স্টাফ রিপোর্টার: স্কুলে স্কুলে রাজ্য সঙ্গীত ‘বাংলার মাটি, বাংলার জল’ গাওয়া নিয়ে জিটিএ-র সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি নেই বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। বাংলার কৃষ্টি-সংস্কৃতি বজায় রাখতে রাজ্যজুড়েই প্রতিটা স্কুলে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা গানটি গাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য। পাহাড়ের স্থানীয় জিটিএ প্রশাসনের কয়েকজন প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত মানতে চাননি বলে প্রথমে জানা যায়।
তবে শিক্ষামন্ত্রী বিষয়টি পুরো গুজব বলে জানান। স্পষ্ট করে দেন, ভুল বোঝাবুঝির বিষয় নেই। স্থানীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির গুরুত্বকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত। শিক্ষামন্ত্রী এক্স হ্যান্ডলে জানিয়েছেন, তিনি জিটিএ প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং আলোচনা করেছেন। যে কোনও মূল্যে অখণ্ডতা রক্ষার কথা মাথায় রেখে রাজ্য সঙ্গীত স্কুলের প্রার্থনা সভায় গাওয়া হবে।
মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুমত্যানুসারে, এখন থেকে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি সরকার ও সরকার পোষিত বিদ্যালয়ে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৯০৫ সালে রচিত বিখ্যাত “বাংলার মাটি বাংলার জল” গানটি বিদ্যালয়ের প্রারম্ভে প্রার্থনা সঙ্গীত হিসেবে গাওয়ার জন্য অনুমোদিত হল। কবি… pic.twitter.com/eUGcdWrXdL
— Bratya Basu (@basu_bratya) November 7, 2025
সকালের প্রার্থনার সময় রাজ্য সঙ্গীত গাওয়ার বিষয়ে জিটিএ কর্তৃপক্ষ তাদের মতামত প্রকাশ করেছে। বিষয়টি নিয়ে জিটিএ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। তারা একটি পরামর্শ দিয়েছে যাতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে যে, স্কুলগুলিতে সকালের প্রার্থনা পরিচালনার সময় স্থানীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির গুরুত্ব বিবেচনা করা উচিত। এখানে কোনও ভুল বোঝাবুঝি নেই।
সর্বশেষ খবর
-
৫ জুন ২০২৬: বৃষ রাশির আজকের দিন
-
বদলে যাবে সোদপুর ও খড়দহ স্টেশনের নাম! রেলমন্ত্রকে প্রস্তাব মন্ত্রী কল্যাণ চক্রবর্তীর
-
অধিনায়কত্ব খোয়াচ্ছেন সূর্যকুমার, ভারতের নতুন টি-২০ অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার!
-
এই ৬ আন্তর্জাতিক গন্তব্যে স্থগিত ইন্ডিগোর বিমান পরিষেবা! বড় সিদ্ধান্ত দেশের বৃহত্তম উড়ান সংস্থার
-
প্রয়াত ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রধান কার্যনির্বাহী কর্তা নারায়ণ বসু