ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাইভোল্টেজ সভা (PM Modi Brigade Rally)। সভায় বক্তব্যে চমক ও গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা থাকবে বলে গুঞ্জন। গতকাল, শুক্রবার রাত থেকেই কলকাতার উদ্দেশে দূরদূরান্ত থেকে রওনা হন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। এদিন সকাল থেকে ব্রিগেডমুখী গেরুয়া শিবির। তবে কলকাতায় পা রাখার আগেই মোদি ফের রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের নিশানায়। রান্নার গ্যাস থেকে এসআইআর ইস্যু হয়ে কেন্দ্রের থেকে বাংলার পাওনা অর্থ- ‘পঞ্চবাণ’ ছুড়ল তৃণমূল কংগ্রেস। বাংলায় এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হয়েছে। নতুন করে ৬০ লক্ষ মানুষের নাম বিচারের আওতায়। এসআইআরে কত বাংলাদেশি-রোহিঙ্গাকে শনাক্ত করা গেল? সেই প্রশ্ন আরও একবার রাখল তৃণমূল। মোদির উদ্দেশ্যে করা হল পাঁচটি প্রশ্ন।
এই বিষয়ে আরও খবর
এক্স হ্যান্ডেলে এই তৃণমূল কংগ্রেসের পেজ থেকে ওই প্রশ্ন রাখা হয়েছে। এসআইআরে ৬৩ লক্ষ নাম প্রথমে বাদ দেওয়া হয়েছে। পরে বিচারের আওতায় আনা হয়েছে বাংলার আরও ৬০ লক্ষ ভোটারকে। এসআইআর আতঙ্কে প্রায় ২০০ নিরাপরাধ মানুষের প্রাণ গিয়েছে! সেই প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তৃণমূলের প্রশ্ন SIR-এর মাধ্যমে আসলে কতজন বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গাকে শনাক্ত করা হয়েছে? মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আঁচ এসে পড়েছে দেশের সাধারণ মানুষের হেঁসেলেও। আগেই গার্হস্থ ও বাণিজ্যিক রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডারের দাম একলাফে বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। এরপর গোঁদের উপর বিষফোঁড়ার মতো এখন রান্নার গ্যাসের রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডারই পাওয়া যাচ্ছে না! মানুষজন ফের সিলিন্ডার পেতে গ্যাসের অফিসগুলোতে লাইন দিচ্ছে।
Since the Political Tourist @narendramodi is once again “gracing” Bengal with his presence today, here are five questions we know he doesn’t have the guts to answer:
❓ After deleting 63 lakh names, putting 60 lakh more under adjudication, and claiming nearly 200 innocent lives,… pic.twitter.com/WaqKwFuoOa
— All India Trinamool Congress (@AITCofficial) March 14, 2026
যদিও প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পরও এমন অবস্থা কেন? অনিয়ন্ত্রিত এলপিজির দাম বৃদ্ধি এবং ভয়াবহ সরবরাহ সংকটের কারণে দরিদ্র ও দুর্বল পরিবারগুলি কেন খাদ্যহীন হয়ে পড়ছে? বিশ্বব্যাপী অস্থিরতা সত্ত্বেও কেন কোনও কৌশলগত মজুদ নেই? সেই প্রশ্ন তুলেছে বাংলার শাসকদল। রাজ্যের পাওনা টাকা এখন আটকে রেখেছে দিল্লি। কেন বাংলার ১.৯৬ লক্ষ কোটি পাওনা টাকা দেওয়া হচ্ছে না? সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেও কেন্দ্রীয় সরকার বাংলায় মনরেগা পুনরায় চালু করতে ব্যর্থ? সেই প্রশ্নও করা হয়েছে।
বিজেপিশাসিত রাজ্যগুলিতে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের হেনস্থা করার অভিযোগ উঠছে এখনও। বাংলায় কথা বলার জন্য ‘বাংলাদেশি দাগিয়ে’ মারধর, আটক করা হচ্ছে! বাংলাদেশে পাঠানোর পাশাপাশি খুন কেন করা হচ্ছে? সেই ইস্যুতেও মোদির উদ্দেশ্যে প্রশ্ন রাখা হয়েছে। বাংলার মণীষীদের কেন প্রধানমন্ত্রী-সহ বিজেপির নেতারা অপমান করছেন? সেই প্রশ্নও করা হচ্ছে।
রাজ্যের পাওনা টাকা এখন আটকে রেখেছে দিল্লি। কেন বাংলার ১.৯৬ লক্ষ কোটি পাওনা টাকা দেওয়া হচ্ছে না? সেই প্রশ্ন আরও একবার তুলেছে বাংলার শাসকদল।
এদিকে ব্রিগেডে সভার আগে ‘গো ব্যাক মোদি’ হোর্ডিংয়ে ঢাকে গোটা কলকাতা। গতকাল, শুক্রবার শহরের নানা প্রান্তে দেখা গিয়েছে এমন হোর্ডিং। কে বা কারা হোর্ডিং দিয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। কারণ, তাতে কোনও দল কিংবা ব্যক্তির নামোল্লেখ করা নেই। তাই স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও জোরাল হয়েছে। তবে কেউ কেউ বলছেন, তৃণমূল ‘বয়কট বিজেপি’ স্লোগান দিয়ে যে লোগো প্রচার করেছে। তার সঙ্গে হুবহু মিল হোর্ডিংয়ে থাকা ‘বয়কট বিজেপি’ লোগোয়। যদিও এই বিষয়ে শাসক শিবিরের কারও তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
দিল্লিতে মোদির সঙ্গে বৈঠকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট, হরমুজ হাহাকার কাটিয়ে মিলবে জ্বালানি সমাধান?
-
প্রয়াত পদ্মশ্রী সাহিত্যিক রবিলাল টুডু, রোগভোগের পর না ফেরার দেশে ‘বীর বীরসা’র স্রষ্টা
-
বিশ্বকাপের আগে ‘অমানবিক’ ফিফা! দর্শকদের ভোগান্তি বাড়তে পারে এই সিদ্ধান্তে
-
দাউদ ইব্রাহিমের হাড়হিম হুমকি, ‘তোর খেলা শেষ’, আইপিএলের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা শোনালেন ললিত
-
ভেঙে খানখান সাধের দল! ‘বিদ্রোহী’দের ফেরাতে জনে জনে ফোন করছেন মমতা



