন্তু এবার পুরুষদের পরনেও নাইটি? শুনতে খানিকটা আজব লাগলেও, প্রবল গরমে পুরুষদের অনেকেই বেছে নিচ্ছেন নাইটি। নিজেরা নাইটি পরছেন, সেটার ছবি-ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় আপলোডও করছেন। অনেকটা যেন বলতে চাইছেন, এমন আরামদায়ক পোশাকের মজা স্রেফ মহিলারা নেবেন কেন?
শুরুটা হয়েছিল মজার ছলে। লাইক-কমেন্ট-রিচের আশায় বহু পুরুষই নাইটি পরে রিল বানাতে শুরু করেন। কিন্তু ধীরে ধীরে পুরুষদের নাইটি পরাটা স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। অন্তত সোশাল মিডিয়ায় চোখ রাখলে মাঝেমধ্যেই নজরে পড়বে নাইটি পরিহিত পুরুষদের ছবি-ভিডিও। বাইকে চেপে বন্ধুদের সঙ্গে ঘোরা হোক বা শপিং মলে গিয়ে কেনাকাটা-নাইটি পরে দিব্যি স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন পুরুষরা। যেহেতু হালকা ঢিলেঢালা পোশাক, তাই গরমে অন্য জামাকাপড় ছেড়ে নাইটি পরতেই বেশ স্বচ্ছন্দ ‘মাচো ম্যান’রা।
আরও পড়ুন:
View this post on Instagram
মহিলাদের মধ্যে নাইটি বহু প্রচলিত হলেও, সেটা মূলত ঘরের ভিতরেই পরা হয়। কিন্তু পুরুষরা ঘরে-বাইরে সর্বত্রই নাইটি পরে ঘুরছেন। সোশাল মিডিয়া অনুযায়ী, মূলত জেন জি প্রজন্মের পুরুষরাই নাইটি পরতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন। কেউ বলছেন, মায়ের পরামর্শে নাইটি পরা শুরু করেছেন। আবার কারোর মতে, আরামদায়ক বলেই নাইটি পরাটা বেছে নিয়েছেন তাঁরা। তবে অপেক্ষাকৃত বয়স্কদের কাছে নাইটি এখনও মহিলাদের ঘরে পরার পোশাক হিসাবেই সীমাবদ্ধ।
ভারতে এখন বহু প্রচলিত হলেও নাইটির জন্ম ব্রিটেনে। রাতের পোশাক হিসাবে ম্যাক্সি ড্রেসের প্রচলন হয়। তারপর ব্রিটিশদের হাত ধরেই ভারতে নাইটির পদার্পণ। রাতপোশাক হিসাবে ব্যবহার শুরু হয়। ধীরে ধীরে মহিলাদের ঘরে পরার পোশাক হিসাবে গোটা দেশেই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে নাইটি। তবে ভারতের অন্যান্য পোশাকের মতো নাইটি নিয়ে সেরকম ব্র্যান্ডিং হয়নি। তা সত্ত্বেও আমজনতার মধ্যে নাইটির চাহিদা এবং জনপ্রিয়তা আকাশছোঁয়া।
View this post on Instagram
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ঝড়ের তাণ্ডবে বেসামাল ডিঙি, ভাগীরথীতে তলিয়ে মৃত্যু মহিলার
-
‘পনেরো জন তালিবান, আমি একা মেয়ে!’ আফগানিস্তানের সোলো ট্রিপে আশ্চর্য অভিজ্ঞতা ইনফ্লুয়েন্সারের
-
এআই দিয়ে মায়ের ছবি বিকৃত করে ব্ল্যাকমেল! অন্ডালে রহস্যমৃত্যু কিশোরের
-
যুদ্ধ থামাতে ট্রাম্পের দ্বারস্থ জেলেনস্কি, তার মধ্যেই মস্কোর তৈল শোধনাগার উড়িয়ে দিল ইউক্রেন
-
শকুন্তলাকে স্পেশাল হোমগার্ডের চাকরি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু রাজ্যের, সুদিন ফেরার আশায় পরিবার