বাংলায় এবার বিজেপির সরকার গড়বে বলে দাবি করেছেন মোদি-শাহ জুটি। সঙ্গে বলেছেন ভয় তাড়িয়ে ভরসার কথা। পাল্টা তৃণমূল বিজেপি ‘ফ্লপ জ্যোতিষের পার্টি’ বলে তোপ দেগে বলেছে, “বাংলা ভরসা করে শুধু তার মেয়ের উপর।”
এই বিষয়ে আরও খবর
শনিবার বিজেপির দুই জাতীয় নেতা একদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অন্যদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দাবি করেন, বাংলায় এবার তাঁদের সরকার হবে। যার জবাব দিতে গিয়ে তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষের বক্তব্য, “ওই আশাতেই থাকুন। আগেরবার ২০০ পার বলে ৭৭। এবার ২০২৬-এ ২৬ পাবেন। লোকসভা ভোটের সময় বলেছিলেন সাংসদ সংখ্যা বাড়বে। উল্টে কমেছিল। এইসব নেতাদের সঙ্গে বাংলার কোনও সম্পর্ক নেই। এটা ফ্লপ জ্যোতিষীদের পার্টি। যা বলে তার কিছুই মেলে না।” ইতিমধ্যে দলীয় ইস্তাহার প্রকাশ করেছেন শাহ। যা নিয়ে কুণালের তোপ, “বিজেপি মুখে যা দেবে বলছে সেগুলো নিজেদের রাজ্যে আগে দেয়নি কেন? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, দিচ্ছেন। এরা আবার তার সমালোচনা করছে। আবার এখন এসে সেগুলোই দেবে বলছেন।”
এই প্রসঙ্গেই বিজেপির ভয়ের বদলে ভরসার স্লোগানের পাল্টা কুণালের বক্তব্য, “বাংলা ভরসা করে বাংলার মেয়ের উপর। বাংলা সম্পর্কে কিছু না জেনে কুৎসা করতে এসেছেন। আবার হার হবে, যা আগে হয়েছে, তাই হবে। এত আধিকারিক সরানো, সেনাবাহিনী এনে বসিয়ে রাখা। পহেলগাঁওতে এত আধাসেনা থাকলে পর্যটকেরা মারা যেত না। ভয়ের পরিবেশ তো আপনারা তৈরি করছেন। সেই ভয় ভেঙে বাংলার মানুষ বাংলার মেয়ের উপর ভরসা করছে।”
সিন্ডিকেট নিয়ে তৃণমূলকে বিঁধতে গিয়ে পাল্টা প্রশ্নের মুখে পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। কুণালের জবাব, “আগে বলুন গুজরাতে, মহারাষ্ট্রে সেতু কেন ভাঙল? আর বামফ্রন্ট সরকারের সঙ্গে তৃণমূলের তুলনা করবেন না। বাংলার সর্বকালের সন্ত্রাসের ঘটনা সিপিএম জমানায় হয়েছে। রশিদ খানের বাড়িতে আরডিএক্স বিস্ফোরণ, শতাধিক হতাহত। একের পর এক গণহত্যা, গণধর্ষণ। বাংলা এখন ভালো আছে, অন্য রাজ্যের বিজেপি সরকারের থেকে ভালো আছে।” মহিলা নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেও তৃণমূলের সমালোচনার মুখে পড়েছেন। কুণালের কথায়, “নারী নিরাপত্তা নিয়ে যা বলছে সেসব নিজেদের রাজ্যে করে দেখাক। বামেদের সময় রাজ্যের অবস্থা ভয়াবহ ছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করে দেখিয়েছেন। বিজেপি রাজ্যে উন্নাও, হাতরাস, প্রয়াগরাজ, উন্নাও, মণিপুরে প্রত্যেক দিন এই ধরনের ঘটছে। সাংসদ ব্রিজভূষণকে সঙ্গে নিয়ে বসেছিলেন। সোনার মেয়েরা তো কতদিন বসেছিলেন রাস্তায়। টেনে হিঁচড়ে নিয়ে গেছে।”
দুর্নীতির প্রশ্নে তৃণমূলের তোপ, “যাদের চোর ডাকাত বলে তাদের কিছুদিন পরেই পাশে নিয়ে বসে। আবার কখনও তাদের মুখ্যমন্ত্রী, উপমুখ্যমন্ত্রী করে। আর একটা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে সামলাতে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, অন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের ডেলি প্যাসেঞ্জারি করেন। এখানেই হেরে বসে আছেন।”
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
‘তুষ্টিকরণে চাপা পড়েছিল উন্নয়ন’, সনাতনীদের অনুষ্ঠানে বাংলার ইতিহাস স্মরণ শুভেন্দুর
-
মেয়রের ইস্তফার পরেই বিধাননগর পুরনিগমে বসল প্রশাসক, হাওড়া পুরসভাতেও নয়া কমিশনার
-
তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য, ‘চোর’ স্লোগান জনতার
-
ঝড়-বৃষ্টি, হড়পা বানে বিপর্যস্ত উত্তরের বিস্তীর্ণ এলাকা, সিকিমে ভূমিধসে মৃত ১, নিখোঁজ ৪
-
বঙ্গে সাংগঠনিক রদবদলের পথে বিজেপি, দিল্লিতে শমীক-বনসল দীর্ঘ বৈঠক



