স্টাফ রিপোর্টার: ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election 2026) নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতে আর মাস দু’য়েক বাকি। বাংলায় বাম-কংগ্রেস জোট নিয়ে জোর চর্চাও চলছে। ইতিমধ্যেই ফ্রন্টের বৈঠকে বামফ্রন্টের শরিকরা কার্যত স্পষ্ট করে দিয়েছে, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের হাত ধরতে আগ্রহী নয় তারা। কংগ্রেসও অবশ্য আগামী বিধানসভা ভোটে রাজ্যে বামেদের সঙ্গে জোট করা নিয়ে ভাবছে না। ফলে ছাব্বিশের বিধানসভা ভোট যখন দোরগোড়ায়, তখন বাম-কংগ্রেস জোট যে এখনও পর্যন্ত বিশ বাঁও জলে সেটাই স্পষ্ট হয়ে গেল।
এখনও পর্যন্ত খবর, ২৯৪টি আসনেই লড়তে চায় কংগ্রেস। ইতিমধ্যেই ২৯৪ আসনেই প্রার্থী দিয়ে লড়াইয়ের কথা জানিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারও। নিচুতলার কংগ্রেস কর্মীরা চায়, সব আসনে লড়ুক দল। কর্মীদের চাহিদার কথাকে প্রাধান্য দিয়েই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলেছেন ২৯৪টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার কথা। শুভঙ্কর সরকারের কথায়, দলের হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। প্রদেশের মত শোনা হলে ২৯৪টি আসনেই লড়বে দল। সম্প্রতি দলের রাজ্য পর্যবেক্ষক গুলাম মীর এসেছিলেন। তিনিও বলেছেন, প্রদেশ সভাপতির পক্ষেই রয়েছেন। দলের কর্মীদের কথাই শোনা হবে।
২০১৬ ও ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে জোট বেঁধে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল বাম-কংগ্রেস। এবার বামফ্রন্টের বেশিরভাগ শরিকই কংগ্রেসকে বাদ দিয়েই ছাব্বিশের নির্বাচনে লড়াইয়ের পক্ষে সওয়াল করেছে শেষ কয়েকটি বামফ্রন্টের বৈঠকে। আর কংগ্রেসও এখনও পর্যন্ত এককভাবে লড়াইয়ের পক্ষে। ফলে ‘হাত’ ধরার প্রবল ইচ্ছে আলিমুদ্দিনের থাকলেও তা এখনও পর্যন্ত কার্যত অনিশ্চিত। এদিকে, ছাব্বিশের ভোটে বৃহত্তর বাম ঐক্য চাইছে বামফ্রন্ট। সেই বাম ঐক্যে নির্বাচনী জোটে এসইউসিকেও চাইছে বাম শরিকরা। সিপিএমের তরফে ফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু কথা বলবেন এসইউসিআইয়ের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে। এসইউসির রাজ্য সম্পাদক চণ্ডীদাস ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনও বৈঠক বা কথা হয়নি।
সর্বশেষ খবর
-
ভাঙড় বিস্ফোরণের ‘মূলচক্রী’, শওকতকে ১৪ দিনের এনআইএ হেফাজতে পাঠাল আদালত
-
সরকারি সম্পত্তি ধ্বংসে ‘জিরো টলারেন্স’, সিএএ বিক্ষোভে ভাঙচুরে তদন্তের নির্দেশ শুভেন্দুর
-
গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন? অস্ত্র মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ খান স্যরের
-
বরানগর-বারাকপুর মেট্রো প্রকল্পের অগ্রগতি, হকারের পুনর্বাসনের আর্জি জানিয়ে রেলমন্ত্রীকে চিঠি বিধায়ক কৌস্তভের
-
কেন ভাঙা হবে না পুরবোর্ড? ৭২ ঘণ্টায় জবাব চাইল রাজ্য, এবার কলকাতা পুরসভায় প্রশাসক!