Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
Swapan Dasgupta

যাদবপুরের কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানের ‘রাষ্ট্রীয় গুরুত্ব’ বাড়াতে পদক্ষেপ, অনুষ্ঠানে কী বার্তা অর্থমন্ত্রীর?

প্রতিষ্ঠানের ৭৬তম বর্ষের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। সেখানে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২৬, ১৬:৫৪

link
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২৬, ১৬:৫৪

options
link
যাদবপুরের কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানের ‘রাষ্ট্রীয় গুরুত্ব’ বাড়াতে পদক্ষেপ, অনুষ্ঠানে কী বার্তা অর্থমন্ত্রীর? zoom
ছবি: সংগৃহীত।
Advertisement

সিএসআইআর-কেন্দ্রীয় কাচ ও সেরামিক গবেষণা সংস্থা। যাদবপুরে এই প্রতিষ্ঠানের নাম অনেকে জানলেও, এখানে কী গবেষণা করা হয়? অনেকের কাছে স্পষ্ট নয়। এবার সেই প্রতিষ্ঠানের ‘রাষ্ট্রীয় গুরুত্ব’ বাড়াতে একাধিক পদক্ষেপের কথা জানালেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। বৃহস্পতিবার প্রতিষ্ঠানের ৭৬ প্রতিষ্ঠা দিবসে, প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে রাজ্য সরকারের ‘প্রতিষ্ঠানিক সম্পর্ক’ তৈরির কথা বলে এই প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা যাতে আরও সরকারি অর্থ সাহায্য পায় তার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারে কাছে দরবার করা হবে বলে জানালেন অর্থমন্ত্রী।

বৈজ্ঞানিক ও শিল্প গবেষণা পরিষদ বা সিএসআইআরের অধীনে ১৯৫০ সালে এই গবেষণা প্রতিষ্ঠান তৈরি হয়। যারা মূলত কাচ, সিরামিক, বায়োমেটেরিয়ালস, ফাইবার অপটিক্স, ফটোনিক্স এবং ন্যানোম্যাটেরিয়ালস নিয়ে গবেষণা করে। প্রতিষ্ঠানের ৭৬তম বর্ষের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। সেখানে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। অনুষ্ঠান শেষে অর্থমন্ত্রী বলেন, “এত বড় গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কলকাতার বুকে আছে। অনেকে হত সাইন বোর্ড দেখেছে। কিন্তু কী কাজ চলত না অনেকেই জানত না। তার বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। এই বিষয়ে পরে আলোচনা করব। আমাদের সামনে এখন দায়িত্ব, এর রাষ্ট্রীয় গুরুত্ব বাড়ানো। তাতে আমাদের যতটা করার করব। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে দরবার করব।”

Advertisement

প্রতিষ্ঠানের তরফে জানানো হয়েছে, কেবল গবেষণাপত্র নয়, তাঁদের তৈরি বিভিন্ন প্রযুক্তি শিল্প-প্রয়োগ ও বাণিজ্যিকীকরণের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া বর্তমান তাদের লক্ষ্য। প্রতিষ্ঠানটি স্বচ্ছ আর্মার গ্লাস-সিরামিকস, হাইপারসনিক র‍্যাডোম সামগ্রী, কৃত্রিম উপগ্রহের বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, উন্নত মানের অপটিক্যাল গ্লাস, ফাইবার লেজার তৈরি করেছে। সেই প্রযুক্তিগুলোর প্রয়োগ করেছে ডিআরডিও, ইসরো থেকে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান।

আরও নতুন প্রযুক্তি তৈরি করা হয়েছে। সেগুলি দেশের কাজে ব্যবহার না হলে কোনও মানে থাকে না বলে জানিয়েছেন সংস্থার ডিরেক্টর বিক্রমজিৎ বসু। তিনি বলেন, “আমরা নতুন, নতুন প্রযুক্তি তৈরি করেছি। তা যদি সমাজ বা দেশের কাজে না লাগলে কোনও দাম নেই। সেই জন্য আমরা বিভিন্ন শিল্পের সঙ্গে হাত মেলাই। একটা সিরামিক হেড তৈরি করেছি। সেই ক্ষেত্রে এতদিন জার্মানির এক কোম্পানির একচেটিয়া বাজার ছিল। তা আমরা ব্রেক করেছি। ইসোরতে ব্যবহৃত অপটিক্যাল গ্লাসও আসছিল জার্মানির একটি কোম্পানি থেকে। তা আমরা তৈরি করছি। আমরা বিভিন্ন খাতে অনুদান পাই। তবে এতদিন রাজ্য সরকার থেকে কোনও অনুদান পাইনি। এখন কথা হচ্ছে।”

অনুষ্ঠান শেষে অর্থমন্ত্রী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে এই প্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক তৈরি করতে চাই। শিল্পের সঙ্গে এই প্রতিষ্ঠানগুলির সম্পর্ক বাড়ছে। এখনও পুরোপুরি সেটা হয়নি। বাংলায় বড় শিল্পের সঙ্গে যদি এই প্রতিষ্ঠান সম্পর্ক তৈরি করতে পারি। তাহলে আমি মনে করি বড় পদক্ষেপ হবে। এই নিয়ে আমার আলোচনা করেছি।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.