Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৩ জুন ২০২৬
Cyber fraud

ভুয়ো লগ্নি অ্যাপে ৩০০ কোটির সাইবার জালিয়াতি! পুলিশের নজরে শিল্পপতি

অভিযোগ, প্রতারণার অর্থ ওই শিল্পপতি ও তাঁর সংস্থার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট মারফত সরানো হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১০, ২০২৫, ০৮:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১০, ২০২৫, ০৮:৫৭

options
link
ভুয়ো লগ্নি অ্যাপে ৩০০ কোটির সাইবার জালিয়াতি! পুলিশের নজরে শিল্পপতি zoom
প্রতীকী ছবি

স্টাফ রিপোর্টার: ৩০০ কোটি টাকার সাইবার অপরাধের মামলায় পুলিশের নজরে এক শিল্পপতি। রাজ্য পুলিশের অভিযোগ, ভুয়ো লগ্নি অ্যাপ-সহ একাধিক পদ্ধতিতে এই রাজ্য-সহ সারা দেশে হাজারের উপর ব্যক্তি সাইবার প্রতারণার শিকার। ওই প্রতারণার টাকার একটি অংশ শহরের ওই শিল্পপতি, তাঁর সংস্থা ও পরিবারের লোকেদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সরানো হয়েছে বলে অভিযোগ এসেছে পুলিশের কাছে। এনিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। যে তথ্যগুলি উঠে এসেছে, সেগুলি পুলিশ যাচাই করছে। পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, তদন্তের জন্য শহরে ওই শিল্পপতির বাড়িতেও যান গোয়েন্দারা। ওই শিল্পপতির পরিবারের কয়েকজন ও তাঁর সংস্থার কয়েকজন আধিকারিককে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদও করছে বলে জানিয়েছে পুলিশের সূত্র।

পুলিশ জানিয়েছে, এই রাজ্যের বেশ কিছু সাইবার অপরাধের তদন্ত করতে গিয়ে রাজ্য পুলিশের সাইবার গোয়েন্দাদের হাতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আসে। গোয়েন্দারা জানতে পারেন যে, লগ্নির নামে সোশাল মিডিয়া ব্যবহার করে, আবার কখনও বা ডিজিটাল গ্রেপ্তারির নামে ভয় দেখিয়ে ও অন্য বেশ কয়েকটি পদ্ধতিতে হয়েছে সাইবার জালিয়াতি। এই রাজ্য-সহ দেশের হাজারেরও বেশি ব্যক্তি সাইবার জালিয়াতদের ফাঁদে পা দিয়েছেন। আর জালিয়াতির কয়েকশো কোটি টাকা ঘুরপথে বেশ কিছু সংস্থার অ্যাকাউন্টে গিয়েছে। সাইবার জালিয়াতরা বিপুল টাকা বিশেষ কয়েকটি অ্যাকাউন্টে পাঠায়। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ওই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলি থেকে টাকা পৌঁছে যায় অন্য অ্যাকাউন্টে। ওই অ্যাকাউন্টগুলি ভুয়া কোম্পানির নামে তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আবার ওই সাইবার জালিয়াতির একটি অংশ ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে বিদেশেও পাচার করা হয়েছে, এমন তথ্যও আসে গোয়েন্দা পুলিশের হাতে। পুলিশের দাবি, এই তদন্ত করতে গিয়েই একটি বেসরকারি সংস্থার হদিশ মেলে। ওই বিশেষ সংস্থা ও তার কয়েকটি শাখা সংস্থার নামেই ১১টি অ্যাকাউন্ট রয়েছে। ওই ১১টি অ্যাকাউন্টেই বিপুল টাকার লেনদেন মিলেছে। তদন্তে পুলিশের অভিযোগ, শুধু এই ১১টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে লেনদেন হয়েছে ৯৭ কোটি টাকা। সঙ্গে দেশজুড়ে ৫৪৪টি সাইবার অপরাধের যোগ রয়েছে বলে পুলিশের কাছে খবর। ওই টাকার একটি অংশের সঙ্গে ওই শিল্পপতি ও তাঁর পরিবারের লোক এবং সংস্থার যোগ রয়েছে কি না, পুলিশ তা খতিয়ে দেখছে।

পুলিশের কাছে অভিযোগ এসেছে, অন্তত ২৩টি সাইবার জালিয়াতির অভিযোগের টাকা শিল্পপতি ও তাঁর পরিবারের লোকেদের অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে পাচার হয়েছে। যদিও ওই তথ্য গোয়েন্দা পুলিশ যাচাই করছে। সাইবার অপরাধের টাকা সরানোর ক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে ১৪৭ টি সংস্থার নাম উঠে এসেছে। এর মধ্যে ৭৩ টি সংস্থা মধ্য কলকাতার বড়বাজার এলাকার একটি ঠিকানার। বাকি অফিসগুলির ঠিকানা শহরের অন্যান্য জায়গায়। গোয়েন্দাদের অভিযোগ, এখনও পর্যন্ত তিনশো কোটি টাকা সাইবার জালিয়াতিতে দেশজুড়ে প্রায় ১৪০০টি সংস্থা ও ভুয়ো সংস্থার হদিশ মিলেছে। ওই সংস্থাগুলি যাদের নামে, তাদের সন্ধান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.