Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
Hospital

ভুলত্রুটির নালিশ কোথায় জানাবে আমজনতা? ঠিক করতে হবে অভিযুক্ত হাসপাতালকেই, কড়া নির্দেশ রাজ্যের

প্রবেশ পথে চোখে পড়ার মতো জায়গায় তাদের লিখে রাখতে হবে অভিযোগ জানানোর বিবরণী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৩, ২০২৬, ১৪:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৩, ২০২৬, ১৪:৩৯

options
link
ভুলত্রুটির নালিশ কোথায় জানাবে আমজনতা? ঠিক করতে হবে অভিযুক্ত হাসপাতালকেই, কড়া নির্দেশ রাজ্যের zoom
ভুলত্রুটির নালিশ কোথায় জানাবে আমজনতা? ঠিক করতে হবে অভিযুক্ত হাসপাতালকেই
Advertisement

বেসরকারি হাসপাতালের অতিরিক্ত বিল, কিংবা চিকিৎসায় গাফিলতির নালিশ আমজনতা কোথায় জানাবেন, তা বলে দিতে হবে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালকেই। প্রবেশ পথে চোখে পড়ার মতো জায়গায় তাদের লিখে রাখতে হবে অভিযোগ জানানোর বিবরণী। কড়া নির্দেশিকা জারি করল পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রক কমিশন।

নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, “কমলা রঙের ব্যানারে প্রতিটি বেসরকারি হাসপাতালে চোখে পড়ার মতো জায়গায় লাগাতে হবে ব্যানার-পোস্টার। বাংলা এবং ইংরেজি দুই হরফেই লিখতে হবে ব্যানার।” এই নির্দেশ পাওয়ার পর দ্রুত সেই ব্যানার টাঙিয়ে প্রমাণ হিসাবে তা পাঠাতে হবে রাজ্য স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রক কমিশনে। রাজ্য স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রক কমিশনের চেয়ারম্যান প্রাক্তন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু জানিয়েছেন, “দায়িত্ব নেওয়ার পর কমিশনের প্রাথমিক লক্ষ্য সাধারণ মানুষের কাছে আরও বেশি করে পৌঁছে যাওয়া। প্রয়োজনে পোস্টারিং করা হবে। যেখানে বলা হবে বেসরকারি হাসপাতাল-নার্সিংহোমের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানোর একটা জায়গা আছে।”

Advertisement

রাজ্য স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রক কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছে, ছোট-মাঝারি নার্সিংহোমের সংগঠন ‘অ্যাসোসিয়েশন অফ প্রাইভেট হসপিটাল অ্যান্ড নার্সিং হোম’। সংগঠনের পক্ষ থেকে সম্পাদক ডা. রাজীব পাণ্ডে জানিয়েছেন, প্রতিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসকদেরও নিরাপত্তা দিতে হবে। বিগত সরকারের আমলে রাজ্যের স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে হিংসার ঘটনা ও আক্রান্ত সংখ্যা জানতে পুলিশের কাছে আরটিআই করা হলেও উপযুক্ত উত্তর মিলত না। নতুন সরকারের আমলে সমস্ত চিকিৎসাকেন্দ্রে নিরাপত্তা আরও কঠোর এবং সুনিশ্চিত করতে হবে। রাজ্যে পালাবদল হলেও ছেদ পড়েনি চিকিৎসক নিগ্রহে।

সম্প্রতি মালদার রতুয়া গ্রামীণ হাসপাতালে ভাঙচুর করেছেন মৃতের পরিজন। গায়ে হাত তোলা হয় চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদেরও। বঙ্গে চিকিৎসকদের সর্ববৃহৎ সংগঠন ওয়েস্ট বেঙ্গল ডক্টরস ফোরামের পক্ষ থেকে ডা. কৌশিক চাকি জানিয়েছেন, আমজনতার হয়রানির দায় যেমন বেসরকারি হাসপাতালের। প্রতিটি হাসপাতালের নিরাপত্তার দায় নিতে হবে সরকারকে। প্রতিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মোতায়েন করতে হবে প্রশিক্ষিত নিরাপত্তাকর্মী। বাড়াতে হবে পুলিশি নজরদারি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.