Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
WB Election 2026

সোমে ইভিএম কারচুপির আশঙ্কা মমতার! মঙ্গলেই ‘সিস্টেমেটিক রিগিং’ নিয়ে কড়া বার্তা জ্ঞানেশের

সোমবার ধরনা মঞ্চ থেকে ইভিএমে কারচুপি হতে পারে বলে আশঙ্কাপ্রকাশ করেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিকতরজা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১০, ২০২৬, ১৬:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১০, ২০২৬, ১৬:৪৯

options
link
সোমে ইভিএম কারচুপির আশঙ্কা মমতার! মঙ্গলেই ‘সিস্টেমেটিক রিগিং’ নিয়ে কড়া বার্তা জ্ঞানেশের zoom
আজই সংসদে জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে অনাস্থা বিরোধীদের। ফাইল ছবি।
Advertisement

গত মহারাষ্ট্র এবং বিহার নির্বাচনের সময় থেকে একাধিকবার নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ‘ভোটচুরি’ নিয়ে সরব হয়েছে বিরোধীরা। এমনকী ইভিএমে কারচুপি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ। সামনেই বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই সোমবার ধরনা মঞ্চ থেকে ইভিএমে কারচুপি হতে পারে বলে আশঙ্কাপ্রকাশ করেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা। যদিও এই বিষয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বার্তা, কোনও প্রার্থী চাইলে নির্বাচনের পর সাতদিনের মধ্যে ইভিএম পরীক্ষা করানো যাবে। এমনকী নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং ‘সিস্টেমেটিক রিগিং’ রুখতে এদিন একগুচ্ছ পদক্ষেপের কথাও ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।

এদিন শহরের একটি পাঁচতারা হোটেলে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানান, অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট করানোটাই কমিশনের লক্ষ্য। এমনকী গোটা ভোট প্রক্রিয়া স্বচ্ছতার সঙ্গে করা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন, ”ভিভিপ্যাটের সঙ্গে ইভিএমের তথ্যে কোনও যদি গরমিল দেখা যায়, তাহলে তা পরীক্ষা করে দেখা হবে। আর তা পুরোটাই কাউন্টিং এজেন্টের সামনে করা হবে” শুধু তাই নয়, ভোট গণনার পর কোনও পরাজিত প্রার্থী যদি মনে করেন তাহলে ইভিএম পরীক্ষা করাতে পারবেন। আর এজন্য সাতদিনের মধ্যে আবেদন করা যাবে বলে জানানো হয়েছে।

Advertisement

এছাড়াও প্রতি দু’ঘণ্টা অন্তর ভোটের হার প্রকাশ করা হবে বলেও জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। তাঁর কথায়, ”দু’ঘণ্টা অন্তর যে ভোটের হার প্রকাশ করা হবে। আর তা পাওয়া যাবে ECINET অ্যাপে।”  এছাড়াও এদিন তিনি আরও জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গে ৮০ হাজারেরও বেশি বুথ থাকবে। কিন্তু কোনও বুথে ১২০০-র উপর ভোটার থাকবে না। বুথে থাকবে বিশেষ সহয়তা ক্যাম্প। থাকবে নম্বরও। যেখানে যে কোনও রাজনৈতিক দল ফোন করে অভিযোগ জানাতে পারবেন। এছাড়াও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সমস্ত ভোটকেন্দ্রেই ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। আর তা কমিশন সম্পূর্ণ মনিটরিং করবে বলে জানিয়েছেন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। নিরাপত্তার স্বার্থে মোবাইল নিয়ে বুথে ঢোকা যাবে না। তা বাইরে রেখেই ভোট দিতে হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.