Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
Kumartuli

কুমোরটুলিকে কেন্দ্র করে পর্যটনের রূপরেখা! ‘মাস্টারপ্ল্যান’ তৈরির উদ্যোগ রাজ্যের

রাজ্যের মন্ত্রী পূর্ণিমা চক্রবর্তী কুমোরটুলি যান। সেখানকার শিল্পীদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের সুবিধা-অসুবিধার কথা জানতে চান। ছিলেন নবান্নের আধিকারিকরাও।

নব্যেন্দু হাজরা
নব্যেন্দু হাজরা

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২৬, ১৭:০৩

link
নব্যেন্দু হাজরা
নব্যেন্দু হাজরা

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২৬, ১৭:০৩

options
link
কুমোরটুলিকে কেন্দ্র করে পর্যটনের রূপরেখা! ‘মাস্টারপ্ল্যান’ তৈরির উদ্যোগ রাজ্যের zoom
চলছে প্রতিমা তৈরির প্রস্তুতি। নিজস্ব চিত্র।
Advertisement

কুমোরটুলির ঘাট সংস্কারের কাজ আগেই শুরু হয়ে গিয়েছিল। পুজোর আগে নবরূপে তার উদ্বোধনেরও কথা। আর এবার রূপ বদলাবে কুমোরটুলির পটুয়াপাড়ার। পরিকাঠামো বদলানোর পাশাপাশি কুমোরটুলিকে কেন্দ্র করে পর্যটনের রূপরেখাও তৈরি করতে উদ্যোগী হচ্ছে রাজ্য সরকার।

বুধবার রাজ্যের মন্ত্রী পূর্ণিমা চক্রবর্তী কুমোরটুলি যান। সেখানকার শিল্পীদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের সুবিধা-অসুবিধার কথা জানতে চান। ছিলেন নবান্নের আধিকারিকরাও। পরে মৃৎশিল্পীদের সংগঠনের কাছে এখানকার উন্নয়নে কী কী পরিকল্পনা করা যেতে পারে, সে বিষয়টি লিখিত আকারে জানাতে বলেন।

Advertisement

বিদেশি পর্যটকদের ভিড় জমে কুমোরটুলিতে (Kumartuli)। বিশ্বের সৃষ্টিশীল মানুষের কাছে আকর্ষণের অন্যতম স্থান উত্তর কলকাতার এই এলাকা। এখানকার শিল্পীদের সৃষ্টি কদর পায় সারা বিশ্বজুড়ে। কিন্তু তাতেও বলদায়নি এখানকার অধিকাংশ শিল্পীদের জীবন। শিল্পীদের কথায়, আঁধারে তাঁদের জীবন। সেই অন্ধকার ঘোচানোর প্রয়াসে কুমারটুলির সার্বিক উন্নয়নের রূপরেখা তৈরি করতে চাইছে সরকার।

যেখানে শিল্পীদের পাকা ছাদ, স্টুডিও, আর্ট কলেজের মতো অনেক কিছু করার পরিকল্পনা নেওয়া হতে পারে। তবে পুরোটাই এখানকার মানুষদের মতামত নিয়ে। নবান্নের কর্তারা জানাচ্ছেন, গোটা বিশ্বের কাছে কুমোরটুলিকে নতুন রূপে তুলে ধরতেই এই পদক্ষেপ। তবে আপাতত প্রাথমিক একটা আলোচনা হয়েছে।

বাম জামানায় একবার কুমোরটুলির উন্নয়নে কিছু পরিকল্পনা নেওয়া হলেও পালাবদলের পর সে কাজ এগোয়নি। এখানকার শিল্পীরা যে তিমিরে ছিলেন, সেখানেই রয়ে গিয়েছেন। কিন্তু রাজ্যে বিজেপি সরকার আসতেই কুমোরটুলির মৃৎশিল্পী এবং এখানকার বাসিন্দাদের উন্নয়নে মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করতে উদ্যোগী হয়েছে। প্রায় ২৫০-৩০০ মৃৎশিল্পী এখানে কাজ করেন। বর্ষা এলে কাদায় এখানে পা ফেলা দায়। অধিকাংশ চত্বরই টিন বাঁশ বাটনের প্লাস্টিকের আবরণে ঢাকা। ভালো করে হাঁটা দায়। অথচ সেখানেই হাজারো মানুষের ভিড়। এই কুমোরটুলিদের শিল্পীদের হাতে তৈরি প্রতিমাই দেশের গণ্ডি পার করে বিদেশে যায়। অথচ এখানকার অধিকাংশ মানুষগুলোর জীবনযাত্রাতেই আসেনি কোনও বদল।

শিল্পীদের কথায়, শুধু তো আর প্রতিমার বায়নার জন্য নয়। কুমোরটুলিতে মানুষ দেখতে আসেন এখানকার শিল্পকলা। এখানকার সৃষ্টি। তাই এখানকার পরিবেশ একটু ভালো হলে গোটা দেশের কাছে বাংলার মুখই উজ্জ্বল হবে। পর্যটকদের কাছেও আরও বড় ডেস্টিনেশন হয়ে উঠবে এই এলাকা। আর সেই লক্ষ্যেই এগোতে চাইছে রাজ্য সরকার।

তবে শিল্পীরা জানাচ্ছেন, প্রতিমা তৈরিরও অনেক বিষয় থাকে। কংক্রিটের পাকা জায়গা প্রতিমা তৈরির জন্য আদর্শ নয়। খোলা জায়গা আদর্শ। যেখানো রোদ, আলো-বাতাস খেলে বেড়ায়। কুমোরটুলি প্রগতিশীল মৃৎশিল্পী ও সাজশিল্পী সমিতির সম্পাদক অপূর্ব পাল বলেন, “আমাদের কাছে সরকার জানতে চেয়েছে, এখানকার উন্নয়নে আমরা কী চাই। আমরা তা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সরকারকে জানাব।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.