ডিম হামলার শিকার হওয়ার পরই কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে রক্ষাকবচ চেয়ে মামলা দায়ের করার অনুমতি চাওয়া হয়। অভিযোগ, তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআরে পদক্ষেপ নিচ্ছে পুলিশ। অথচ তিনি যে এফআইআর দায়ের করেছেন সেটির কোনও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না। আর এই মর্মে রক্ষাকবচের আর্জি জানিয়ে আদালতে তৃণমূল সাংসদ। মামলা দায়ের করার নির্দেশ দেয় আদালত।
গত ১ জুলাই, নদিয়ার কালীগঞ্জে তৃণমূলের একটি কর্মিসভা ছিল। সেই কর্মিসভায় উপস্থিত ছিলেন মহুয়া মৈত্র। কর্মিসভা চলাকালীনই পার্টি অফিসের বাইরে জাতীয় সড়কের উপর কালো পতাকা হাতে জড়ো হন জনতা। মহুয়া মৈত্রকে লক্ষ্য করে ‘হায়, হায়’, ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা। এরপর ওই পার্টি অফিসের জানালা দিয়ে মহুয়াকে দেখতে পেয়ে জাতীয় সড়ক থেকেই ছোড়া হয় একের পর এক ডিম। ডিমের পাশাপাশি কাদাও ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। এমনকী বেগুনও ছোড়া হয়। মহুয়া ও তৃণমূল কর্মীদের ঘেরাও করে রাখারও অভিযোগ ওঠে। এই সব অভিযোগ তুলে সমাজমাধ্যমে কয়েকটি ভিডিও শেয়ার করেন মহুয়া। তাঁর অভিযোগ, তাঁদের বেরতে দেওয়া হয়নি সেদিন।
আরও পড়ুন:
মহুয়া ভিডিওতে বলেন, “এটাই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। বিজেপির লোকজন জমায়েত করে ঘেরাও করে রেখেছে। জানালা দিয়ে আমার উপর হামলা চালানো হয়েছে। কিন্তু এসব দেখেও পুলিশ দাঁড়িয়ে রয়েছে। কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। জমায়েতকে সরাতেও কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।” এরপর বেরিয়ে গাড়িতে ওঠার সময় বিক্ষোভকারীদের একহাত নেন মহুয়া। সকলেই বিজেপির লোক বলে দাবি করেন। এরপর শুক্রবার কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ কৃষ্ণনগরের সাংসদ।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
১২৬ দিন পরে অন্তেষ্ট্যি! কেন খামেনেইয়ের শেষকৃত্য এত দেরিতে? কোথায় ছিল দেহ?
-
দক্ষিণে দুর্যোগের কালো মেঘ, সুন্দরবনে জারি রেড অ্যালার্ট, মৎস্যজীবীদের সতর্কতায় পুলিশি মাইকিং
-
আনোয়ার আলি ইস্যুর ভাগ্য নির্ধারণ কবে? জানিয়ে দিল আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আদালত
-
রামনবমীতে অশান্তি মামলায় তিনদিনেই জামিন অপরূপার কাউন্সিলর স্বামী সাকিরের
-
‘স্বাস্থ্যসাথী’ বাছাই করে পুজোর মধ্যেই আয়ুষ্মান, দ্রুত কাজ এগনোর নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর