Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩২ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
Saugata Roy

কলকাতা বিমানবন্দরে সৌগত রায়কে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ, ‘শুধু ভূরিভোজে দেখা যেত,’ তোপ বিজেপি বিধায়কের

কলকাতা বিমানবন্দর চত্বরে সৌগত নিজের গাড়িতে করে পৌঁছতেই জনরোষ আছড়ে পড়ে। তাঁর গাড়ি ঘিরে চলে বিক্ষোভ।

বিধান নস্কর
বিধান নস্কর

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৮, ২০২৬, ১৭:৫০

link
বিধান নস্কর
বিধান নস্কর

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৮, ২০২৬, ১৭:৫০

options
link
কলকাতা বিমানবন্দরে সৌগত রায়কে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ, ‘শুধু ভূরিভোজে দেখা যেত,’ তোপ বিজেপি বিধায়কের zoom
১৮ আগস্ট, মঙ্গলবার। কলকাতা বিমানবন্দরে সৌগত রায়ের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ। নিজস্ব ছবি।
Advertisement

তৃণমূলের কালীঘাটপন্থী সাংসদ সৌগত রায় (Saugata Roy) ফের একবার বিক্ষোভের মুখে। এবার কলকাতা বিমানবন্দরে তাঁকে ঘিরে কালো পতাকা, জুতো দেখালেন বিক্ষোভকারীরা। উঠল ‘গো ব্যাক’, ‘চোর চোর’ স্লোগান। মঙ্গলবার কলকাতা বিমানবন্দর চত্বরে সৌগত নিজের গাড়িতে করে পৌঁছতেই জনরোষ আছড়ে পড়ে। তাঁর গাড়ি ঘিরে চলে বিক্ষোভ। পরে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ সৌগত রায়কে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। এবিষয়ে বিজেপি বিধায়ক অরিজিৎ বক্সী সৌগতকে আক্রমণ করে বলেন, কোনওদিনই এলাকাবাসীর পাশে ছিলেন না সাংসদ। তাঁকে শুধু ভূরিভোজের অনুষ্ঠানে দেখা যেত।

মঙ্গলবার কলকাতা বিমানবন্দর (Kolkata Airport) অথরিটি অফিসে একটি বৈঠক ছিল। ওই এলাকারই সাংসদ সৌগত রায়। সেই কারণে বৈঠকে তাঁকে ডাকা হয়েছিল। তিনি উপস্থিত হতেই উপস্থিত জনতা ও বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা তাঁর গাড়ি ঘিরে ধরে। সাংসদকে বাড়ি ফিরে যেতে বলতে থাকেন তাঁরা। দেখানো হয় কালো পতাকা, জুতো। সৌগত গাড়ির কাচ নামিয়ে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতে লাভ হয়নি। কোনও কথাই শুনতে নারাজ ছিলেন বিক্ষোভকারীরা। কিছুক্ষণ পর সাংসদকে উদ্ধার করে নিয়ে যান বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ।

Advertisement

রাজ্যে পালাবদলের পর সাংসদ সৌগত রায়ই প্রথমবার ডিম খেয়েছিলেন। চলতি বছরের মে মাসের শেষের দিকে নিমতায় তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান উত্তেজিত জনতা। ডিম ছোড়ার পাশাপাশি তাঁকে উদ্দেশে দেওয়া হয় চোর স্লোগান। বিজেপি কর্মী-সমর্থকরাই এই কাজ করেছেন বলে অভিযোগ করেছিলেন সাংসদ। এবার কলকাতা বিমানবন্দর চত্বরে সৌগতকে ঘিরে বিক্ষোভ প্রদর্শন হল। উঠল চোর স্লোগান।

এবিষয়ে বিজেপি বিধায়ক অরিজিৎ বক্সী বলেন, “এখানকার সাংসদ কোনওদিনই স্থানীয়দের পাশে ছিলেন না। শুধু ভূরিভোজের আয়োজনে দেখা যেত তাঁকে। দমদমের মানুষ এক কোমর জলে ডুবে থাকলেও কোনও দিন ওঁনাকে ধুতির কাপড় গুটিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াতে দেখা যায়নি। আজকে লজ্জার মাথা খেয়ে এখানে পৌঁছে গিয়েছেন। আত্মসম্মান বোধ থাকলে এখান থেকে পদত্যাগ করে বেরিয়ে যাওয়া উচিত ছিল। দমদমের সাধারণ মানুষ তাঁকে দেখেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। দমদমের সঙ্গে তাঁর কোনও যোগাযোগ নেই। পদ আঁকড়ে, চেয়ার আঁকড়ে বসে থাকা তৃণমূলের নির্লজ্জদেরই মানায়।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.