বদলের বাংলায় দ্রুতগতিতে চলছে নাগরিক পরিষেবা। কঠোর আইনশৃঙ্খলা থেকে রাজ্যবাসীর সুরক্ষা – খুব কম সময়ের মধ্যে জরুরি একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে তা বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। তাতেই এবার যুক্ত হল বিপদের সময় জরুরি হেল্পলাইন। যার সাহায্যে মাত্র ৫ মিনিটে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করবে পুলিশ বাহিনী। বৃহস্পতিবার নবান্ন সভাঘরে পুলিশের একগুচ্ছ নতুন পরিষেবার উদ্বোধনে এই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জানালেন, আমেরিকার ৯১১-এর ধাঁচে এবার বাংলাতেও চালু হচ্ছে হেল্পলাইন নং – ১১২। এর জন্য আপাতত একটি গাড়ি বরাদ্দ করা হয়েছে। আগামী বাজেটে রাজ্যজুড়ে এই পরিষেবা চালু করতে আরও ২টি গাড়ি দেওয়া হবে।
মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, ‘‘আগেই ডিজিপি সাহেবকে বলেছিলাম ১১২ হেল্পলাইন চালু করতে। আমি দেখেছি যে গুজরাট, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশে এরকম হেল্পলাইন নম্বর আছে। বিপদে পড়ে ওই নম্বরে ফোন করলে ৬ মিনিটের মধ্যে পুলিশ পৌঁছে যায়। আর বাংলায় সেই সময়টা লাগে ৩ ঘণ্টা প্রায়। এখন নতুন হেল্পলাইনে চেষ্টা করব ৫ মিনিটের মধ্যে যাতে পুলিশ পৌঁছে যায়। এর জন্য একটা গাড়ি নামানো হবে। এছাড়া আমাদের ১৬০০ পুলিশকর্মী আছেন, যাঁদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। তাঁরাই ওই কাজটা করবেন। আগামী বাজেটে আমরা এই কাজে আরও ২টি গাড়ি দেব, যাতে আরও দ্রুতগতিতে পুলিশি সহায়তা পাওয়া যায়।”
আরও পড়ুন:
এদিন নবান্ন সভাঘরে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, ‘‘আগেই ডিজিপি সাহেবকে বলেছিলাম ১১২ হেল্পলাইন চালু করতে। আমি দেখেছি যে গুজরাট, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশে এরকম হেল্পলাইন নম্বর আছে। বিপদে পড়ে ওই নম্বরে ফোন করলে ৬ মিনিটের মধ্যে পুলিশ পৌঁছে যায়। আর বাংলায় সেই সময়টা লাগে ৩ ঘণ্টা প্রায়। এখন নতুন হেল্পলাইনে চেষ্টা করব ৫ মিনিটের মধ্যে যাতে পুলিশ পৌঁছে যায়। এর জন্য একটা গাড়ি নামানো হবে। এছাড়া আমাদের ১৬০০ পুলিশকর্মী আছেন, যাঁদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। তাঁরাই ওই কাজটা করবেন। আগামী বাজেটে আমরা এই কাজে আরও ২টি গাড়ি দেব, যাতে আরও দ্রুতগতিতে পুলিশি সহায়তা পাওয়া যায়।”
আগেই নারী সুরক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপের জন্য কলকাতা পুলিশের ব্যাটেলিয়নে দুর্গাসুরক্ষা স্কোয়াডের কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার নবান্নের সভাঘরে পুলিশকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তার উদ্বোধন ও পথচলা শুরু হল। প্রতিটি থানায় সাইবার হেল্প ডেস্কও চালু করা হয়েছে। এদিন মুখ্যসচিব এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি-সহ আরও উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা ছিলেন বৈঠকে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “নারীসুরক্ষা ও কন্যাদের নিরাপত্তা প্রদান সরকারের কাছে অতি গুরুত্বপূর্ণ। নির্ভয়া থেকে অভয়া যে তিক্ত অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছি, তাই তাদের সুরক্ষা প্রদান করব এবং সুবিচার দেব।” সবমিলিয়ে, রাজ্যের নারী নিরাপত্তা নিয়ে একটিও অভিযোগ যাতে না ওঠে, তার জন্য দ্রুত অ্যাকশন শুরু করল নতুন সরকার।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
নীতি আয়োগের বৈঠককে সামনে রেখে বাংলার শিক্ষা খাতে বড়সড় রূপরেখা তৈরির প্রক্রিয়া শুরু
-
তৃণমূলের আসল দাবিকার কে? মমতা ও ঋতব্রতদের চিঠি কমিশনের, সোমবারের মধ্যেই জবাব তলব
-
স্বামীকে হত্যার মহড়ার স্থানে পুলিশের সঙ্গে সিয়া! রাজি লাই ডিটেক্টর টেস্টে বসতেও
-
ছোট বোনের পর এবার বিয়ের পিঁড়িতে কৃতী শ্যানন? ফাঁস করলেন ভগ্নিপতি
-
মধ্যমগ্রাম স্টেশনে আপাতত বন্ধ বুলডোজার অ্যাকশন! ডিভিশন বেঞ্চেও বহাল অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ