সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শিরোনাম পড়ে নিশ্চয়ই ভাবছেন, এটা আবার কেমন চাকরি! চুমর দাগে মাপা বেতন! হ্যাঁ, ব্যাপারটা হতবার করার মতো হলেও, সত্যিই রয়েছে এমন এক আজব চাকরি।
ব্যাপারটা একটু বিশদে বলা যাক। এই চাকরিতে প্রয়োজন একজন পুরুষকর্মী ও একাধিক মহিলাকর্মী। আর একটা চেয়ার এবং একটি ঘর। ব্য়াপারটা শুনতে আজব হলেও, দাড়িহীন, চুলহীন পুরুষরাই পাবেন এই চাকরিতে অগ্রাধিকার। এবার আসা যাক কাজের ব্যাপারে। কাজটা শুনতে খুব সহজ হলেও, করতে কিন্তু বেশ চাপ। কেননা, এই চাকরি অনুযায়ী, পুরুষকর্মী চেয়ারে বসে থাকবেন এবং মহিলারা ঠোঁটে লিপস্টিক মেখে এসে পুরুষকর্মীর গায়ে, মাথায় চুমু খাবেন গভীরভাবে, যাতে লিপস্টিকের ছাপ পড়ে পুরুষকর্মীর গালে, মাথায়।
পুরুষকর্মীকে এসব দাগ নিয়ে কাটাতে হবে ৮ ঘণ্টা। কেননা, পুরুষের সেই গালের চুমুর দাগ দেখেই চলবে গবেষণা। কেতাবি ভাষায় এই চাকরির নাম লিপস্টিক টেস্টার। একটা লিপস্টিক তৈরির পর, বাজারে আসার আগে এভাবেই টেস্ট করে নেওয়া হয় লিপস্টিকের রং, গুণমান। এমনকী, কতক্ষণ এই লিপস্টিকের স্থায়িত্ব তাও এভাবে মেপে নেওয়া হয়। মুখে কোন রঙের লিপস্টিক কতটা গাঢ় ছাপ ফেলেছে, খুব সহজে তা মুছে ফেলা যাচ্ছে কিনা, পরীক্ষা করা হত সে সব কিছুই।
পাঁচের দশকে এই চাকরি ছিল একেবারেই বাস্তবিক। লিপস্টিক প্রস্তুতকারী সংস্থার তরফে এমন এক পুরুষকে চাকরি দেওয়া হত যাঁর কাজ ছিল সারা দিন চুপচাপ বসে মহিলাদের চুমু খেতে দেওয়া। অবশ্য তিনি কাউকে চুমু খেতে পারতেন না। তবে এযুগে এখন নানারকম অন্য পদ্ধতি এসে যাওয়ায়, এমন চুমু উপভোগ করার পুরুষ থাকলেও, চাকরির সুযোগ কিন্তু আর নেই।
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বকাপের আগেই ফ্রান্স শিবিরে গৃহযুদ্ধ! ফেডারেশনের ‘স্বেচ্ছাচারিতায়’ ক্ষুব্ধ এমবাপে-ডেম্বেলেরা
-
বয়সে ছোট যুবকের প্রেমে হাবুডুবু মহিলা! নেপথ্যে জটিল অঙ্ক
-
মধ্যপ্রাচ্যে ফের ধুন্ধুমার সংঘাত, ‘অবিলম্বে ইরান ছাড়ুন’, ভারতীয়দের উদ্দেশে নির্দেশিকা নয়াদিল্লির
-
৭০-এর দশকের বারুদ-ইতিহাসের স্বীকৃতি, পুরস্কৃত অশোককুমারের উপন্যাস ‘আটটা নটার সূর্য’
-
‘তুমি হদ্দ বোকা’, সাক্ষাৎকার চলাকালীন সঞ্চালিকার সঙ্গে বচসা, মাইক ছুড়ে ফেললেন ট্রাম্প