কথায় বলে, ভালোবাসা অন্ধ। কখন যে মন কার প্রতি উতলা হয়ে উঠবে, তা আগেভাগে বোঝা কার্যত অসম্ভব। আর মন যখন কারও জন্য ব্যাকুল হয় তা উপেক্ষা করা অধিকাংশের পক্ষেই সম্ভব হয়ে ওঠে না। বিচার বিবেচনা ছাড়াই একটু ভালোবাসা পেতে ছুটে যান। ফল ভালো যেমন হয়, খারাপের উদাহরণও রয়েছে ভুরি ভুরি। উলটোদিকের মানুষটা যদি সঠিক না হন, সেক্ষেত্রে এই প্রেমের টান জীবনে ডেকে আনে অমাবস্যা। বর্তমান সময়ে দেখা যায়, সম্পর্ক মানেই নানারকম জটিলতা। এই টানাপোড়েনের দেওয়া হয়েছে নানারকম নামও। সেরকমই একটি হল ট্রমা বন্ডিং। জানেন ব্যাপারটা ঠিক কী?

আরও পড়ুন:
সম্পর্কে দুটো মানুষের আবেগ, অনুভূতি কখনওই সমান থাকে না। একজন একটু বেশিই ভালোবাসে, যত্ন নেয়। ট্রমা বন্ডিংয়ের ক্ষেত্রে উলটোদিকের মানুষটা যে ভালোবাসে না, তা নয়। তবে তিনি হন নিজের মর্জির মালিক! আপনি ভালোবাসেন মানেই যে তিনি তা ফিরিয়ে দেবেন, তা ভাবলেই মুশকিল। তিনি আপনাকে ভালোবাসে, কিন্তু নিজের শর্তে। নিজের মন খারাপে আশ্রয় চাইবে আপনার কোলেই। কিন্তু স্বার্থ ফুরিয়ে গেলে দেখবেন অন্যরূপ। আপনাকে আঘাত করতে ২ বার ভাববে না সে। তবে আঘাত করে যে সে পুরোপুরি সরে যাবে, তা কিন্তু নয়। আপনি যখন মুভ অন করার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত হয়ে যাবেন, ঠিক তখনই তিনি ফিরে আসবেন, মায়া ভরা কথায় ভুলিয়ে দেবে আপনার সব রাগ-অভিমান। আপনিও ভালোবাসায় আদুরে বেড়াল হয়ে উঠবেন। আর এখানেই ভুলের শুরু। আপনি ভাবলেন, একবার ভুল করে ফেলেছে, ভালোবাসেন তাই মেনে-মানিয়ে নিলেন। এখানেই নতুন করে খেলা শুরু উলটো দিকের মানুষটার।
ক্রমাগত এভাবেই চলতে থাকবে জীবন। আজ আঘাত, দু’দিন পর ফের ভালোবাসার স্রোতে ভেসে যাবেন। বারবার তাঁকে ক্ষমা করে দেবেন। আর আপনার ভালোবাসাকে হাতিয়ার বারবার উলটোদিকের মানুষটা একই কাজ করে যাবে। একটা সময়ের পর এই আঘাত ও তার পর পাওয়া ভালোবাসার প্রতি আসক্ত হয়ে উঠবেন। আঘাত পাওয়ার পর অপেক্ষা করবেন, কখন সে আবার ভালোবেসে বুকে টেনে নেবে। টক্সিক সম্পর্কের প্রতি অদ্ভুত এক আকর্ষণ তৈরি হবে আপনার। তার হাতের খেলনা হয়ে উঠবেন। তাঁর আঘাতে ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যাবেন, আবার সে চাইলেও হয়ে উঠবেন হাসিখুশি। অর্থাৎ আপনার জীবনের চাবিকাঠি চলে যাবে তাঁর হাতে। চাইলেও এই অমোঘ আকর্ষণের বেড়াজাল ভেঙে বেরতে পারবেন না আপনি, বেরতে দেবে না সঙ্গীও। যদি আপনার সঙ্গেও এমনটা ঘটে থাকে জানবেন, এটা প্রেম নয়, একটা চক্রব্যুহে আটকে পড়েছেন আপনি। যত দ্রুত সময় তা থেকে বেরতে না পারলে শেষ হয়ে যাবেন, তা নিশ্চিত।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘বিয়ে বাতিলের থেকে কেতনকে খুন সহজ ছিল’, পুণে কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি সিয়ার
-
বর্ষা মানেই ভাইরাল সংক্রমণের দাপট! কেন বাড়ে ঝুঁকি, কীভাবে বাঁচবেন?
-
৯৬ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার, বিশ্বকাপে ভিনদেশে ম্যাচ খেলতে যাচ্ছে আয়োজকরা
-
প্লেয়ারদের উদ্দেশে ডিম, পতাকা পোড়ানো! ফিরছে বিশ্বকাপের সবচেয়ে ‘কলঙ্কিত’ ম্যাচের ইতিহাস?
-
নবম শ্রেণির পাঠ্যে এবার এসআইআর! এনসিইআরটি-র সিদ্ধান্তকে স্বাগত বিজেপির, প্রশ্ন বিরোধীদের