Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Kolkata Police

ধন্যি যুগলবন্দি, বিয়ের খরচ তুলতে হবু জামাইয়ের পরামর্শ, টাকা-গয়না চুরি করল ভাবী শাশুড়ি!

বাড়ির মালিকের অভিযোগের ভিত্তিতেই দক্ষিণ কলকাতার পাটুলি থানার পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয় ওই বাড়িরই পরিচারিকার হবু জামাই রোহন বল।

Advertisement
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৩, ২০২৬, ০০:০০

link
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৩, ২০২৬, ০০:০০

options
link
ধন্যি যুগলবন্দি, বিয়ের খরচ তুলতে হবু জামাইয়ের পরামর্শ, টাকা-গয়না চুরি করল ভাবী শাশুড়ি! zoom
প্রোমোটারকে মারধরের অভিযোগ, এবার পুলিশের জালে দেবরাজ চক্রবর্তীর ছায়াসঙ্গী

মেয়ের বিয়ের খরচ রয়েছে। উপায় বাতলে দিল হবু জামাই। আর হবু জামাইয়ের পরামর্শেই অসুস্থ মালিকের আলমারির লকার থেকে গয়না চুরি করে ভাবী শাশুড়ি। এমনকী, সুযোগ বুঝে তুলে নেয় কয়েক লাখ টাকাও। শেষপর্যন্ত বাড়ির মালিকের অভিযোগের ভিত্তিতেই দক্ষিণ কলকাতার পাটুলি থানার পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয় ওই বাড়িরই পরিচারিকার হবু জামাই রোহন বল।

পুলিশ জানিয়েছে, গত ২০১৪ সাল থেকে স্নায়ুজনিত সমস‌্যায় ভুগছেন বাড়ির মালিক। তখন থেকেই তাঁর দেখভাল করত নমিতা ভট্টাচার্য নামে এক পরিচারিকা। ২০২৪ সালে হাসপাতালে ভর্তি হন ওই রোগী। বাড়িতে সবসময় কেউ থাকতেন না। তাই পরিবারের অন‌্যরাও নমিতার উপরই তাঁর আর্থিক লেনদেনেরও ভার দেন। হাসপাতালের বিল মেটানো থেকে শুরু করে ব‌্যাঙ্কের লেনদেনেও দায়িত্ব নেয় নমিতা। বাড়ির প্রৌঢ় মালিক শুধু চেকে সই করে দিতেন। চেকে টাকার সংখ‌্যা লিখে তা তুলে নিয়ে আসত নমিতাই। বাড়ির লকারের আলমারির চাবিও ছিল নমিতার কাছে। এর মধ্যেই মেয়ের বিয়ের সময় হয়।

Advertisement

নমিতার মেয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল রোহন বল নামে ওই যুবকের। মেয়ের বিয়ের জন‌্য লাগবে খরচ। সেই খরচ নিয়ে মেয়ে আর হবু জামাইয়ের সঙ্গে আলোচনায় বসে নমিতা। আর সেই উপায় বাতলে দেয় হবু জামাই রোহন। সে ভাবী শাশুড়িকে পরামর্শ দেয়, সুযোগ বুঝে বাড়ি থেকে টাকা ও গয়না চুরি করতে। প্রথমে নমিতা দোনামনা করলেও পরে রাজি হয়ে যায়। লকারের চাবি তার কাছে থাকার কারণে সে আলমারির লকার খুলে ৬৫ গ্রাম সোনার গয়না হাতিয়ে নেয়। তা তুলে দেয় হবু জামাইয়ের হাতে। ব‌্যাঙ্কে গিয়ে মালিকের সই করা চেক নমিতা রোহনকে দেয়। রোহন ব‌্যাঙ্ক থেকে তুলে নেয় ৩ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা। কিন্তু কিছুটা সুস্থ হয়ে যাওয়ার পর ব‌্যাঙ্ক থেকে মেসেজ পান। জানতে পারেন, তাঁর অজান্তেই তুলে নেওয়া হয়েছে টাকা। বাড়ি ফিরে দেখেন, আলমারি থেকে উধাও সোনার গয়না।

তিনি পরিচারিকাকে প্রশ্ন করার পরই উধাও হয়ে যায় সে। তিনি পাটুলি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ ব‌্যাঙ্কের সিসিটিভির ফুটেজ ও পরিচয়পত্রের মাধ‌্যমে তদন্ত করতে শুরু করে। তাতেই রোহন বলের ঠিকানা খুঁজে পান পুলিশ আধিকারিকরা। রোহনকে গ্রেপ্তার করে তার ভাবী শাশুড়ির সন্ধান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.