Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Abhishek Banerjee

SIR থেকে নজর ঘোরানোর চেষ্টা! ‘জনপ্রতিনিধি গ্রেপ্তারি’ বিল নিয়ে ‘কাপুরুষ’ শাহকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

আর কী বললেন অভিষেক?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২০, ২০২৫, ১৭:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২০, ২০২৫, ১৭:৩৭

options
link
SIR থেকে নজর ঘোরানোর চেষ্টা! ‘জনপ্রতিনিধি গ্রেপ্তারি’ বিল নিয়ে ‘কাপুরুষ’ শাহকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সংবিধান সংশোধনী বা জনপ্রতিনিধি গ্রেপ্তারি বিল ইস্য়ুতে কেন্দ্রকে তুলোধোনা করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়। সাংবাদিক বৈঠক থেকে তিনি দাবি করলেন, এসআইআর থেকে নজর ঘোরানোর চেষ্টা চলছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে কাপুরুষ বলে খোঁচা দিয়ে তিনি বলেন, “এই সরকার মানুষের সুরক্ষা নিয়ে চিন্তিত নয়। শুধু যে কোনও মূল্যে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার চেষ্টা করছে।” অভিষেকের কথায়, “কাউকে রাজনৈতিক শত্রুতায় গ্রেপ্তার করা হলে তিনি আর আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগটুকুও পাবেন না।” 

বুধবারই লোকসভায় তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পেশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল প্রশাসন (সংশোধনী) বিল ২০২৫, সংবিধান (১৩০ তম সংশোধনী) বিল ২০২৫ এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্বিন্যাস (সংশোধনী) বিল ২০২৫। ওই বিলগুলি মূলত সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে আনা। গুরুতর অপরাধের সঙ্গে জড়িত কোনও মন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী নিজের পদের জন্য সাংবিধানিক রক্ষাকবচ না পান, সেটাই নিশ্চিত করা হবে ওই বিলে। প্রস্তাবিত ওই বিলে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বা কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং মন্ত্রীপদে আসীন অবস্থায় কেউ যদি গুরুতর অপরাধে ৩০ দিনের বেশি জেলে থাকেন তাহলে তাঁকে পদ থেকে অপসারণ করা হবে।

Advertisement

বুধবার বিকেলে এই বিল নিয়েই সাংবাদিক বৈঠক করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি বলেন, কাপুরুষের মতো ২০ জন মার্শাল নিয়ে বিল পেশ করেছেন। সাংসদের কথায়, “যদি কাউকে রাজনৈতিক কারণে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি তো আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগই পাবেন না। এটা অন্যায়।” এরপরই তিনি প্রশ্ন তোলেন, যে তদন্তাধীন মামলাগুলোতে নেতাদের গ্রেপ্তার করে বছরের পর বছর জেলে রাখা হয়, সেটা কোন আইনে? অপরাধ প্রমাণিত না হলে কেন একজনকে জেলবন্দি রাখা হবে সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। এরপরই শর্তসাপেক্ষে ‘জনপ্রতিনিধি গ্রেপ্তারি’ বিল সমর্থনের কথা শোনা যায় অভিষেকের গলায়। তিনি বলেন, “৩০ দিন ও দরকার নেই। ১৫ দিনেই পদ ছাড়বে, কিন্তু যদি তদন্তের পর নির্দোষ প্রমাণ হয় সেক্ষেত্রে তদন্তকারীদের গ্রেপ্তার করতে হবে।”

এখানেই শেষ নয়, একাধিক ইস্যুতে বিজেপি সরকারকে আক্রমণ করেন অভিষেক। বলেন,  “এই সরকার মানুষের সুরক্ষা নিয়ে চিন্তিত নয়। কৃষকের স্বার্থ নিয়ে এরা চিন্তা করে না। সীমান্ত সমস্যা নিয়েও এরা ভাবে না। জঙ্গি হামলা সামলাবে কী করে, তাও এরা ভাবে না। আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ক্ষমতার অলিন্দে থাকার চেষ্টাই এদের মূল লক্ষ্য।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.