সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: খাতায় কলমে গ্রামের বাসিন্দা ১৫০০ জন। কিন্তু মাত্র তিন মাসের মধ্যে সেই গ্রামে জন্ম নিয়েছে ২৭ হাজার ৩৯৭টি সন্তান! এমনই চাঞ্চল্যকর পরিসংখ্যান উঠে এল মহারাষ্ট্রের শেনদুরুসানি গ্রাম থেকে। প্রশ্ন উঠছে, কত বড় মাপের দুর্নীতি হয়েছে ওই গ্রামে? কী করে তৈরি হল এমন অবাস্তব পরিসংখ্যান? এত কম সময়ের মধ্যে ভুয়ো জন্মের নথিতে ভরে গেল গ্রামের প্রশাসন?
ঠিক কী ঘটেছে মহারাষ্ট্রের ওই গ্রামে? জানা গিয়েছে, জন্ম এবং মৃত্যুর নথিভুক্তিকরণে দেরির অভিযোগ উঠেছিল ওই গ্রামের পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে। সেই নিয়ে তদন্ত করতে গিয়েই এহেন বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। চলতি বছর সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বরের মধ্যে ২৭ হাজার ৩৯৭টি জন্ম নথিভুক্তি হয়েছে। যেসব নাম ওই গ্রামের অধীনে নথিভুক্ত হয়েছে, তার অধিকাংশই বাংলা এবং উত্তরপ্রদেশের নবজাতক।
কিন্তু কী করে এমনটা ঘটল? প্রাথমিকভাবে অনুমান, শেনদুরুসানি গ্রামের সিআরএস আইডি অপব্যবহার করা হয়েছে। গ্রাম থেকে বহুদূরে মুম্বইতে বসে আইডি ব্যবহার করে এই বিরাট জালিয়াতি হয়েছে। সেকারণেই ভিনরাজ্যের বিপুল নাম নথিভুক্ত হয়েছে শেনদুরুসানি গ্রামে। তবে প্রশ্ন উঠছে, গ্রামের আইডি সুদূর মুম্বইতে গেল কী করে? মুম্বইতে বসে কী করে গ্রামের তথ্য নাড়াচাড়া করতে পারল জালিয়াতরা? শুধু তাই নয়, বাংলা এবং উত্তরপ্রদেশের নাম কেন মহারাষ্ট্রে নথিভুক্ত হল, উঠছে সেই প্রশ্নও।
ভারতীয় ন্যায় সংহিতা এবং আইটি অ্যাক্টের আওতায় অভিযোগ দায়ের করে গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। জেলা পরিষদের সিইওর নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে তদন্ত কমিটি। শেনদুরুসানি গ্রামে গিয়ে এই কমিটি পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছে। স্থানীয় বিজেপি নেতা কিরিট সোমাইয়া ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবিসের কাছে আবেদন করেছেন, যেন এই নথি থেকে ভুয়ো নামগুলি বাদ দেওয়া হয়।
সর্বশেষ খবর
-
‘সিয়া কাছে ছিল, আমার ছেলে ধাক্কা দেয়নি’, দাবি পুণে হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত চেতনের বাবার
-
জুটমিলে চাকরি হারিয়ে পেটের দায়ে তারাতলায় কাজ কৃষ্ণর, ছেলের মৃত্যুতে শোকে পাথর বৃদ্ধা মা
-
‘ভুল হয়েছিল, রি-নিটে শুধরে নিয়েছি’, প্রশ্নফাঁস নিয়ে স্বীকারক্তি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর
-
বাংলায় শুরু হচ্ছে জনগণনার কাজ, বিএলও’র পর ফের বড় দায়িত্বে শিক্ষকরা
-
তারাতলা বিপর্যয়ে গ্রেপ্তার ৩, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের ঘণ্টাদেড়েকের মধ্যেই ‘অ্যাকশন’