বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। চিকিৎসকরা তাঁকে ‘ব্রেন ডেড’ ঘোষণাও করে দেন। হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুল্যান্সে বাড়ি নিয়ে আসা হচ্ছিল দেহ। আচমকাই গাড়ি পথের গর্তে পড়তেই ঘটে গেল আকস্মিক ঘটনা! প্রাণে বেঁচে উঠলেন সেই মহিলা। এমনই অবাক কাণ্ড উত্তরপ্রদেশে।
জানা গিয়েছে, মহিলার নাম বিনীতা শুক্লা। যোগীরাজ্যের পিলিভিত জেলা আদালত অঞ্চলের বাসিন্দা ছিলেন তিনি। বাড়িতেই আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন। ক্রমে পরিস্থিতি খারাপ হতেই তাঁর স্বামী কুলদীপ শুক্লা তাঁকে নিয়ে যান সরকারি হাসপাতালে। কিন্তু সেখান থেকে আশঙ্কাজনক বিনীতাকে পাঠানো হয় বেসরকারি হাসপাতালে। কিন্তু এরপরই ওই মহিলাকে রাখতে হয় ভেন্টিলেশনে। অবশেষে চিকিৎসকরা কুলদীপকে জানিয়ে দেন, তাঁর স্ত্রীর মস্তিষ্ক-মৃত্যু হয়েছে। শেষবারের মতো তাঁকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যদিও এর আগে কুলদীপ চিকিৎসকদের বলেন বিনীতাকে আরও একরাতের জন্য। ভেন্টিলেশনে রাখতে। কিন্তু কোনও আশা না থাকায় শেষপর্যন্ত তাঁকে বাড়িতেই নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত করা হয়। সেইমতো অ্যাম্বুল্যান্সে বিনীতাকে নিয়ে যাত্রা শুরু করেন কুলদীপ। বাড়িতে তখন শেষযাত্রার প্রস্তুতি চলছে।
আরও পড়ুন:
এর মধ্যেই আচমকা গাড়িটি গর্তে পড়ে। সঙ্গে সঙ্গে ভিতরে থাকা সকলেই ছিটকে পড়ে এদিক ওদিক। আর সেই সময়ই অবাক হয়ে সকলে লক্ষ করেন, বিনীতার দেহ নড়াচড়া করতে শুরু করেছে! সঙ্গে সঙ্গে গাড়ি ঘুরিয়ে ফের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ফের শুরু হয় চিকিৎসা। সুস্থ হয়ে ওঠেন বিনীতা। শেষ খবর মিলেছে, তিনি বাড়িও ফিরে গিয়েছেন! ১৩ দিনের চিকিৎসায় আপাতত তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ! গোটা ঘটনায় বিস্মিত তাঁর আত্মীয়রা। অবাক চিকিৎসকরাও। তবে আপাতভাবে মহিলার প্রাণ ফিরে পাওয়াকে ‘অলৌকিক’ বলা হলেও তাঁকে বাঁচিয়ে তোলার নেপথ্যে ডাক্তারদের কৃতিত্বকেও স্বীকৃতি দিতে চান বিনীতার বাড়ির লোকেরা।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ঋতব্রত-মমতার দ্বন্দ্বে নেই! ‘আমরাই আসল তৃণমূল’, জোরাল দাবি ভিনরাজ্যের নেতার
-
হাওড়ার আবাসনে বিধ্বংসী আগুন, আটকে পড়াদের পাঁজাকোলা করে বের করল দমকল বাহিনী
-
‘দুধ-কলা দিয়ে’ বিষাক্ত কালাচ সাপকে পুজো! ভুল ভাঙতেই কী করলেন গৃহস্থ?
-
এবার লাদাখ যাওয়া আরও সহজ, চালু হচ্ছে জোড়া বিমানবন্দর, ভূ-স্বর্গ ভ্রমণের এ সুযোগ ছাড়বেন না!
-
আলিপুরদুয়ারে আবর্জনার স্তূপে শয়ে শয়ে আধার কার্ড! তদন্তে ঘটনাস্থলে সিআইডি