সরকারি কর্মীদের বার্তা শুভেন্দুর
আপনাদের আন্দোলনের আমিও একটা পার্ট ছিলাম। আপনারা নিশ্চিত থাকতে পারেন টাকা পেয়ে যাবেন। বন্ধু হিসাবে কথা দিচ্ছি আমরা কেন্দ্র-রাজ্য ডিএ সমান করে দেব। বিপুল ঋণের বোঝা সামলে এগোতে হচ্ছে। পুজোর মাসেই অ্যাডভান্স পেয়ে যাবেন। স্বপন দাশগুপ্তর আরেকটি বাজেট পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। সপ্তম পে কমিশন লাগু হবে আগামী অর্থবর্ষে।
মহিলাদের জন্য বিশেষ বরাদ্দ
নারীশক্তি, দেবীশক্তিতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। স্কুলছুট আটকাতে বিশেষ উদ্যোগ। কলেজ পড়ুয়াদের জন্য অর্থবরাদ্দ। প্রসূতিদের জন্য ২১ হাজার টাকা আর্থিক বরাদ্দ। সরকারি বাসে মহিলাদের নিখরচে যাত্রায় পিঙ্ক কার্ড তৈরি করা হয়েছে। পুজোর আগেই ১৬ হাজার কনস্টেবল নিয়োগ। ওবিসি কাঁটায় আটকে ছিল। অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়াদের জন্য বিশেষ বরাদ্দ।
দুর্গাপুজোর বিশ্বজনীন পর্যটন ব্র্যান্ডিং
দুর্গাপুজোকে ঘিরে বিশ্বজনীন পর্যটন ব্র্যান্ডিং। কঙ্কালীতলা, কালীঘাট, তারাপীঠ, মদনমোহন মন্দিরের সংরক্ষণ ও প্রসারের বন্দোবস্ত। শ্রীশ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু তীর্থযাত্রা সার্কিট ও শক্তিপীঠ সার্কিট গড়ে তোলা হবে। দার্জিলিংকে ইকো অ্যাডভেঞ্চার পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। ঝাড়গ্রাম চিড়িয়াখানায় টাইগার সাফারি।
বাজেট পেশের আগে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য
অর্থমন্ত্রী বলেন, "মানুষ একটা বড় প্রত্যাশা নিয়ে অপেক্ষা করছে। রাজ্যের ভাণ্ডারে কতটা টাকা আছে, সেটা ভেবেচিন্তেই, একটা ব্যালেন্স করতে হবে।" তাঁর কথায়, "মানুষ যাতে রোজগার করতে পারে, শিল্পের উন্নয়ন হতে পারে, আমাদের লক্ষ্য হবে আধুনিক প্রোগ্রেসিভ অর্থনৈতিকভাবে বাংলা তৈরি করা।"