Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
TMCP Foundation Day

মেয়ো রোডে কাউকেই অনুমতি নয়! টিএমসিপির প্রতিষ্ঠা দিবসে ‘দুই তৃণমূল’কেই বিকল্প হাই কোর্টের

তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস পালন নিয়েও নজিরবিহীন সংঘাত দুই শিবিরের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৫, ২০২৬, ১৫:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৫, ২০২৬, ১৫:০৪

options
link
মেয়ো রোডে কাউকেই অনুমতি নয়! টিএমসিপির প্রতিষ্ঠা দিবসে ‘দুই তৃণমূল’কেই বিকল্প হাই কোর্টের zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

আগামী শুক্রবার অর্থাৎ ২৮ আগস্ট তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস (TMCP Foundation Day)। তৃণমূলের দুই শিবিরকেই ওইদিন প্রতিষ্ঠা দিবসের কর্মসূচি পালনে অনুমতি দিল কলকাতা হাই কোর্ট। তবে কাউকে মেয়ো রোডে সভা করার অনুমতি দেয়নি আদালত। বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী, ক্যাথিড্রাল রোডে টিএমসিপির প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করতে হবে কালীঘাট তৃণমূল তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। অন্যদিকে ধর্মতলার রানি রাসমণি অ্যাভিনিউয়ে কর্মসূচি পালন করবে ঋতব্রত শিবির। শর্তসাপেক্ষে এই দুই সভা করায় ছাড়পত্র দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট।

আগামী ২৮ আগস্ট মেয়ো রোডে টিএমসিপির কর্মসূচি পালন করতে চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় তৃণমূলের দুই শিবির। আজ, মঙ্গলবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে মামলাটির শুনানির জন্য ওঠে। শুনানিতে বিচারপতির স্পষ্ট নির্দেশ, কালীঘাটপন্থী এবং ঋতব্রতপন্থী, দুই শিবিরের সভাতে কখনই ১৫০০ জনের বেশি সমাগম করা যাবে না। এমনকী সভার সময়ও নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে কলকাতা হাই কোর্টের তরফে। আদালত জানিয়েছে, দুই শিবিরকেই সভা করতে হবে দুপুর ১২ টা থেকে দুপুর ৩টের মধ্যে। শুধু তাই নয়, আগামী বুধবারের মধ্যে ২০ জন করে স্বেচ্ছাসেবকের ফোন নম্বর দুই শিবিরকেই পুলিশের কাছে জমা দিতে হবে। অনুষ্ঠানের দিন যান চলাচল যাতে স্বাভাবিক থাকে তাও নিশ্চিত করতে হবে।

Advertisement

পাশাপাশি দুই শিবিরের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করতে পুলিশকে নির্দেশ বিচারপতির। তবে এদিন কালীঘাট এবং ঋতব্রতপন্থীদের উদ্দেশে আদালতের গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ, ”একযোগে অনুষ্ঠান করুন। ব্রিগেডে ১০ হাজার জমায়েতের অনুমতি দেব।”

বলে রাখা প্রয়োজন, প্রত্যেক বছর মেয়ো রোডে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে তৃণমূলের ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করা হয়। যেখানে প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত থাকেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও বর্তমান পরিস্থিতি আলাদা। রাজ্যে পালাবদলের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘর ভেঙে খান-খান। একদল যোগ দিয়েছেন এনসিপিআইতে। অন্যদল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৈরি হওয়া ‘আসল’ তৃণমূলে যোগ দিয়েছে। গত ২১ জুলাই, শহিদ দিবস অনুষ্ঠান আলাদাভাবে পালিত হয়। এনসিপিআই সাংসদরা দিল্লিতে শহিদ দিবস পালন করেন। অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আলাদাভাবে শহরের দুই জায়গায় শহিদ দিবস পালন করেন। এবার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস পালন নিয়েও নজিরবিহীন সংঘাত দুই শিবিরের। যা নিয়ে জল গড়ায় কলকাতা হাই কোর্ট পর্যন্ত।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.