Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
Public Urination

এলইডি স্ক্রিনে রাস্তার ধারে প্রস্রাবের ফুটেজ! জনতাকে ‘সবক’ শেখাচ্ছে পড়শি রাজ্য, আপনি সতর্ক তো?

'হল অফ শেম' অভিযান ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। অন্যান্য পুরসভাগুলিও নতুন করে ভাবছে, নাগরিক আচরণে পরিবর্তন আনতে অন্য কী ধরনের পদক্ষেপ করা যেতে পারে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০২৬, ২০:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০২৬, ২০:৩২

options
link
এলইডি স্ক্রিনে রাস্তার ধারে প্রস্রাবের ফুটেজ! জনতাকে ‘সবক’ শেখাচ্ছে পড়শি রাজ্য, আপনি সতর্ক তো? zoom
এআই দ্বারা নির্মিত চিত্র।
Advertisement

রাস্তার মোড়ে বসানো রয়েছে সুবিশাল এলইডি স্ক্রিন, তাতে দেখা যাচ্ছে এক অদ্ভুত দৃশ্য। এতটাই অদ্ভুত যে পথচলতি লোকেদের রীতিমতো অসুবিধা হচ্ছে তা বিশ্বাস করতে। আর বুঝে উঠতে পারলে ভিরমি খাচ্ছে পথচারী। কেন? কারণ এই প্রকাণ্ড স্ক্রিনে দেখা যাচ্ছে সেইসব ব্যক্তিকে, যারা শহরের বিভিন্ন এলাকায় বারণ সত্ত্বেও প্রস্রাব করছেন দেওয়ালে (Public Urination) ! অর্থাৎ ‘প্রস্রাব করিবেন না’ নিষেধ উপেক্ষা করেও যারা পাবলিক প্রপার্টি নোংরা করছেন, তাঁদের ছবি সরাসরি সম্প্রচার হচ্ছে জনসমক্ষে!

এ কোনও সিনেমার দৃশ্য নয়, এমনটা সত্যিই হয়েছে অসমের (Assam) তিনসুকিয়ায়। বারবার বারণ সত্ত্বেও সাধারণ মানুষের প্রকাশ্যে প্রস্রাব করা থামানো যাচ্ছিল না। এমনকী জরিমানা ধার্য করার পরেও বদলায়নি অবস্থা। এমতাবস্থায় এক অভিনব আইডিয়ার অবতারণা করেছে তিনসুকিয়া মিউনিসিপাল বোর্ড। শহরের যে সমস্ত জায়গা নোংরা করা মানা, সেখানে বসানো হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা। অন্যদিকে শহরের বিভিন্ন জনবহুল এলাকা, বাজার চত্বর, রাস্তার মোড়ে প্রকাণ্ড সব এলইডি স্ক্রিন বসানো হয়েছে। এই স্ক্রিনের নাম দেওয়া হয়েছে ‘হল অফ শেম’ (Tinsukia Hall of Shame)।

Advertisement
Despite repeated warnings, public urination by people could not be stopped. Even after imposing fines, the situation did not change. In response, the Tinsukia Municipal Board has come up with an innovative idea
সূত্র: ইন্টারনেট।

সিসিটিভিতে ধরা পড়েছে প্রকাশ্যে প্রস্রাব করার বিবিধ ফুটেজ। এই ফুটেজ সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছে এলইডি স্ক্রিনগুলিতে। অর্থাৎ স্থানীয় প্রশাসকের বারংবার বারণ সত্বেও কারা তা লঙ্ঘন করেছে, তাঁদের চিনেছে শহরের সব নাগরিক। একই সঙ্গে পুরসভা সতর্ক করেছে, বারবার একই ধরনের অপরাধ করলে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় আরও কঠোর আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। উদ্দেশ একটাই, সামাজিক দায়বদ্ধতার সবক শিখিয়ে, নাগরিকদের মধ্যে পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা।

তবে এই কড়া পদক্ষেপ একই সঙ্গে দুই ধরনের প্রশ্ন উসকে দিয়েছে। কেউ বলছেন, ক্রমাগত বারণ সত্ত্বেও সাধারণ বিধিনিষেধ মানতে নারাজ যারা, তাঁদের জন্য সঠিক পদক্ষেপ এটিই। তবে আইন বিশেষজ্ঞ ও নাগরিক অধিকারকর্মীদের একাংশ জানিয়েছেন, এমন কাজ ‘পাবলিক শেমিং’-এর মধ্যে পড়ে। তাঁদের মতে, আদালতের রায় ছাড়া কাউকে প্রকাশ্যে অপদস্থ করা আইনসম্মত নয়। এছাড়া অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করা ব্যক্তিগত অধিকারের লঙ্ঘন কি না, সেই প্রশ্নও উঠছে।

তিনসুকিয়ার ‘হল অফ শেম’ অভিযান ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। এই উদ্যোগ দেশের অন্যান্য পুরসভাগুলিকেও নতুনভাবে ভাবতে বাধ্য করেছে যে, নাগরিক আচরণে পরিবর্তন আনতে প্রচলিত পদ্ধতির বাইরে গিয়ে অন্য কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.