সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসকের হত্যাকাণ্ড নিয়ে তোলপাড়। এই ঘটনার প্রতিবাদে কর্মবিরতিতে শামিল জুনিয়র চিকিৎসকরা। তারই মাঝে এবার ওই হাসপাতালে বিনা চিকিৎসায় রোগী মৃত্যুর অভিযোগ। আর এই ঘটনার পর “পরিষেবা সচল রেখে আন্দোলন চালু রাখা”র আর্জি তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের।
কোন্নগরের বেঙ্গল ফাইন মোড়ে দুর্ঘটনার শিকার হন বিক্রম ভট্টাচার্য নামে ওই যুবক। বিবেক নগর দ্বারিক জঙ্গল বাই লেনে মা ও দিদিমার সঙ্গে ভাড়াবাড়িতে থাকতেন তিনি। শুক্রবার ভোর তাঁর দুই পায়ের উপর দিয়ে লরি চলে যায়। প্রথমে শ্রীরামপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কলকাতায় স্থানান্তরিত করার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। তাঁকে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কুণাল ঘোষের দাবি অনুযায়ী, সকাল ৯টা থেকে বেলা বারোটা পর্যন্ত রোগী পড়েছিলেন। তার পরেও তাঁকে ভর্তি নেওয়া হয়নি। হাসপাতালের তরফে নাকি সাফ জানিয়েও দেওয়া হয়, ডাক্তার না থাকার ফলে অন্য হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে যুবককে।
[আরও পড়ুন: রবিতে ফের ‘রাত দখল’, শিলিগুড়িতে ‘ভোর দখলে’র ডাক টেবিল টেনিস তারকা মান্তুর]
লাগাতার রক্তক্ষরণে ততক্ষণে অবশ্য ওই যুবক প্রায় ঝিমিয়ে পড়েছেন। শেষমেশ রাত ১২টা নাগাদ মৃত্যু হয় তাঁর। X হ্যান্ডেলে একথা উল্লেখ করে তৃণমূল নেতা আন্দোলনের পাশাপাশি চিকিৎসা পরিষেবাও চালু রাখার আর্জি জানান। প্রসঙ্গত, এর আগে সুপ্রিম কোর্ট, কলকাতা হাই কোর্ট এমনকী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের কাজে ফেরার আহ্বান জানান।
সদ্য সন্তানহারা মায়ের একটাই আক্ষেপ, “সঠিক সময়ে চিকিৎসা হলে হয়তো ছেলেটা বেঁচে যেত।” তিনি আরও বলেন, “আর জি করের তরুণী চিকিৎসকের সঙ্গে যা হয়েছে, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। দোষীদের কঠোরতম সাজা হওয়া উচিত। কিন্তু আমাদের মতো গরিব মানুষ সরকারি হাসপাতাল ছাড়া অন্য কোথাও যাওয়ার মতো সামর্থ্য নেই। তাহলে এভাবে বিনা চিকিৎসায় হয়তো ছেলেটাকে মরতে হত না!”
[আরও পড়ুন: সঞ্জয়ের শুনানিতে গরহাজির CBI-এর আইনজীবী,তদন্তকারী অফিসার, ‘জামিন দিয়ে দেব?’, ভর্ৎসনা আাদালতের]
সর্বশেষ খবর
-
ট্রাম্প এবার দয়ালু, কেপ ভার্দে তারকা ভোজিনহার ইচ্ছা পূরণে কঠোর আইন ভাঙছে আমেরিকা
-
কবে রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্সের ফলপ্রকাশ? দিনক্ষণ ঘোষণা বোর্ডের
-
‘নিট’ প্রশ্ন ফাঁস রুখতে টেলিগ্রামই কেন নিষিদ্ধ? চরম বিতর্কে অবস্থান স্পষ্ট করল কেন্দ্র
-
অনলাইনে দিতেই হবে হাজিরা, বাংলাদেশে নেটওয়ার্ক পেতে গাছে চড়ে বসলেন প্রধান শিক্ষক
-
পদ ছেড়েছিলেন পবিত্র ও স্ত্রী! নন্দীগ্রামের সেই পঞ্চায়েতের প্রধান হলেন বিজেপি সদস্য