Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

পোষ্য অন্তঃসত্ত্বা নয় তো? সহজেই বুঝে নিন এই লক্ষণগুলিতে

প্রেগন্যান্সি নিশ্চিত হলেই বাড়তি যত্ন নিন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৬, ২০২৫, ১৬:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৬, ২০২৫, ১৬:১৫

options
link
পোষ্য অন্তঃসত্ত্বা নয় তো? সহজেই বুঝে নিন এই লক্ষণগুলিতে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শুধু মানবজাতি নয়, প্রতিটি প্রাণীর কাছেই মাতৃত্ব সবথেকে সুন্দর অনুভূতি। গভর্ধারণ থেকে প্রসব পর্যন্ত সময়টা সকলেরই প্রয়োজন বিশেষ যত্ন। কিন্তু পশু-পাখিদের ক্ষেত্রে তো তা বিশেষ সম্ভব হয় না। তবে যাদের বাড়িতে চারপেয়ে সন্তান রয়েছে, তাঁরা চেষ্টা করেন এই সময়টায় সাধ্যমতো যত্ন করার। কিন্তু অনেকক্ষেত্রে বুঝতেই অনেকটা সময় পেরিয়ে যায়। কারণ, লক্ষণ দেখা দিলেও তা যে প্রেগন্যান্সির কারণে, তা প্রথম ধাপে বুঝতেই পারেন না অনেকে। চলুন আজ জেনে নেওয়া যাক কুকুর অন্তঃসত্ত্বা হলে তা বোঝার উপায়।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, প্রেগন্যান্সির শুরুতেই কুকুরদের শরীরে নানারকম পরিবর্তন আসে। হরমোনের পরিবর্তনের কারণে মুড সুইং ও স্তনবৃন্ত বড় হয়ে যাওয়ার মতো পরিবর্তন আসে প্রত্যেকেরই। তবে এটাই কিন্তু গর্ভধারণ নিয়ে নিশ্চিত হওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়। তাহলে? ৯ সপ্তাহ অর্থাৎ ৬৩ দিনের গর্ভধারণকালে নানারকম লক্ষণ দেখা যায়। সেগুলো নজরে রাখলেই সহজেই বুঝতে পারবেন সবটা।

Advertisement

প্রথম থেকে তৃতীয় সপ্তাহ

১. সাধারণত কুকুরদের মধ্যেও মর্নিং সিকনেস দেখা যায়। কেউ অস্বাভাবিক পরিমাণে খাওয়া বাড়িয়ে দেয়। কেউ আবার কমিয়ে দেয়।

২. স্বাভাবিকের তুলনায় শান্ত হয়ে যায়। বিশেষ লাফালাফি বা খেলাধুলো করতে চায় না।

৩. স্তনবৃন্ত গোলাপী ও স্পষ্ট হয়ে যায়।

৪. তবে সাধারণত তৃতীয় সপ্তাহেই দেখে বোঝা যাওয়ার মতো শারীরিক পরিবর্তন হয় না। তবে হলে তাতেও অবাক হওয়ার কোনও কারণ নেই।

উপরের উপসর্গ দেখলে সত্যিই অন্তঃসত্ত্বা কি না নিশ্চিত হতে রক্ষপরীক্ষা প্রয়োজন। এই সময়টা সব থেকে বেশি জটিল। তাই নিশ্চিত হওয়ার আগেও উপসর্গ দেখলেই যত্ন নিন।

চতুর্থ থেকে ষষ্ঠ সপ্তাহ

১. পেট দেখলেই পরিবর্তন বুঝতে পারবেন।
২. ওজন বাড়ে ২০ থেকে ৫০ শতাংশ।
৩. স্তনবৃন্ত আরও বড় হয়। রং গাঢ় হয়।
৪. কাপড় নিয়ে বিছানা তৈরি করার চেষ্টা করতে থাকে। সকলের মাঝে থাকার চেয়ে একা থাকতেই পছন্দ করে এই সময়।
৫. দৌড়ঝাঁপ একদমই বন্ধ করে দেয়।

এই সময়টা চিকিৎসক পেটে হাত দিলেই বুঝতে পারবেন। তবে আলট্রাসাউন্ড করা প্রয়োজন গর্ভস্থ ছানাদের সম্পর্কে জানতে। সেক্ষেত্রে পরিষ্কারভাবে জানতেও পারবেন যে কটি বাচ্চা রয়েছে।

সাত থেকে নয় সপ্তাহ

১. পেটের ভিতরে বাচ্চাদের নড়াচড়া অনুভব করতে পারবেন।
২. শেষ সপ্তাহে খাওয়া একদম কমিয়ে দেয়।
৩. অস্থির হয়ে পড়ে। শরীরে যে অস্বস্তি হচ্ছে তা দেখেই বোঝা যায়।

যদি বুঝতে পারেন প্রসবের সময় এসে গিয়েছে, সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসককে ডাকুন। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করুন। প্রসবের পর মা ও বাচ্চাদের যত্ন নিন। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.