Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৪ জুন ২০২৬
আসল-নকল দ্বন্দ্ব
West Bengal Assembly

বিধানসভায় তৃণমূলের আসল-নকল দ্বন্দ্ব, কুণালকে কী কথা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু?

তোমাদের কোনটা আসল, কোনটা নকল, কোনটা শুধুই জবরদখল...

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০২৬, ২০:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০২৬, ২০:৩৩

options
link
বিধানসভায় তৃণমূলের আসল-নকল দ্বন্দ্ব, কুণালকে কী কথা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু? zoom
ফাইল ছবি।

‘তোমাদের কোনটা আসল, কোনটা নকল, কোনটা শুধুই জবরদখল, তোমরা নিজেই জানো না!’ রাজ্য রাজনীতির, বলা ভালো প্রধান বিরোধী দল তৃণমূলের বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থা দেখলে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের এই বিখ্যাত গানটি মনে পড়তে বাধ্য। তৃণমূলের এখন কে যে আসল, আর কে নকল সেটা বোঝা রীতিমতো দুষ্কর। এদিন বিধানসভাতেও এই নতুন-পুরাতন দ্বন্দ্বের বাইরে বেরোতে পারল না তৃণমূলের দুই শিবির। আর তাতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী যে রীতিমতো আমোদ পেয়েছেন, সেটা তাঁর হাবেভাবেই বোঝা যাচ্ছিল।

এদিন রাজ্যপালের জবাবি ভাষণে কালীঘাট তৃণমূলের তরফে কুণাল ঘোষ বক্তৃতা করার সময় তাঁকে যেমন সরকার পক্ষ বাধা দেয়, তেমন বাধা দেন ঋতব্রতরাও। পালটা কুণাল বলে দেন, “রাজ্য সরকার নারী নিরাপত্তায় জিরো টলারেন্সের কথা বলছে, তাহলে একজন ধর্ষণে অভিযুক্তকে কেন বিরোধী দলনেতা করা হল?” স্পষ্টতই তাঁর নিশানায় ছিলেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। আবার ঋতব্রত নিজে ভাষণ দেওয়ার সময়, বর্তমান সরকারের মৃদুসুরে সমালোচনা করলেন বটে, একই সঙ্গে বিধানসভায় দাঁড়িয়ে মমতার করা অতীতের মন্তব্যেরও নিন্দা করতে শোনা গেল তাঁকে। এক মুহূর্তে ভাষণ শুনলে মনেই হবে না তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের বিধায়ক।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এ তো গেল দুই শিবিরের নিজেদের আকচাআকচি। মুখ্যমন্ত্রী ভাষণের সময় ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা বলে সম্বোধন করলেন। আবার মমতাকে তাঁর নেত্রী হিসাবে সম্বোধন করলেন। ঋতব্রত যে মমতাকে আর নিজের নেত্রী বলে মানেন না, সেটা গত কয়েকদিনে একাধিকবার স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি। এমনকী একদিন আগেই তৃণমূলের যে তথাকথিত বিশেষ অধিবেশন তিনি ডেকেছিলেন তাতে দলের চেয়ারপার্সনের পদ থেকে মমতাকে সরিয়ে দেন। ফলে মমতার উদ্দেশে যে কটাক্ষের বাণ মুখ্যমন্ত্রী ছুঁড়ছিলেন, তাতে বোধ হয় বিশেষ বিচলিত হননি মুখ্যমন্ত্রী। পরে তাঁর ভাষণ চলাকালীন তৃণমূল নেতাদের নিশানা করলে ঋতব্রতরা বিধানসভা কক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যান।

মুখ্যমন্ত্রী যখন বললেন, তৃণমূল জমানায় সব দুর্নীতির তদন্ত হবে। দুর্নীতিতে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি নিচ্ছে। তখন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ উঠে দাঁড়িয়ে বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর এই অবস্থানকে পূর্ণ সমর্থন করি। কিন্তু যারা আচমকা তৃণমূলের সঙ্গে ঝগড়া করে ভালো তৃণমূল সাজছেন, তাঁদের কাউকে ছাড়বেন না।” এবারেও তাঁর নিশানায় ছিলেন ওই ঋতব্রতরাই। এবং খানিক চমকপ্রদভাবে কুণালের ওই আর্জিতে সাড়াও দেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “আমি কথা দিচ্ছি, যদি আপনাদের কাছে ওই নেতাদের বিরুদ্ধে চাল চুরি, ত্রিপল চুরির মতো কোনও নির্দিষ্ট অভিযোগ থাকে তাহলে আমাদের জানান। আমরা ব্যবস্থা নেব।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.